সরকারি চাকরিজীবীদের প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

  • ১৩-Nov-২০১৯ ০৫:২১ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

দুর্নীতি সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সরকারি কর্মচারীসহ অপরাধী যেই হোক তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

বুধবার (১৩ নভেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মীর মোস্তাক আহমেদ রবির এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী সভাপতিত্ব করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ক্যাসিনো ও দুর্নীতির সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অপরাধ কেউ করতে না পারে সে জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সবসময় তৎপর রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযানের পাশাপাশি কঠোর গোয়েন্দা নজরদারিও চলছে।

তিনি বলেন, দুর্নীতি দমন করতে সরকারের পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। দুদক দুর্নীতির অনুসন্ধান, তদন্ত এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। তাছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে দুদক ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তির সম্পদের তথ্য চেয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন দপ্তরে পত্র প্রেরণ করেছে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে এরূপ অভিযান অব্যাহত রাখতে দুদক সর্বদাই বদ্ধপরিকর। বাংলাদেশের কোনো কোনো ব্যক্তি সিঙ্গাপুরে ক্যাসিনো খেলেছে, সে সম্পর্কিত তথ্য প্রেরণের জন্য দুদক সিঙ্গাপুর সরকারকে অনুরোধ করেছে। সকল দুর্নীতিবাজকে আইনের আওতায় আনতে সংস্থাটি কাজ করে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতিসহ সকল ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে। সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে দুর্নীতি ও অবৈধ অর্থসম্পদ অর্জনের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আইনের শাসন নিশ্চিত করতে দলমত নির্বিশেষে সব ধরনের অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে দুর্নীতিসহ সরকার সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে। সারাদেশে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী অভিযান পরিচালনা করছে।

‘সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে দুর্নীতি ও অবৈধ অর্থসম্পদ অর্জনের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হয়েছে। দুর্নীতির সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ যাতে কেউ করতে না পারে সেজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। এক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি কঠোর গোয়েন্দা নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।

‘সরকারি কর্মচারীসহ অপরাধী যেই হোক দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেলে অনুসন্ধান করে তাদের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকার দেশের জনগণের কল্যাণে ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের পাশাপাশি ক্যাসিনো, জঙ্গিবাদ, মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, দুর্নীতি দমন ও প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনও কাজ করছে। ২০১৯ সালে এ পর্যন্ত দুর্নীতি দমন কমিশন ১৬টি ফাঁদ মামলায় ৬৮ জন আসামি গ্রেফতার করেছে। কারা কারা অভিজাত গাড়ি কিনেছে সে সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম চলমান। সব দুর্নীতিবাজকে আইনের আওতায় আনতে দুর্নীতি দমন কমিশন কাজ করছে।

Ads
Ads