ভেঙ্গেই গেলো ওয়ার্কার্স পার্টি : এরা ছোট দলের নেতা হওয়ার অর্গাজম সুখে ভোগে...

  • ২৯-Oct-২০১৯ ০৫:০৩ পূর্বাহ্ণ
Ads

বাপ্পাদিত্য বসু

শেষ পর্যন্ত ভেঙ্গেই গেলো ওয়ার্কার্স পার্টি। সাবেক সাধারণ সম্পাদক কমরেড বিমল বিশ্বাসের সদস্যপদ প্রত্যাহারের পর বহিষ্কার। এরপর পলিটব্যুরো সদস্য কমরেড নুরুল হাসান, কমরেড ইকবাল কবির জাহিদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড জাকির হোসেন হবি, কমরেড মোফাজ্জেল হোসেন মঞ্জু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও কন্ট্রোল কমিশনের চেয়ারম্যান কমরেড অনিল বিশ্বাস এবং কেন্দ্রীয় কমিটির বিকল্প সদস্য কমরেড তুষার কান্তি দাস ২৮ অক্টোবর এক বিবৃতিতে আসন্ন পার্টি কংগ্রেসকে ‘অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে কংগ্রেস বর্জনের ঘোষণা দিয়ে অন্যদেরকেও বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে ওয়ার্কার্স পার্টির ভাঙ্গন পরিষ্কার হয়ে গেলো।

গত কয়েকদিনে পার্টির ভিতরে এবং পার্টির বাইরে অনেকেই পার্টি ঐক্য সমুন্নত রেখে ভাঙ্গনের পথ পরিহারের জন্য উভয় পক্ষের প্রতি বিভিন্নভাবে আবেদন-নিবেদন করেছেন। কিন্তু তাতে কোনো কাজ হলো না। ভাঙ্গনকেই অনিবার্য করে তুললেন তারা।

গত ২৬ ও ২৭ অক্টোবর পার্টির পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হলো। এ সভায় দলত্যাগী নেতারা খুব একটা কথাবার্তা বলেননি বলে জানতে পারলাম। তারা চুপচাপই ছিলেন। অর্থাৎ, ভাঙ্গনের পূর্বসিদ্ধান্ত নিয়ে এসে তারা জাস্ট টাইমপাস করেছেন দুইদিন। অথচ এই দুইদিনে কংগ্রেস পূর্ববর্তী সর্বোচ্চ পার্টি ফোরাম পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় তারা এসব দ্বন্দ্বের নিরসন করতে পারতেন। করেননি।

এখন এই ভাঙ্গনের ফলে কে বা কারা বা কোন অংশ লাভবান হবে? ক্ষতিগ্রস্ত হবে কে? খুব পরিষ্কারভাবেই যশোর ছাড়া অন্যান্য কোনো জেলায় ভাঙ্গনের বড় কোনো প্রভাব এখনো পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না। ফলে কমরেড রাশেদ খান মেনন ও কমরেড ফজলে হোসেন বাদশা নেতৃত্বাধীন ওয়ার্কার্স পার্টির বড় ধরনের সাংগঠনিক ক্ষতি হচ্ছে না বলেই আপাতত ধরে নেওয়া যায়। তবে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে যে বিশাল ক্ষতি হয়ে গেলো তাদের, তা পোষাবেন তারা কীভাবে? আমি নিজে ওয়ার্কার্স পার্টি আরো বেশ কয়েকমাস আগেই ত্যাগ করলেও মনেপ্রাণে চেয়েছি, পার্টিটা না ভাঙ্গুক। ভাঙলে বা না ভাঙলে আমার কোনো ব্যক্তিগত লাভালাভের বিষয় নেই, ছিলোও না। আমি গত কয়েকদিনে উভয় অংশের বেশকিছু নেতার সাথে কথা বলেছি। তাতে আমার কাছে মনে হয়েছে, কমরেড জাহিদ অংশ যেমন ভাঙনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে রেখেই অন্যান্য কথা বলছেন, বিপরীতে কমরেড মেনন-বাদশা অংশও ধরেই নিয়েছেন কমরেড জাহিদরা চলেই যাবে, ফলে ফেরানোর উদ্যোগে কোনো লাভ হবে না। তারপরও উভয় অংশ আলোচনা আলোচনা খেলা চালিয়েছেন। শেষে অনিবার্য ভাঙনের পথেই গেছেন। ওয়ার্কার্স পার্টির প্রথম সারির এক নেতার মধ্যে এই ভাঙ্গন প্রক্রিয়া নিয়ে অত্যন্ত সৎ উদ্বেগ আমি লক্ষ্য করেছি। কিন্তু আরেক শীর্ষ নেতার মধ্যে উদ্বেগের ছিটেফোঁটাও দেখিনি, বরং ‘ওরা চলে গেলেই বাঁচি’ ধরনের মনোভাব লক্ষ্য করেছি।

