ভিকারুননিসার ছাত্রীর আত্মহত্যা: পা ধরে কান্না করলেও মন গলেনি অধ্যক্ষের

  • ৪-Dec-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

নকলের অভিযোগে স্কুল থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের কথা জানতে পেরে ভিকারুননিসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্রী অরিত্রি অধিকারী (১৫) প্রিন্সিপাল নাজনীন ফেরদৌসের কাছে ক্ষমা চেয়েছিল।

শুধু তাই নয়, তার পা ধরে কান্নাকাটি করেছিল অরিত্রি; যাতে তাকে টিসি না দেয়া হয়। কিন্তু কোনো কিছুতেই মন গলেনি অধ্যক্ষের।

পরিবার বলছে-অধ্যক্ষ যদি অরিত্রিকে ক্ষমা করে দিতেন, তা হলে সে আত্মহত্যা করত না।

প্রসঙ্গত, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নকলের অভিযোগ তুলে বাবা-মাকে ডেকে অপমান ও টিসি দেয়ার কথা বলায় রাজধানীর শান্তিনগরে নবম শ্রেণীর ছাত্রী অরিত্রি আত্মহত্যা করেন। 

স্কুলের অধ্যক্ষ অরিত্রির বাবা-মাকে ডেকে মেয়ের সামনেই অপমান করে বলেন, ‘সিদ্ধান্ত হয়েছে অরিত্রিকে নকলের অভিযোগে প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেয়া হবে।’

এ অপমান সইতে না পেরে বাসায় এসে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় অরিত্রি। আত্মহত্যার কিছুক্ষণ আগে সে তার মাকে জানায়, ‘মা এ লজ্জা নিয়ে বাঁচতে চাই না।’ তার ছোট বোনও একই স্কুলে পড়ে।

পুলিশ ও পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, সোমবার বেলা সাড়ে ১২টায় রাজধানীর শান্তিনগরে সাততলা ভবনের সপ্তম তলায় নিজ ফ্ল্যাটের ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অরিত্রির মরদেহ পাওয়া যায়।

 

/কে 

Ads
Ads