সেক্স নিয়ে একি বললেন শ্রীলেখা!

  • ১৩-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের অর্থাৎ ‘উমা বৌদি’ চরিত্রের মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছিল, দ্বিতীয় সিজনে আসতে চলেছিলেন ঝুমা বৌদি।

তাকে নিয়ে ঘটে গিয়েছিল একের পর এক কন্ট্রোভার্সি। প্রথমে জানা গিয়েছিল ঝুমা বৌদির ভূমিকায় থাকছেন শ্রীলেখা মিত্র। অভিনেত্রী নিজেও সেটাই জানতেন। হঠাৎই ওয়েব সিরিজটির নতুন প্রোমো মুক্তি পেতেই জল্পনার ঝড় উঠেছিল তুঙ্গে। প্রোমোতে শ্রীলেখার জায়গায় অন্য মুখ। ভোজপুরী অভিনেত্রী মোনালিসা। তিনিই হলেন সিরিজের নতুন কাস্ট ‘ঝুমা বৌদি’।

সেই নিয়েই পরবর্তীকালে মুখ খুলেছিলেন শ্রীলেখা। নানা উঞ্জন ছড়িয়েছিল টালিপাড়ায়। তিনি নাকি ওভারওয়েট তাই জন্যই তাকে সিরিজটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে এমন কোনও কারণে তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে সে কথা তিনি নিজেও জানতেন না।

শ্রীলেখা বলেন, আমাকে কিন্তু বলা হয়নি, ওজন বেশি সেজন্য আমাকে ‘দুপুর ঠাকুরপো’ থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এটা আমি মিডিয়ার কাছ থেকেই শুনেছি। আর মোট বা রোগা বিষয়টা আমার কাছে একটা ধাঁধা হয়ে গেছে। এই জটিল রহস্যটা আমি আজও সলভ করতে পারিনি। আজ না হয় আমি ওভার ওয়েট। কিন্তু একটা সময় তো রোগা ছিলাম। তখনও তো পর পর ছবির অফার আসেনি। এটাকে কী বলব। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে আবারও ‘দুপুর ঠাকুরপো’ নিয়ে মুখ খুলেন তিনি।

বলেন, খুব ভালো আমি করছি না। ওদের যা গান, প্রেজেন্টেশন হয়েছে, ভাগ্যিশ আমি করিনি। নয়তো ওখানেই হয়তো আমার চুলোচুলি লেগে যেত। আমার ক্ষেত্রে যা হয়েছে ভালোর জন্যই হয়েছে। সেই সময় অপমানিত হয়েছিলাম ঠিকই। আমার জায়গায় যেকোনও শিল্পীই অপমানিত হতেন। আমি আগের সিজনটা না দেখেই রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। হঠাৎ শুনছি আমি আর করছি না। না জানিয়ে, কথা না বলেই আমায় বাদ দেওয়া হল। ‘দুপুর ঠাকুরপো’র লুক সেটে গিয়ে যে সমস্যায় তিনি পড়েছিলেন সে বিষয়ে শ্রীলেখা জানান, বৌদিকে দেখে যেখানে ঠাকুরপোরা বিচলিত হয়ে যাচ্ছে, সেখানে তো বৌদিকে সুন্দর করে দেখাতে হবে। যাতে দর্শকরা তেমন কোনও খুঁত না খুঁজে পায়। আর স্ক্রিনে আমাদের বেশ কিছুটা অন্যরকম লাগে।

আমাকেই অনেকে বলেছে যে স্ক্রিনে যতটা মোটা লাগে সামনাসামনি অতটাও মোটা নই। লুক সেটে আমায় এমন একটা পোশাক পরানো হল যেটা পুরো নেটের মতো। যেটাকে আমি মশারি বলেছিলাম। তিনি বলেন, সেক্স শুধু ফিজিক্যালিটি নয়, মেন্টালিও হয়। মেয়েদের শরীর দেখেই অবজেক্টিফাই করা হয়।

ক’টা মেয়ে ছেলেদের অবজেক্টিফাই করে? ‘বৌদি বিষয়টা খুব মিষ্টি একটা ব্যাপার। ছেলে দেখলেই শুধু ঠোট কামড়াবে না। তাহলে সে বৌদি নয়। যারা লাইসেন্সড দাঁড়ায় রাস্তায় বা আনলাইসেন্সড তারা। সেটা বৌদি নয়। শ্রীলেখা বলেন, বাঙালি বৌদি বলতে আমাদের চোখের সামনে ভাসে কাদম্বরী দেবী, চারুলতা। একজন মহিলা যিনি সবরকম চরিত্র প্লে করতে পারে।

যে এক সময় বান্ধবী, এক সময় বোন, একটা সময় মা। বৌদি-ঠাকুরপোটা খুব মিষ্টি একটা বিষয়। কিন্তু যেটা হল, ভালো হয়েছে আমি করিনি।

Ads
Ads