আলোকচিত্রী শহিদুল আলম ৭ দিনের রিমান্ডে

  • ৬-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে তথ্য-প্রযুক্তি আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

সোমবার (০৬ আগস্ট) বিকেলে রমনা থানায় দায়ের হওয়া তথ্যপ্রযুক্তির একটি মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০দিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। 

এ সময় রমনা থানার আদালত শাখার নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহামুদুল হাসান আদালতকে বলেন, ‘মিথ্যা তথ্য দিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন শহিদুল আলম। তাই তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।’

আসামিপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার জোতির্ময় বড়ুয়া শুনানিতে আদালতকে বলেন, ‘তাকে কীভাবে অত্যাচার করা হয়েছে তা শোনার জন্য অনুরোধ করছি। সেইসঙ্গে আমরা আসামির জামিন প্রার্থনা করছি।’

এ সময় আদালতে শহিদুল হক বলেন, ‘১০-১২ জন সাদা পোশাকে পুলিশ আমাকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন চালিয়েছে। আমাকে আঘাত করা হয়েছে। গায়ের রক্ত গড়িয়ে পুরো পাঞ্জাবি ভিজে গেছে।’

শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম (এসিএমএম) আসাদুজ্জামান নূর ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে রোববার (০৫ আগস্ট) রাতে ধানমন্ডির বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) পরিচয়ে শহিদুলকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ করেন তার পরিবারের সদস্যরা। একই অভিযোগে গণমাধ্যমে বিবৃতিও দেয় দৃক গ্যালারি।  

পরে সকালে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা জানান, শহিদুল আলমকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

পরে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানিয়ে দুপুরে তাকে আদালতে হাজির করানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগের পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে মামলাটি করেন। 

মামলায় তার বিরুদ্ধে ফেসবুক ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চলমান আন্দোলন নিয়ে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

শহিদুলের স্ত্রী রেহনুমা জানান, চলমান ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে শহিদুল সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন। ফেসবুকেও বিভিন্ন সময় লাইভে এসে কথা বলেন তিনি।

/ই

Ads
Ads