অসৎ পথে বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে সৎ পথে নুন ভাত খাওয়া ভালো: প্রধানমন্ত্রী

  • ১৬-Nov-২০১৯ ০৩:৫১ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

দুর্নীতিমুক্ত দেশ গঠনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘অসৎ পথে বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে সৎ পথে নুন ভাত খাওয়াও ভালো।’

আজ শনিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি করে কেন টাকা কামাতে হবে? অসৎ পথে আয় করে বিরিয়ানির খাওয়ার চেয়ে সৎপথে নুন ভাত খাওয়া অনেক বেশি মর্যাদার, অনেক সম্মানের, অনেক ভালো। এটাই হলো বাস্তবতা। দুর্নীতি করে টাকা উপার্জন করে বিলাস ব্যাসন করা ব্যক্তিদের বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বরদাশত করবে না। দুর্নীতিদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখবো। 

তিনি বলেন, দেশে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে হবে, তাহলেই উন্নয়ন সম্ভব। স্বাধীনতার সুফল প্রতি ঘরে ঘরে পৌঁছাবে। কেউ যেন অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়। আমরা জনগণের মাঝে আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করতে পেরেছে। দেশে কিছু ক্ষুদ্র মানসিকতার মানুষ আছে দেশে উন্নয়ন হলে যাদের আঁতে ঘা লাগে।

তিনি আরও বলেন, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, অসৎ উপায়ে অর্থ উপার্জন করে সেটা দিয়ে বিলাসবহুল জীবনযাপন করা এটা কখনো দেশের মানুষ বরদাস্ত করে না। অসৎ উপায়ে উপার্জিত অর্থ দিয়ে বিরিয়ানি খাওয়ার চেয়ে সৎ পথে নুন-ভাত খাওয়া অনেক মর্যাদার, অনেক সম্মানের, অনেক ভালো। এটাই হলো বাস্তবতা।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি তারাই বাংলাদেশের চেতনাকে পঁচাত্তরে ধ্বংস করতে চেয়েছে। জিয়াউর রহমান থেকে খালেদা জিয়া পর্যন্ত সবাই দুর্নীতিতে জড়িত। তাই এরা যেন আর কখনো ক্ষমতায় আসতে না পারে সেদিকে দেশের মানুষকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে।’ এ সময় দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজদের রাজনীতিতে স্থান না দেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল ক্ষুদা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গঠন করার। আমরা সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছি। তবে এর মধ্যে বারবার বাধা এসেছে। নব্বই দশকে পাঁচ বছর আর দুই হাজারের পর সাত বছর কাজ করতেক পারি না। সে সময় দেশে জঙ্গিবাদ মাথা চড়া দিয়ে উঠেছিল। সন্ত্রাস ছিল প্রতিদিনকার ঘটনা। আমরা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করে আবারও জনগনের জন্য কাজ করছি।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের দারিদ্রের হার কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। আওয়ামী লীগ সব সময় জনগনের জন্য কাজ করে। আর সে জন্যই এটা সম্ভব হয়েছে। এখন মাথা পিছু আয় ২ হাজার ডলারের কাছাকাছি। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের অবস্থানে এসেছে।’

প্রধানমন্ত্রী এ সময় তার সরকারের সফলতা তুলে ধরেন। আগামীতে সরকারের বিভিন্ন কর্মপ্রণালীর বিষয় উল্লেখ করেন তিনি।

 

/কে 

Ads
Ads