কমরেড নুরুল হাসান-ইকবাল কবির জাহিদদের সাথে কমরেড বিমল বিশ্বাস ঐক্যবদ্ধভাবেও বাংলাদেশের বাম আন্দোলনের খুব একটা কোনো ভূমিকা রাখতে পারবেন না। কারণ এ পর্যন্ত এর চেয়ে বড় বড় ভাঙ্গনের মধ্য দিয়ে জন্ম নেওয়া পার্টির কেউই কিছু করে দেখাতে পারেনি, বরং আরো ভাঙনের মুখে পড়ে সাইনবোর্ড নিয়ে কোনোরকমে টিকে আছে। কমরেড টিপু বিশ্বাসের নেতৃত্বে ১৯৯৫ সালের বিশাল ভাঙ্গনবাদী ধারাও নিজেরা টিকে থাকতে পারেনি। ২০০৪ সালে কমরেড সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে ভাঙ্গনবাদীরাও ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারেনি। ২০০৮ সালে কমরেড হায়দার আকবর খান রনোর নেতৃত্বে ভাঙ্গনবাদীরাও এক হয়ে এগোতে পারেনি। আর এবারের ভাঙ্গনবাদীদের মধ্যে কেবল নির্বাচনের মনোনয়ন পাওয়ার প্রশ্নেই তো কমরেড বিমল বিশ্বাসের সাথে কমরেড জাহিদের দূরত্ব তৈরি হয়ে আছে সেই ২০০৮ সাল থেকে। কমরেড নুরুল হাসান নিজেমুখে বহুবার কমরেড বিমল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছেন। এসব অনৈক্যের কথা এখনই তারা হয়তো স্বীকার করবেন না। কিন্তু বাংলাদেশের ভাঙ্গনবাদী বাম আন্দোলনের ধারা বজায় রেখে অচিরেই বিমল বিশ্বাসের সাথে বাকিদের একটা দূরত্ব তৈরি হবে। হবেই। মিলিয়ে নেবেন ভবিষ্যতে আমার কথা। আর তার চেয়ে বড় কথা, ওয়ার্কার্স পার্টির মূল নেতা তথা কমরেড মেননের বিরুদ্ধে নষ্টামি-বিচ্যুতির অভিযোগ তুলে ১৯৯৫, ২০০৪, ২০০৮ এবং এবার ২০১৯ সালে যারা যারা বেরিয়ে গেলেন, তার মিলেও একটা পার্টি বানাতে পারবেন না। কারণ সেই পার্টির সভাপতি ও সেক্রেটারি কে হবেন- এ নিয়েও আরেকবার ভাঙ্গন সৃষ্টি হবে।

এবারের বেরিয়ে যাওয়া অংশ মূলত যশোর-কেন্দ্রিক। আজকের কংগ্রেস বর্জনের ঘোষণা দেওয়া ৬ নেতার মধ্যে তিনজনই যশোরের এবং তারা যশোরেই অবস্থান করেন। ইহজীবনে কোনোদিন ঢাকায় অবস্থান করে রাজনীতি করেননি। একজন আজন্ম বাগেরহাট, আরেকজন আজন্ম ঝিনাইদহের মানুষ। থাকলেন কেবল কমরেড নুরুল হাসান। তিনি ঢাকায় থাকেন। কিন্তু শারীরিকভাবে অসুস্থ। আর যদি কমরেড বিমল বিশ্বাস এদের সাথে মেলেন, তারপরও তিনিও বেশ অসুস্থ। এই অবস্থায় ঢাকার তাদের পার্টি কেন্দ্র স্থাপনে বেশ সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। তবে যশোরের সাবেক ছাত্রনেতাদের মধ্যে যারা এখন বিভিন্ন পেশাগত কাজে ঢাকায় অবস্থান করেন, তাদের সহযোগিতা পেলে তারা কিছুটা উপকৃত হবেন। তারপরও দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক-সাংগঠনিক কাজের বাইরে থাকা এসব সাবেক ছাত্রনেতারা কতোটাই বা ভূমিকা পালন করতে পারবেন, সে নিয়ে যথেষ্ঠ সন্দেহের অবকাশ থাকেই।

