জয়-লেখকের সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ, কমিটি বিলুপ্ত করা হচ্ছে! 

  • ১৮-Nov-২০১৯ ০৫:৪১ অপরাহ্ন
Ads

উৎপল দাস

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজ হাতে গড়া সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগে প্রথমবারের মতো মেয়াদ পূর্ণ করার আগেই দায়িত্ব থেকে সভাপতি রেজাওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন এবং সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে সরিয়ে আল নাহিয়ান খান জয় এবং লেখক ভট্টচার্যকে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব দিয়েছেন ছাত্রলীগের সর্বোচ্চ অভিভাবক শেখ হাসিনা। ইতিমধ্যেই যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন ক্লিন ইমেজ নিয়ে জয় ও লেখক ছাত্রলীগকে বিতর্কের বাইরে রেখে কাজ করে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে তাদের কাজের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে এ দুইজনকে ভারমুক্ত করে দেয়ারও পরিকল্পনা আছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। 

তবে তাদের সামনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত এবং সাবেক ছাত্রলীগের শীর্ষ কয়েকজন নেতা। সেগুলোর মধ্যে মেয়াদোর্ত্তীণ জেলা কমিটিগুলোকে খুব দ্রুততম সময়ে বিলুপ্ত করার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ থেকে বিতর্কিতদের বাদ দেয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া ভারমুক্ত হওয়ার আগেই কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যান্য নেতাদের জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বন্টনের কাজটিও করার উদ্যোগ আল নাহিয়ান খান জয় এবং লেখক ভট্টচার্যকে নিতে হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। 

এদিকে, ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত শীর্ষ দুই নেতার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, যেসব জেলা কমিটিগুলোর মেয়াদ ৫ বছরের বেশি হয়ে গেছে যেমন নেত্রকোণা, কক্সবাজার, কিশোরগঞ্জসহ আরো কয়েকটি জেলা সেগুলো অল্প সময়ের মধ্যেই বিলুপ্ত করে দেয়ার পক্রিয়া শুরু হয়েছে। এছাড়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কমিটিও বিলুপ্ত হতে পারে বলে জানিয়েছে সূত্রটি। 

ইতিমধ্যেই কুড়িগ্রাম জেলা কমিটি বিলুপ্ত করেছেন জয় ও লেখক। পাশাপাশি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের আওতাধীন মুগদা, যাত্রাবাড়ী ও রামপুরা থানা কমিটি নিয়ে তদন্ত চলছে। দোষী প্রমাণিত হলেই কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা মানে বহিষ্কার অথবা অব্যাহতি দেয়া হবে বলেও জানা গেছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত সংশিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তিনটি থানাতেই কমপক্ষে ৫ জন বিতর্কিতকে খুঁজে পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগগুলো অধিকতরভাবে খোঁজ নেয়া হচ্ছে। 


 

Ads
Ads