নুসরাত হত্যার রায়ে সরকারের স্বস্তি: কাদের

  • ২৪-Oct-২০১৯ ০২:০৯ অপরাহ্ন
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা মামলার রায়ে সরকার সন্তোষ প্রকাশ করছে বলে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, অবিশ্বাস্য দ্রুততার সঙ্গে এই মামলার বিচারকাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতে সরকার স্বস্তি ও সন্তোষ প্রকাশ করছে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে নুসরাত হত্যা মামলার রায়ে অধ্যক্ষ সিরাজ উদ-দৌলাসহ ১৬ আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মামুনুর রশিদ। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামির এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় শুনে তাদের কেউ কেউ কান্নায় ভেঙে পড়েন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে নুসরাতের বাবা এ কে এম মুসা বলেন, রায়ে আমরা সন্তুষ্ট। রায় যেন দ্রুত কার্যকর করা হয়। তাহলে নুসরাতের আত্মা শান্তি পাবে। একই সঙ্গে তার পরিবারের নিরাপত্তা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সোনাগাজী ইসলামিয়া সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা, নূর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, সোনাগাজী পৌরসভার কাউন্সিলর মাকসুদ আলম, সাইফুর রহমান মোহাম্মদ জোবায়ের, জাবেদ হোসেন ওরফে সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, হাফেজ আবদুল কাদের, আবছার উদ্দিন, কামরুন নাহার মনি, উম্মে সুলতানা ওরফে পপি ওরফে তুহিন ওরফে শম্পা ওরফে চম্পা, আবদুর রহিম শরীফ, ইফতেখার উদ্দিন রানা, ইমরান হোসেন ওরফে মামুন, মোহাম্মদ শামীম, মাদ্রাসার গভর্নিং বডির সহসভাপতি রুহুল আমীন ও মহিউদ্দিন শাকিল।

মামলার বাদী নুসরাতের বড় ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চেয়েছেন বলেই এত দ্রুত সময়ের মধ্যে রায় দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

নোমান আরো বলেন, অপরাধ করে কেউ পার পাবে না। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়— এটা আবার প্রমাণ হল।

 

/কে 

Ads
Ads