এই অংশ লাভের মধ্যে একটাই লাভ করবে- সেটা হলো যশোর পার্টি অফিস। সারাদেশে ওটাই পার্টির সবচেয়ে ভালো অফিস। জমি ও ভবনসহ দামটাও এই বাজারে মন্দ উঠবে না। কিন্তু পার্টির সম্পত্তি পার্টিকে যথাযথভাবে অবহিত না করে পকেটের কয়েকজন মিলে সেটা কমরেড ইকবাল কবির জাহিদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি হিসেবে গোপনে লিখে নিয়েছেন বেশ আগেই। এখন সৃষ্টিকর্তা না করুক, কমরেড জাহিদের জীবনাবসানের পর তার পরিবার ও ওয়ারিশরা যদি ওই সম্পত্তি দাবি করে, তখন পার্টির (যে অংশই হোক না কেন) কিছুই করার থাকবে না। লাভের মধ্যে এটাই কমরেড জাহিদের লাভ। তবে ওই সম্পত্তির কাগজপত্রেও ভেজাল আছে। ফলে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে কমরেড মেননপক্ষ যদি একটু নাড়াচাড়া করে, তাহলে ওই সম্পত্তি কমরেড জাহিদেরও বেহাত হবে। লাভের গুড় খাবে পিঁপড়ায়। সম্পত্তি যাবে একটি এতিমখানায়।

ফলে ব্যক্তিগত লাভালাভ হবে না, পার্টি শক্তিশালী হবে না, বাম আন্দোলনেও কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না, যে বাম ঐক্যের কথা বলে তারা চলে গেলেন সেই ঐক্যও তারা করতে পারবেন না। ঐক্য বলতে একই পার্টিকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে তার বিভিন্ন অংশের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকরা মিলে জোট বানিয়ে এক টেবিলে বসে লাল চা খাওয়ার বাইরে আর কিছু হয়নি এ যাবতকাল, আর হবেও না। ফলে পার্টি ভাঙ্গার কোনো সুফল কমরেড বিমল বিশ্বাস-নুরুল হাসান-ইকবাল কবির জাহিদরা পাচ্ছেন না। এই ধরেন আপাতত কয়েকদিন মিডিয়ায় একটু কচড়াকচড়ি হচ্ছে, হবে। ব্যাস, তারপর বুর্জোয়া মিডিয়াও আপনাদের আর জায়গা করে দেবে না। দিলেই ১৩ নম্বর পৃষ্ঠার ৮ম কলামে তিন ইঞ্চি।

এখন আসেন কমরেড মেনন-বাদশা অংশের কী লাভ? আল্টিমেটলি তাদেরও সামষ্টিক কোনো লাভ নেই, বরং বিশাল রাজনৈতিক ক্ষতি হয়ে গেলো। জোটসঙ্গী থেকে শুরু করে মিডিয়া বা পাবলিক, সবার কাছে ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনীতি আবারো হাস্যরসের বিষয় হলো। এবং তাদের থলের অনেক বিড়াল বাইরে বেরিয়ে এলো। এতে দৈন্যতা যেমন প্রকাশ হয়ে গেলো, এ থেকে কিন্তু লাভ তুলে নেওয়ার একটা বিরাট সুযোগও ওয়ার্কার্স পার্টির সামনে এসেছে। মূল অভিযোগের তীর কমরেড মেননের প্রতি। এটা উপরের কথা। ভিতরের কথা হলো- তিনি যেমন ব্যবহৃত হতে পছন্দ করেছেন, তার চেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছেন কিছু লোকের দ্বারা। তাকে ব্যবহার করা লোকদের মধ্যে যারা পার্টির বাইরের, তাদের নিয়ে আলোচনা বাদ। কিন্তু এদের মধ্যে যারা পার্টির ভিতরের তারা কারা? তাদেরকে চেনেন খোদ কমরেড মেনন স্বয়ং। চেনেন পার্টির অন্যান্য দায়িত্বশীল নেতারাও। যেহেতু গুমোর ফাঁস হয়েছেই, তাই তাদের খেদান। ক্ষমতাবাজি আর পার্টি নেতৃত্ব দুটো ভিন্ন জিনিস। দুটোকে তফাত করে দিতে পারলেই ওয়ার্কার্স পার্টি এখান থেকে লাভ তুলে নিতে পারবে। খেয়াল করে দেখুন, গত কয়েক কংগ্রেসে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির আকার কেবল ধাপে ধাপে বাড়ানো হয়েছে। এতোটা কি দরকার আছে? এর মধ্য দিয়ে অমুক নেতার কোটা, তমুক নেতার কোটা, প্রয়াত অমুকের মেয়ে, জীবিত অমুকের বউ, অমুক নেতার পিওন, তমুক নেতার চাপরাশি- এসব ঢোকানো হয়েছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে। কেবল পার্টি অফিসের এক সাবেক পিওন ও পরবর্তীতে বড় নেতার একান্ত খাস লোক- এই একজনই বাকি আছে কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঢুকতে। তাকে নিলেই পিওন-চাপরাশি কোটা সম্পূর্ণ হয়। আর নব্য পার্টির মালিকানাপ্রাপ্ত এক অফিসিয়াল চাপরাশি বাকি আছে। আওয়ামী লীগের মতো এত্তো বড় একটা দল, তার কেন্দ্রীয় কমিটি মাত্র ৮১ জনের। আর ওয়ার্কার্স পার্টির মতো এতোটুকু দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ৭৫ জনের! কোটা ফোটা বাদ দিয়ে স্রেফ নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্য অনধিক ৫১ জনের কেন্দ্রীয় কমিটি বানাতে পারলে পার্টিগতভাবে উপকৃত হবে ওয়ার্কার্স পার্টি।

