প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন চরমপন্থি নির্মূলে বড় বাধা: তথ্যমন্ত্রী

  • ২৭-Nov-২০১৯ ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

জঙ্গিবাদ নিয়ে বিএনপি নেতাদের মন্তব্যের নিন্দা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, জঙ্গিবাদে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন চরমপন্থি নির্মূলে বড় বাধা। বেগম খালেদা জিয়াসহ বিএনপি’র সিনিয়র নেতারা সবসময় জঙ্গিদের নিয়ে দায়িত্বহীনভাবে কথাবার্তা বলে আসছেন। তথ্যমন্ত্রী আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে সাংবাদিকদের এক পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী রাজধানীর হলি আর্টিজান বেকারিতে ভয়াবহ জঙ্গি হামলার রায় উল্লেখ করে বলেন, বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশ জঙ্গিবাদ দমনে বিশাল সাফল্য দেখিয়েছে। হাছান বলেন, “আমি বলছি না যে আমরা জঙ্গিবাদ সম্পূর্ণভাবে নির্মূল করতে পেরেছি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার জঙ্গিবাদ দমনে সাফল্য অর্জন করেছে।”

ডিআরইউ’র সভাপতি ইলিয়াস হোসেনের সভাপতিত্বে ‘ডিআরইউ সেরা রিপোর্টিং এওয়ার্ড-২০১৯’ শীর্ষক আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি সাইফুল আলম, জুরি বোর্ডের চেয়ারম্যান শাজাহান সরদার, বোর্ড সদস্য মনোয়ার হোসেন, ডিআরইউ’র সাধারণ সম্পাদক কবির আহমেদ প্রমুখ।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বহুমাত্রিক উন্নত দেশ গঠনের জন্য গণমাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে সেখানে দেশপ্রেম ও মমত্ববোধ থাকতে হবে। তিনি আরো বলেন, “আমি তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে গণমাধ্যমের পাশাপাশি সাংবাদিকদের সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। তবে সাংবাদিকদের স্বাধীনতার সাথে তাদেরকে দায়িত্বশীলও হতে হবে। গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ অঙ্গ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,“গণমাধ্যম দেশের উন্নয়নে অগ্রনী ভূমিকা পালনের পাশাপাশি সমাজের দৃশ্যপট তুলে ধরে।”

তিনি বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের মিডিয়া সেক্টরে বিশাল বিপ্লব ঘটেছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সময়ে বাংলাদেশে গণমাধ্যমের দ্রুত প্রসার ঘটছে। প্রথমবারের জন্য তিনি দেশে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুমোদন দেন।”

গণমাধ্যমকে সমাজের দর্পণ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম সমাজকে সঠিক পথে চালিত করে ও দায়িত্বশীল নাগরিক গঠন করে থাকে। আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সম্পাদক হাছান বলেন, ৪৪টি বেসরকারি টিভি চ্যানেলের লাইসেন্স দিয়েছে সরকার। এরমধ্যে, ৩৫টি চ্যানেল তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দেশে দেড় হাজার সংবাদপত্র এবং বিপুল পরিমাণ অনলাইন নিউজ পোর্টাল চলছে। মন্ত্রী বলেন, সরকারের গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি গণমাধ্যমকে দেশ গঠনে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা উচিৎ।

তথ্যমন্ত্রী বিভিন্ন হাউজের দশজন রিপোর্টারের মধ্যে এওয়ার্ড তুলে দেন। এওয়ার্ডপ্রাপ্তরা হলেন, দৈনিক যুগান্তরের মিজানুর রহমান, ডেইলি স্টারের মো. আল মাসুম মোল্লা, বাংলা ট্রিবিউনের শাহেদ শফিক, ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেসের জসিম উদ্দীন হারুন, কালের কন্ঠের জিয়াদুল ইসলাম, প্রথম আলোর তারিক মাহমুদ, সমকালের তপন দাশ, এনটিভির শফিক শাহিন, একাত্তর টিভির আদনান খান এবং চ্যানেল ২৪ এর মোরশেদ হাসিব খান।

Ads
Ads