‘ শক্তিশালী অজানা ফোনে’ হোঁচট খেলো বিআইডব্লিউটিএ’র উচ্ছেদ অভিযান

  • ২২-ফেব্রুয়ারী-২০১৯ ০৯:৩০ অপরাহ্ন
Ads

ভোরের পাতা ডেস্ক
এগারোতম দিনে এসে থমকে গেছে বিআইডব্লিউটি-এর উচ্ছেদ অভিযান। বুড়িগঙ্গা ও হাইক্কা খালের মোহনায় অবৈধভাবে নির্মিত ১০তলা ভবনটি উচ্ছেদ করতে পারেননি বিআইডব্লিউটিএ’র নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এদিকে, মঙ্গলবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) আমিন মোমিন হাউজিংয়ের স্থাপনা ভাঙা শুরু হলেও কিছুক্ষণ পরই স্থগিত করা হয়।

এরপর সরিয়ে নেয়া হয় ঢাকা বন্দর প্রধানকে। এদিকে, আদালতের নির্দেশের পরও উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন রিটকারী আইনজীবী।

বিআইডব্লিউটিএ আজও ভবনটি উচ্ছেদে গিয়ে যায়। কিন্তু এক্সেভেটর নিয়ে ঘণ্টা খানেক অপেক্ষার পর ফিরে আসে সংস্থাটির কর্মকর্তারা।
যদিও ভবনটির আশপাশের অনেক স্থাপনায় গুড়িয়ে দিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ। সেখান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটেটের নেতৃত্বে উচ্ছেদকারীরা যান বসিলার কাটাসুরে তুরাগ তীরের আমিন মমিন হাউজিংয়ে।

প্রায় ঘণ্টা দুই মাপঝোক শেষে দেখা যায়, পাশে নদীর ২৫৫ ফুট আর লম্বায় ২৮শ’ ফুট দখল করে গড়ে উঠেছে এই প্রকল্প। ক্রয়সূত্রে অবৈধ এই জমির বেশিভাগেরই মালিক রকিবুল আলম দীপু। তিনি বিআইডব্লিউটিএর একজন বড় ঠিকাদার।

মাঝখানে উচ্ছেদে বাধা দেয়ার অভিযোগে, একজনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। যদিও কয়েক ঘণ্টা আটকে রেখে ছেড়ে দেয়া হয় তাকে।

দুপুর সোয়া ১টার দিকে শুরু হয় অভিযান। অজানা ফোনে মিনিট ১৫র মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় তা।

এরপরপরই উচ্ছেদ এলাকা থেকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়, বিআইডব্লিউটিএ’র ঢাকা নৌ বন্দরের প্রধানকে।

যদিও তাকে সরিয়ে নেয়ার সাথে উচ্ছেদ কাজের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি উপস্থিত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের।

দিনভর এমন নাটকীয়তার পর বিকেল নাগাদ এক্সেভেটরগুলো ব্যস্ত থাকে নদী খননে।
 

Ads
Ads