১৯ দফা ইশতিহার ঘোষণা করেছেন ঢাকা দক্ষিণের ২১ ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ

  • ২৭-জানুয়ারী-২০২০ ১০:৪৪ অপরাহ্ন
Ads

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

এলাকার উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঢাকা সিটির উত্তর ও দক্ষিণে নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা ও সেই সাথে তাদের ইশতিহার ঘোষণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত চলছে তাদের এই প্রচার প্রচারণা।  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ মাদক সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত, নারী ও শিশুবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর একটি আধুনিক ও মানবিক ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষে স্বপ্নযাত্রা স্লোগান নিয়ে ১৯ দফা ইশতিহার ঘোষণা করেছেন।

সোমবার বিকালে ঢাবি সাংবাদিক সমিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবেন। এসময় অন্যন্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় নির্বাচনে ওয়ার্ডবাসির জন্য নিজের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন তিনি। এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ বলেন, ‘আমার প্রধান লক্ষ্য এই ওয়ার্ডের নিজস্ব অ্যাপসের মাধ্যমে দ্রুত বর্জ্য অপসারন ব্যবস্থপনার কার্যকর করে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর একটি ওয়ার্ড উপহার দেয়া।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে এলাকার সকল স্তরের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও এই এলাকার সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে আমার ইশতিহারের ১৯টি দফা যথাসম্ভব দ্রুত বাস্তবায়ন করবো।’ এসময় তিনি দাবি করেন ‘বিএনপি-জামায়াত জোটের শাসনকাল সীমাহীন দুর্নীতি-সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের কারণে, বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি শুধু স্থবিরই হয়নি, অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছিল। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আবারও বাংলাদেশের মানুষ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে।’ 

ঢাকা দক্ষিণের আওয়ামী লীগ মনোনীত ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ বলেন, ‘১১ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ আজ আলোয় উদ্ভাসিত। উন্নয়ন-অগ্রগতির মহাসড়কে দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলেছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদূরপ্রসারী নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বে এসডিজি (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল) পূরণে এক রোল মডেল। উন্নয়নের এ অগ্রযাত্রায় অংশ নিতে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নির্দেশে, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে আমি সিটি করপোরেশন নির্বাচন ২০২০-এ কাউন্সিলর পদে লাটিম মার্কাায় অংশ নিচ্ছি।’ ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ বলেন, পূর্বে এলাকার সাধারণ মানুষে থেকে কাজ করার অভিজ্ঞতা  ও উপলব্ধিকে কাজে লাগিয়ে আগামীর সুন্দর বাসযোগ্য ২১নং ওয়ার্ড  গড়ার লক্ষ্য অর্জনে পেশ করেছি আমার ‘স্বপ্নযাত্রা’ ইশতেহার।  চলুন, এক নজরে

