আভ্যন্তরীণ-বাহ্যিক যে কোন হুমকি মোকাবেলায় প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান

  • ১-মার্চ-২০১৯ ০৭:২৭ পূর্বাহ্ণ
Ads

ছবি: আইএসপিআর

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন, সেনাবাহিনী দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। মানবিক কারণে বাংলাদেশে আশ্রয় দেয়া রোহিঙ্গাদের নানা প্রকার সেবা দিচ্ছে সেনাবাহিনী।

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ, বিএসপি, বিজিবিএম, পিবিজিএম, বিজিবিএমএস, পিএসসি, জি এবং উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ নবগঠিত কক্সবাজারের রামু সেনানিবাসকে পূর্ণাঙ্গ সেনানিবাস হিসেবে প্রতিষ্ঠার আরেকটি ধাপ হিসেবে বৃহস্পতিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ১০ পদাতিক ডিভিশনের অধীনস্থ ০৫টি ইউনিটের পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সেনাপ্রধান।

তিনি বলেন, কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ, বিমানবন্দর ও বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ নানা উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ চলছে। এসব কারণে এই এলাকার গুরুত্ব অনেক বেড়েছে। বঙ্গবন্ধুর সেনা উন্নয়ন নীতি অনুসরণ করে সেনাবাহিনীর উন্নয়নে কাজ করছে সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকল সেনাসদস্যের উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে সেনাপ্রধান বলেন, সকলকে উর্দ্ধতন নেতৃত্বের প্রতি আস্থা, পারস্পরিক বিশ্বাস, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রেখে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সুশৃংখল, দক্ষ ও যোগ্য সেনাসদস্য হিসেবে গড়ে উঠার নির্দেশ দেন। সেই সাথে পেশাদারিত্বের ঈপ্সিত মান অর্জনের মাধ্যমে আভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক যে কোন হুমকি মোকাবেলায় সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশ প্রদান করেন।

এর অগে, সেনাবাহিনী প্রধান অনুষ্ঠানস্থলে এসে পৌঁছালে ১০ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোঃ মাঈন উল্লাহ চৌধুরী তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। অতঃপর প্যারেড কমান্ডার মেজর ফয়সাল আমির মোহাম্মদ তারেক এর নেতৃত্বে সেনাবাহিনীর একটি চৌকষ দল কুচকাওয়াজ প্রদর্শন করে এবং সেনাবাহিনী প্রধানকে সালাম প্রদান করে।

১০ পদাতিক ডিভিশনের ০৫টি নবগঠিত ইউনিটের যাত্রার মাধ্যমে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়ন রূপকল্প ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর বাস্তবায়নের পথে আরেকটি মাইলফলক সংযোজিত হলো।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের পর্যটন নগরী কক্সবাজার জেলার রামুতে ২০১৪ সালে ১০ পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

 

/কে 

Ads
Ads