‘বঙ্গশার্দুল মেজর গণি ছিলেন বাংলাদেশ সামরিক সত্ত্বার উদ্বোধক’

  • ১২-Nov-২০১৯ ০৮:৫১ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

মেজর (অব.) এম এ গণি ১৯৪৮ সালে ইষ্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট এর প্রতিষ্ঠাতা করে বাঙালির সামরিক সত্বার উজ্জীবন ঘঠিয়েছিলেন। যার পথ ধরে ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সফল নেতৃত্ব সক্ষম হয়েছিল। অন্যদিকে বাঙালি সৈন্যদের উর্দু ভাষার কথা বলার নির্দেশ অমান্য করে তিনি পরিনত হয়েছিলেন ভাষা আন্দোলনের একজন সূচনা সৈনিক!

শনিবার (৯ই নভেম্বর) মেজর গণির ৬৩তম মৃত্যু দিবস উপলক্ষে রাওয়া হেলমেট মিলনায়তন, ঢাকায় “রাওয়া” এবং ”মেজর গণি পরিষদ” এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনায় সভায় বক্তারা এই অভিমত প্রকাশ করেন।

তারা বলেন ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট গঠন ছিল গোটা উপমহাদেশের বাঙালি সৈন্যদের অভূতপূর্ব বীরত্বরই স্বীকৃতি। সারা দেশ থেকে তরুনদেরকে উদ্বুদ্ধ করে মেজর গণি এই রেজিমেন্ট গঠণ করেন। পাকিস্তানীদের অসহযোগিতার কারণে তিনি ১৯৫৩ সালে সেনাবাহিনী থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। পরে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রাথী হিসাবে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে জনসেবায় আতœনিয়োগ করেন। কিংবদন্তী এই মানুষটি ১৯৫৭ সালের ১১ই নভেম্বর পশ্চিম জার্মানীতে ইন্তেকাল করেন।

গণির মৃত্যুবার্ষিকীতে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ময়নামতি সেনানিবাসে তার সমাধি সৌধে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এছাড়া রাওয়া ও মেজর গণি পরিষদ এর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। লন্ডন থেকে টেলিফোন ও ইমেইল বার্তায় মেজর গণির বড় ছেলে কর্নেল (অব) তাইজুল গণি ’মেজর গণি পরিষদ’ কে ধনাবাদ ও কৃতজ্ঞ প্রকাশ করে বলেন, “Major Abdul Ghani appeared in the world as a shooting star and left such a deep mark in the wake of his meteoric life that still remains a wonder. For generations he remains a legend for his indomitable courage, uprightness and love for his people which has been manifested in the founding of the East Bengal Regiment, its expansion with proposals to establish institutions to strengthen the defense potentials of the nation”

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন রাওয়া’র চেয়ারম্যান মেজর খন্দকার নুরুল আফসার। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন র্কনেল মো: আব্দুল হক।

মেজর গণি’র ওপর সারগর্ব আলোচনায় অংশগ্রহন করেন মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ, বীর বিক্রম, পিএসসি, লে. জেনারেল নূর উদ্দিন খান, পিএসসি, লে. জেনারেল মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, পিএসসি, লে. জেনারেল এম হারুন-উর রশিদ, পিএসসি, মেজর জেনারেল (অব.) ইমামুজ্জামান বীর বিক্রম, মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীর প্রতীক, মেজর জেনারেল রেজাকুল হায়দার, এডিসি, পিএসসি, মেজর জেনারেল জামিল ডি আহসান, বীর প্রতিক, মেজর জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান, এনডিসি. পিএসসি, মেজর জেনারেল জামিল ডি আনাম, পিএসসি, ব্রিগে: সাহেদুল আনাম, ডিফেন্স এডিটর, ডেইলি ষ্টার, দৈনিক কুমিল্লার কাজ এর সম্পাদক আবুল কাসেম হৃদয়, সাবেক জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, নিকেতন সোসাইটির সভাপতি প্রকৌশলী মো: হাবিব আহসান, রাওয়া’র সেক্রেটারী মো: সামসুল ইসলাম, পিএসসি, নাগাইশ দরবার শরীফ এর পীর মাওলানা মোশ্তাক ফয়েজী, মেজর গণি পরিষদ এর সভাপতি মো: হুমায়ুন কবীর এবং মহাসচিব মো: আনোয়ারুল ইসলাম ভূঁঞা ।

উল্লেখ্য, গত ১১ ই নভেম্বর রাওয়া ও মেজর গণি পরিষদ এবং এরিয়া কমান্ডার, ময়নামতি সেনানিবাসে পুস্পস্তবক ও শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন করনে।

Ads
Ads