দেখে নেই তার পরিকল্পনা:
১. আধুনিক বর্জ ব্যবস্থাপনাঃ এই ওয়ার্ডের যেকোন জাগার কোন বর্জ্য চোখে পড়লে ‘ক্লিন ২১’ নামের অ্যাপস ব্যবহার করে আমাদেরকে অবহিত করলে তা অতিদ্রুত ৩০-৪০ মিনিটের মধ্যে পরিচ্ছন্ন টিম দিয়ে তা নিষ্কাশন করা। 
২. সিকিউরিটি গেটঃ শাহবাগ, পরিবাগ, বাংলা মোটরে বিশেষ সিকিউরিটি গেট স্থাপন করা । 
৩. পাবলিক টয়লেট স্থপন: টিএসসি, নীলক্ষেত, পরিবাগ, শাহবাগসহ গুরুত্বপুূর্ণ স্থানে পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করা।
৪. কমিউনিটি সেন্টার: এ ওয়ার্ঢে একটি আধুনিক কমিউনিটি সেন্টার স্থাপন করা।
৫. সিসি ক্যামেরা স্থাপন: এ ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ জাগায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা।
৬. আলোকসজ্জা: ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়, শাহবাগ, পরিবাগসহ বিভিন্ন স্থানে ল্যাম্পপোস্ট স্থপন করা।
৭.যুবপ্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন: এ ওয়ার্ডে একটি যুবপ্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করা।
৮. অভিভাবক ছাউনি: প্রতিটি ¯ু‹লের সামনে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের জন্য একটি করে অভিভাবক ছাউনি স্থাপন করা।
৯.  মিনি শিশুপার্ক স্থাপন: শিশুদের মেধাবিকাশের জন্য মিনি শিশুপার্ক স্থাপন করা। 
১০. আইল্যান্ডে ও ফুটপাত সৌন্দর্য বর্ধন: ফুটপাত দখলমুক্ত করে এলাকাভিত্তিক পথচারীবান্ধব ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য আইল্যান্ড ও ফুটপাত সৌন্দর্য বর্ধন করা।
১১. মাদকমুক্তকরণ: স্থানীয় বয়স্কো এলাকাবাসি ও তরুনদের নিয়ে মাদকমুক্ত করা। 
১২. যানজট নিরসন: যানজট নিরসনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা।
১৩. মশক নিধন: নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর নিয়মিত মশক নিধন কর্মসূচি পালন করা।
১৪.নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: স্থানীয় লোকজন ও প্রশসনকে সঙ্গে নিয়ে একটি সমন্বয় সেল গঠন করা।
১৫.সন্ত্রাস ও ছিনতাই: প্রত্যেকের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সন্ত্রাস ও ছিনতাই নির্মুলে একটি সেল গঠন করা।
১৬. বিনোদন, মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক বিকাশে সুযোগ বৃদ্ধি: বিনোদন, মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক বিকাশে বিভিন্ন ইন্ডোর গেমসসহ একটি যুব বিনোদন কেন্দ্র গঠন করা। যেখানে থাকবে হেল্প-ডেস্ক, ট্রেনিং সেন্টার, স্টার্ট-আপ কো-ওয়ার্কিং স্পেস, লাইব্রেরি, সাংস্কৃতিক কর্মকা- ও অন্যান্য সুবিধা।
১৭.নিয়মিত ক্রিড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন ঃ বছরজুড়ে ক্রিকেট, ফুটবল, ব্যাডমিন্টনসহ নিয়মিত ক্রিড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা।
১৮.সুপেয় পানি: ওয়ার্ডের প্রত্যেকটি আবাসিক ভবনে সুপেয় পানির অত্যাধুনিক ফিল্টার স্থাপন করা।
১৯. দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা: শাহবাগ,পরিবাগ, বাংলামোটর,শিববাড়ি, নীলক্ষেতসহ ওয়ার্ডের অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি আবাসিক ভবনে উচ্চ গতির ইন্টারনেট ব্যবস্থা চালু করা।

দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ২১ং ওয়ার্ড: এলাকা পরিচ্ছন্ন রাখতে প্রযুক্তি সেবা দিতে চান আসাদ

এলাকার উন্নয়নের নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ঢাকা সিটির উত্তর ও দক্ষিণে নির্বাচনে শেষ মুহূর্তে ব্যাপক গণসংযোগ ও পথসভা ও সেই সাথে তাদের ইশতিহার ঘোষণায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। সকাল থেকে সন্ধা পর্যন্ত চলছে তাদের এই প্রচার প্রচারণা।  ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান আসাদ মাদক সন্ত্রাস,জঙ্গীবাদমুক্ত, পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত, নারী ও শিশুবান্ধব, প্রযুক্তিনির্ভর একটি আধুনিক ও মানবিক ওয়ার্ড গড়ে তোলার লক্ষে স্বপ্নযাত্রা স্লোগান নিয়ে ১৯ দফা ইশতিহার ঘোষণা করেছেন। গতকাল সোমবার বিকালে ঢাবি সাংবাদিক সমিতিতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এ নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করবেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগসহ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সাংবাদিকবৃন্দ। এসময় নির্বাচনে ওয়ার্ডবাসির জন্য নিজের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরেন তিনি। এই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ বলেন, ‘আমার প্রধান লক্ষ্য এই ওয়ার্ডের নিজস্ব অ্যাপসের মাধ্যমে দ্রুত বর্জ্য অপসারন ব্যবস্থপনার কার্যকর করে পরিচ্ছন্ন ও সুন্দর একটি ওয়ার্ড উপহার দেয়া।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি নির্বাচিত হলে এলাকার সকল স্তরের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও এই এলাকার সাধারণ মানুষকে সাথে নিয়ে আমার ইশতিহারের ১৯টি দফা যথাসম্ভব দ্রুত বাস্তবায়ন করবো।’ এসময় তিনি দাবি করেন ‘বিএনপি-জামায়াত জোটের শাসনকাল সীমাহীন দুর্নীতি-সন্ত্রাস ও নৈরাজ্যের কারণে, বাংলাদেশের উন্নয়ন-অগ্রগতি শুধু স্থবিরই হয়নি, অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছিল। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর, নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু-কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর আবারও বাংলাদেশের মানুষ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে।’ 

