হারুনের পেশা ব্যবসা কিন্তু আয় নেই, দশ বছরে আয় বেড়েছে তিনগুন

  • ৩-Dec-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান সাংসদ বজলুল হক হারুনের গত ১০ বছরে সম্পদ বেড়েছে তিন গুণ। আর তাঁর স্ত্রী মনিরা হারুনের সম্পদ বেড়েছে আড়াই গুণ। তিনি পেশা ব্যবসা দেখালেও এ খাত থেকে তিনি কোনো আয় দেখাননি।

জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া প্রার্থীর হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া যায়।

ঝালকাঠি-১ আসনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী সাংসদ বজলুল হক হারুন এ আসনে ২০০৮ ও ২০১৪ সালের নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হন।

২০০৮ সালে তিনি তাঁর দাখিলকৃত হলফনামায় সম্পদের আর্থিক মূল্যের পরিমাণ দেখান ১২ কোটি ৩০ হাজার টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা, সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের মূল্য ৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা। তাঁর দেনার পরিমাণ ১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। আর তাঁর স্ত্রীর সম্পদের আর্থিক মূল্য দেখিয়েছিলেন ৫ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা, সঞ্চয়পত্রে দেখিয়েছেন ৪ কোটি ৭৯ লাখ টাকা।

এবার তিনি তাঁর দাখিলকৃত হলফনামায় সম্পদের আর্থিক মূল্যের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৩৫ কোটি ১৬ লাখ ১৬ হাজার টাকা। এর মধ্যে নগদ অর্থ, ব্যাংকে জমা, সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য অস্থাবর সম্পদের মূল্য দেখিয়েছেন ২৫ কোটি ২৩ লাখ টাকা। তবে এবার দেনার পরিমাণ ২৫ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। আর তাঁর স্ত্রীর সম্পদের পরিমাণ ১২ কোটি ৮৯ লাখ ৭৬ হাজার ৬৪৮ টাকা।

বজলুল হক হারুন তাঁর পেশা ব্যবসার কথা উল্লেখ করলেও এবার হলফনামায় এ থেকে কোনো আয় দেখাননি। হলফনামার এ অংশটি ফাঁকা আছে। তবে ২০০৮ সালের হলফনামায় ব্যবসা থেকে ১৩ লাখ ৯২ হাজার টাকা বাৎসরিক আয় দেখিয়েছিলেন। তিনি তাঁর হলফনামায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের পরিচালক ও আল হোমায়রা ট্রাভেলসের মালিক হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু আলোচিত দ্য রেইনট্রি হোটেলের মালিকানার কথা কিছু উল্লেখ করেননি।

বজলুল হক মুঠোফোনে বলেন, তিনি হলফনামায় কোনো কিছু গোপন করেননি। আর রেইনট্রি হোটেলে তাঁর কোনো অংশীদারত্ব নেই।

তিনি হলফনামায় তিনটি ফৌজদারি মামলার কথা উল্লেখ করেছেন। এর তিনটিই এনআই অ্যাক্টের (চেক প্রত্যাখ্যান) ১৩৮ ধারার মামলা। এর মধ্যে দুটি মামলা বাদী প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। আরেকটি মামলাও প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন বাদী।

Ads
Ads