মিরপুরে পুরাতন সাথীদের জোড় নিয়ে বাংলাদেশের এক হযরতের খোলা চিঠি!

  • ১৪-Dec-২০১৯ ০৯:৫২ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহ পাকের দয়া ও অনুগ্রহ বাংলাদেশের পুরনোদের জোড় হযরত মাওলানা শামীম সাহেব হাফিজাহুল্লাহ এর দোয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন করলেন। এই জামাত নিজামুদ্দিন মারকাজের উলামায়ে কেরাম ও পুরনো সাথীদের সমন্বয় ছিল।

মজমা প্রায় ৯০,০০০-১০০,০০০ পুরনো সাথীদের ছিল। মজমা ছিল খুবই আনন্দঘন পরিবেশ এবং আত্মতৃপ্তি জনক এর বড় কারন এই মজমা দুই বছর পর নিজামুদ্দিনের মুরুব্বীদের পেল। ২০১৭ সালে অবৈধভাবে নিজামুদ্দিনের জামাতকে বাধা দেওয়া হয়েছিল জোড়ের ময়দানে প্রবেশ করতে। যারা বাধা দিয়েছিলেন তারা হলেন মিস্টার মাহফুজ, আনিস, আনিস, আজগার, সেলিম তাদের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন মাওলানা ওমর ফারুক। তার পরবর্তী বছরে আবারো তারা অবৈধভাবে মাদ্রাসার ছোট ছোট ছাত্রদের দিয়ে ময়দান দখল করে রাখে।

মাদ্রাসার ছাত্ররা টয়লেটের বিল্ডিং থেকে নিজামুদ্দিন মারকাজের সাথে থাকা মূলধারার সাথীদের উপর বৃষ্টির মত ইটের টুকরা বর্ষণ করে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ৫০০ সাথী আহত হন এবং দুইজন নিজামুদ্দিনের অনুসারী সাথী তাদের হামলায় শহীদ হন।

এই পাঁচ দিনের জোড় নূরানী পরিবেশে দাওয়াতের সাথে  তিলাওয়াতে কুরআন, নফল নামাজ, আল্লাহর জিকির করা , খেদমত, বয়ানাত,  মুজাকারা সাথে সাথে আল্লাহতালার রাস্তায় বের হওয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান করা হয়।

নিজামউদ্দিনের মুরুব্বিরা দোয়া শেষ হওয়ার পরে পাঁচটি জেলা ইজতেমা অংশগ্রহণ করবেন ইনশাআল্লাহ। আসন্ন জেলা ইজতেমাগুলো হলো কুড়িগ্রাম, বগুড়া, ভোলা, জামালপুর, জয়পুরহাট।

পরিসংখ্যান
উপস্থিতিঃ প্রায় ১০০,০০০ , দোয়ায়ঃ প্রায়  ১৫০,০০০
বিদেশি মেহমানঃ ১৫ দেশের প্রায় ৭৫০ জন 
উলামায়ে কেরামের প্রোগ্রামে ৩৫০০-৪০০০জন
পাঁচ দিনের খুরুজ 
তিন চিল্লাঃ ৩ জামাত 
চিল্লারঃ 1060 জামাত 
দিনের জামাতঃ ১৮
বিদেশি মেহমানদের জামাতঃ ৭৬ টি 
বিদেশের জন্য জামাতঃ ৬৪৬
মাস্তুরাতের  বিদেশি জামাত ২২২ টি 
নিজামুদ্দিনের জন্যঃ ৪ 
দেশের মাস্তুরাতেরঃ  ৩২ টি 
১০-১৫ দিনেরঃ ১০ 
সর্বমোট ২১৩৯ টি

নোটঃ সর্বশেষ পাঁচ দিনের জোরে উভয় গ্রুপ একসাথে সেখানে উপস্থিতির পরিমাণ ছিল ১১০,০০০ পুরনো সাথী এতদসত্ত্বেও আমাদের এই বছরের উপস্থিতির সংখ্যা ৯০০০০০-১০০০০০। এখান থেকে সহজে অনুমেয় যে তাদের সম্মিলিত চারটি জোড়ে উপস্থিতি তাদের পুরানো সাথীদের ২০,০০০ বেশি হবে না। আল্লাহতালা সর্ব জ্ঞানী।

একজন প্রত্যক্ষদর্শী তাদের সাথে ছিলেন দাবি করেছেন তাদের মজমাতে মাদ্রাসার ছাত্রের উপস্থিতি ৫০% , সাধারণ সাথী ২৫%, পুরানো সাথী ২৫%। কেউ কেউ বলেছেন তাদের চার জায়গায় জোড় করার উদ্দেশ্য হল ৩চিল্লার সাথীদের সঠিক পরিমান যাতে কেঊ না বুঝতে পারে। কিভাবে তারা নেহাজ থেকে সরে গিয়েছে অথচ আজকে আমরা আমাদের সেই ভাইদের গ্রহন করার জন্য তৈরী আছি যারা মূল ধারা থেকে বিচ্যুত হয়েছেন এবং যারা মূলধারা বিরোধীদের সাথে হাত মিলিয়েছে।

আল্লাহ তাদের হেদায়েত দান করুক। আমীন।

Ads
Ads