খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে রিট শুনানি ১১ সেপ্টেম্বর

  • ১০-Sep-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা অনলাইন ::

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে দেশের বিশেষায়িত কোনো হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে করা রিটের ওপর ‘নট টুডে’ (শুনানি আজ নয়) আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে আবেদনটির ওপর আগামীকাল মঙ্গলবার শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবীরা।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে করা কায়সার কামালের আবেদনের ওপর শুনানির কথা ছিল। আবেদনটি হাইকোর্টের কার্যতালিকায় ৬৫ নম্বরে রাখা হয়েছিল। তবে শুনানির প্রস্তুতির জন্য আরও সময় প্রয়োজন উল্লেখ করে হাইকোর্টের কাছে সময় আবেদন করেন খালেদা জিয়ার আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। এরপর আদালত সময় আবেদনটি মঞ্জুর করে ‘নট টু ডে’ আদেশ দেন। 

রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কারাবন্দি বিএনপি চেয়ারপারসন ‘অসুস্থ’ খালেদা জিয়াকে বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা, স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য একটি বিশেষ বোর্ড গঠন এবং এখন পর্যন্ত তাঁর চিকিৎসাসেবা-সংক্রান্ত যাবতীয় নথিপত্র দাখিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। 

প্রসঙ্গত, গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীকে ৫ বছরের কারাদণ্ড ও আর্থিক জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণার পরপরই খালেদা জিয়াকে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি সেখানেই আছেন।

কারাবন্দি হওয়ার পরপরই নানা রোগে আক্রান্ত খালেদা জিয়া আরও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। বিএনপি অনেক দিন ধরেই ইউনাইটেড বা বিশেষায়িত হাসপাতালে তাঁর ব্যবস্থার দাবি জানিয়ে আসছেন।

বুধবার (৫ সেপ্টেম্বর) পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত বিশেষ আদালতে হাজিরের পর খালেদা জিয়ার অসুস্থতার বিষয় সামনে আসেন। এদিন খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের তাঁর বাম হাত দেখিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, ‘এ হাতটা ইয়ে (প্যারালাইজড) হয়ে গেছে, ডান পা বাঁকাতে পারি না। আমি খুবই অসুস্থ। ওরা (আদালত) যা খুশি তাই করুক।’ 

বিচারককে উদ্দেশ্য করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার শারীরিক অবস্থা ভালো না। আমার পা ফুলে গেছে। বসে থাকলে আমার পা ফুলে যাবে। ডাক্তার বলেছে, পা ঝুলিয়ে রাখা যাবে না। এখানে আমি আদালতে বারবার আসতে পারবো না।  আপনাদের যা মনে চায়, যতদিন ইচ্ছা সাজা দিয়ে দিন।’
 

অনলাইন/কে 

Ads
Ads