এখানে অবশ্য আরেকটা সঙ্কট তাদের সামনে তৈরি হয়েছে। অনেক বিরোধিতা ও দ্বিমত থাকা সত্বেও কমরেড নুরুল হাসান-ইকবাল কবির জাহিদদের সাথে যাননি, এমন কিছু লোক আছে, যাদেরকে আবার পদ-পদবী দিয়ে মূল্যায়িত করতে হতে পারে। কিন্তু তাদেরও মাথায় রাখা লাগবে- পদ-পদবী প্রাপ্তিই যদি মূল কথা হয়, তাহলে এতো নীতিকথার কিন্তু কোনো দরকার ছিলো না। দ্বিতীয়ত, আরেকটা গ্রুপ হা করে বসে ছিলো- পার্টিটা কেন তাড়াতাড়ি ভাঙ্গে না, ভাঙলেই তাদের লাভ, কিছু লোক চলে গেলে তারা কেন্দ্রীয় কমিটি-বিভিন্ন জেলা কমিটিতে ঢুকতে পারবে। এদের থেকে পার্টির নেতৃত্ব সাবধান থাকুক। নিজেদের পদ-পদবী প্রাপ্তির লক্ষ্যে যারা পার্টির ভাঙ্গন কামনা করেছেন, তারা কিন্তু ভবিষ্যতে পলিটব্যুরোতে ঢোকার জন্য মূল নেতৃত্বের মৃত্যুও কামনা করবেন। ফলে মূল নেতৃত্বের কর্তব্য হবে এদেরকে চিনে নেওয়া। এবং একইসাথে এক ঝাঁকা দিয়ে পার্টিকে পরিচ্ছন্ন করে ফেলা।

যাই হোক না কেন, বাংলাদেশের বামপন্থীদের এইসব ভাঙ্গনপ্রবণতার পিছনে আজ পর্যন্ত কোনো আদর্শ-নীতি ইত্যাদি খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরা ভেঙ্গেছেন হয় বিদেশি প্রভূদের অন্ধ অনুকরণে, না হয় ব্যক্তিগত লাভালাভের প্রয়োজনে। বাকি যেসব তত্ত্বকথা বলেন, ওসব ভাওতাবাজি।


ধরুন, এক পার্টিতে তিনজন লোক আছে, একজন সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, একজন পলিটব্যুরো সদস্য। ততোক্ষণ পর্যন্ত ঠিক আছে। তিনজনে মিলে বহু কষ্টে নতুন একজন রিক্রুট করলেন। হলেন এবার চারজন। তখন পলিটব্যুরো সদস্য মনে করেন, আমি কেন সভাপতি বা সেক্রেটারি না? তখন তিনি চতুর্থজন অর্থাৎ নতুন জনকে পানিপড়া খাইয়ে একটা দারুণ তত্ত্বকথা লিখে প্রেস রিলিজ পাঠিয়ে পার্টি ভেঙ্গে আরেকটা পার্টি বানান। তাহলেই এই দুজন এবার সভাপতি-সেক্রেটারি হয়ে গেলো। আবার যেদিন চারজন হবে, সেদিন আবার ভাঙবে। এই সর্বনাশা ভাঙ্গন প্রক্রিয়া চলতেই থাকে বাংলাদেশের বামপন্থীদের।

এরা বড় দলের কর্মি হওয়ায় তৃপ্তি পায় না। এরা ছোট দলের নেতা হওয়ার অর্গাজম সুখে ভোগে। এদের মন্ত্র- ‘ছোট পরিবার, সুখী পরিবার।’ বাংলাদেশের বামপন্থীরা পরিবারকে বড় করতে শিখুক।

লেখক: বাপ্পাদিত্য বসু, সাধারণ সম্পাদক, ইয়ুথ ফর ডেমোক্রেসি এন্ড ভেভেলপমেন্ট (ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে নেয়া)

Ads
Ads