ওবায়দুল কাদেরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিতে হাসপাতালে নেতাকর্মীদের ভিড়

  • ৪-মার্চ-২০১৯ ০১:০৮ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

গুরুতর অসুস্থ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার খোঁজ নিতে হাসপাতালে ভিড় করছেন দলীয় নেতাকর্মীরা। তার অসুস্থতার খবর পেয়ে সকাল থেকেই আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (বিএসএমএমইউ) এসে ভিড় করেন।

বেলা ১২টার দিকে ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার খোঁজ নিতে আসেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে আসেন তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রচার সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। বেরিয়ে যাওয়ার সময় তিনি বলেন, ‌‘তার (ওবায়দুল কাদের) শারীরিক অবস্থা কী অবস্থায় আছে এ নিয়ে আমি বলতে চাই না। এ নিয়ে ডাক্তাররাই বলবেন। তবে দলের পক্ষ থেকে আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার জন্য যোগাযোগ করছি। আমরা আশা করছি, তাকে সহসা সিঙ্গাপুর নিয়ে যেতে পারব।’

এর কিছুক্ষণ পরই হাসপাতালে আসেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি করোনারি কেয়ার ইউনিটে দায়িত্বরত ডাক্তার এবং মেডিকেল বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেন।

পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি বলেন, উনি ভালো আছেন। নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ওনাকে দেখতে হাসপাতালে অহেতুক ভিড় জমাবেন না। ভিড় জমলে তার চিকিৎসার ব্যাঘাত ঘটবে। এটি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ।

প্রধানমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নিচ্ছেন জানিয়ে হানিফ বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাদের ভাইয়ের অসুস্থতার খবর শুনে হাসপাতালে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করছেন। কাদের ভাইকে সুস্থ রাখার জন্য আমাদের সবাইকে নিয়ম মেনে চলতে হবে। সেটি হলো কেউ এখানে যেন ভিড় না করে। কারও যদি ওনার সম্পর্কে জানার আগ্রহ হয় তা হলে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক বা ভিসি স্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

হাসপাতালের সিসিইউর সামনে অপেক্ষমাণ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও প্রতিমন্ত্রী একেএম এনামুল হক শামীম বলেন, ওবায়দুল কাদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। দেশবাসীর কাছে তার সুস্থতা কামনা ও দোয়া চাই।

এর আগে রোববার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে ওবায়দুল কাদেরকে বিএসএমএমইউর ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) নেয়া হয়। সেখান থেকে জরুরি ভিত্তিতে তাকে সিসিইউতে (করোনারি কেয়ার ইউনিট) নিয়ে ভর্তি করা হয়। পরে এনজিওগ্রাম করলে হার্টে তিনটি ব্লক ধরা পড়ার কথা জানান চিকিৎসকরা।

Ads
Ads