যেভাবে ইমামতির দায়িত্ব পেলেন এরশাদ!

  • ১১-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জোটের নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রশ্নে ইসলামি মহাজোটের চেয়ারম্যান আবু নাছের ওয়াহেদ ফারুক বলেছেন, ‘আমরা এইচ এম এরশাদকে নেতৃত্ব বা ইমামতির দায়িত্ব দিয়েছি। কারণ এই যোগ্যতা তাঁর আছে। কোনও মহিলাকে ইমামতির দায়িত্ব দেয়া যায় না।’

শনিবার (১১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানী ঢাকার কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে প্রয়াত শায়খুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক প্রতিষ্ঠিত দল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সঙ্গে জাতীয় পার্টির নির্বাচনী সমঝোতা অনুষ্ঠানে আবু নাছের ওয়াহেদ এ কথা বলেন। 

তিনি ৩৪টি ইসলামি দল নিয়ে জোট গঠন করে গত বছর এরশাদের সঙ্গে ইসলামি মহাজোট করেন।

এর পর আবু নাছের ওয়াহেদ ফারুকের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় এরশাদ বলেন, ‘ইসলামের চেয়ে বড় শক্তি আর নেই। কিন্তু অনৈক্যের কারণে ইসলাম আজ ধ্বংসের মুখে। ইসলামকে এ দেশে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে হবে। সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমে ইসলামের আওয়াজকে বুলন্দ করতে হবে।’

এরশাদ বলেন, ‘খেলাফত মজলিস একটি অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল। তারা আমাদের সঙ্গে নির্বাচনী ঐক্য করায় খুব খুশি হয়েছি। এতে আমরা কত শক্তিশালী হয়েছি পরে বুঝবেন। আমরা ৩০০ আসনে প্রার্থী দেব। প্রমাণ করব, আমরা ক্ষমতায় আসতে পারি।’

এরশাদ তাঁর সরকারের সময় ইসলামের কল্যাণে সবচেয়ে বেশি কাজ করেছেন দাবি করে বলেন, ‘আমি ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করেছি। শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটি করেছি। সব মসজিদের পানি ও বিদ্যুতের বিল মাফ করে দিয়েছি।’

এরশাদকে ‘ইসলামি উম্মাহর অনন্য নেতা’ অভিহিত করেন জাপা মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাস করেন, এটা আমাদের সৌভাগ্য। তাই যারা ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাস করেন, তারা এরশাদের নেতৃত্বে আসুন।’

সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা ও সাংসদ সৈয়দ আবু হোসেন, সুনীল শুভ রায়, ইসলামি ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিনসহ সম্মিলিত জাতীয় জোটের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে জাপা ছাড়াও ৫৮ দলের সম্মিলিত জাতীয় জোট আছে এরশাদের নেতৃত্বে। খেলাফত মজলিস যুক্ত হওয়ায় জোটে এবার ৬০টি দল হলো।

Ads
Ads