গেলো বছর সারা দেশের মতো ঢাকা সিটিতে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক লোক মারা গেছেন। এর পধান কারন হিসেবে ধরা হয় দূর্বল বর্জ্য ও পয়নিষ্কাষণ ব্যবস্থাও। ফলে এ রোগের হাত থেকে এলাকার পরিচ্ছন্নতার কথা বলেছেন রোগী ও বিশেষ জ্ঞ কিচিৎসকরা। সেই সাথে বিশুদ্ধ পানি ও খেলার মাঠসহ নানা রকম সমস্যাতো আছেই। এসব সমস্যার আধুনিক নতুন নতুন সামাধানের কথা চিন্তা করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার কান্সিলর ও মেয়র পার্থীরা। এদিকে, সার্বিকভাবে বিবেচনা করলে, ঢাকা শহরের দক্ষিণের ২১ ওয়ার্ডটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই এলাকায় রেেয়্ছ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গব্নধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলা মোটর, পরিবাগসহ  এর আশপাশের এলাকার স্থাপনা।

এসব এলাকা ও এর রাস্তা গুলোতে  প্রায়ই পড়ে থাকতে দেখা যায় বিভিন্ন শিক্ষা পতিষ্ঠান  ও হাসপাতালের বর্জ্য ও গৃহবর্জ্য। তাই ২১নং ওয়ার্ডের  বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পয়নিষ্কাষণসহ নানা নাগরিক সমস্যা সমাধানে প্রযুক্তি নির্ভর সিটি সেবা নিয়ে কাজ করতে চান আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর পার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ।   তিনি বলেন তিনি যদি নির্বার্চিত হতে পারেন, তাহলে তিনি ঢাকার দক্ষিণে মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে প্রযুক্তি নির্ভর সিটি সেবা নিয়ে কাজ করবেন । বাসাবাড়ি ও রাস্তায় যখনই কোন ময়লা আবর্জনা দেখা যাবে, কোন সচেতন নাগরিক এই অ্যাপসের মাধ্যমের দ্রুত সিটি করর্পোরেশনকে জানাবেন, তিনি দ্রুত সেখানে পৌছে সেই বর্জ্য পরিষ্কার করে দিবেন। সাধারণত সিটি করর্পোরেশন নিরলস পরিশ্রম করে রাস্তা ও ড্রেনের ময়লা পরিষ্কার করে থাকেন। আর এর তদারকি করেন সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলররাই। এছাড়া এই অ্যাপসের মাধ্যমের যে কোন নাগরিক সার্বক্ষনিক তার এলাকার সিটি করর্পোরেশন সংশ্লিষ্ট কাজগুলোও দেখতে পাবেন। এসময় কাউন্সিলর প্রার্থী আসাদ সাংবাদিকদের প্রশ্নের  জবাবে ববলেন, নাগরিক সেবা দিতে হলে জবাবদিহিতার কোন বিকল্প নেই। তাই তিনি মনে করেন, তিনি যদি জনগণের ভোটে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন, সচ্ছ জবাব দিহিতার মাধ্যমে ২১নং ওয়ার্ডে যা যা প্রয়োজন তার সবই তিনি করবেন। এখানে কোন রকম গোজামিল থাকবে না। আর তার  এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এই ওয়ার্ডের সাধারন ভোটাররা, এমনটাই জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত কাউন্সিলর পার্থী আসাদুজ্জামান আসাদ।

Ads
Ads