পরিবার হারানোর ব্যাথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে কেউ বুঝবেন না

  • ১০-Oct-২০১৯ ১২:০১ পূর্বাহ্ণ
Ads

মোহাম্মদ তাসলিম
দয়াকরে পড়ে ভাল লাগলে সবার পড়ার সুযোগ করে দিবেন। আজকে একটু অবাক লাগতেছে ফেসবুক দেখে কত জনের কত মায়া কন্না! আমরা কোন মানুষেরর বা কারো ক্ষতি হলে পূরন করে দিতে পারবো না বা দেওয়ায়ও সম্ভব না।। যার যায় সেই বুঝে হারানোর ব্যথা কি??? আর মাঝখানে আমরা যা করি আমার মনে হয় লোক দেখানো মায়া কান্না করি বা অন্যকোন উদ্দশ্য হাসিলের জন্য করি। আমি মনে করি পরিবার হারানোর ব্যথা কি বর্তামান প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার মত কেউ বুঝবে না বা জানবে না। কারণ উনার একদিনে একপরিবার থেকে ১৪ জন মানুষকে মেরে ফেলেছিল সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায়। সে দিন সেই খুনের বিচারের জন্য মামলা করাতো দূরে থাক রাষ্ট্রিয় ভাবে বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।। কিন্তু আজ জননেত্রী শেখ হাসিনার আমলে কারো অস্বাভাবিক মৃত্যু হলেই তার বিচার চায় এবং পায়।

আজ প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্টানে সি,সি ক্যামরার আওতায় এনেছেন, কোন ঘটনা ঘটলে সব পাওয়া যায়।। এটা সম্ভব হয়েছে একমাত্র জননেত্রী শেখ হাসিনার ইচ্ছায়।। উনি কাউকে ছারে না এমন কি খারাপ করারও সুযোগ করে দেন না ।। আজ কিছু বিপদগামী ছাত্র আওয়ামীলীগের ভাতৃপ্রতীম ছাত্র সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ততা হয়ে ছাত্রলীগের মত ঐতিহ্যবাহী সংগঠনকে কুলশীত করতেছে। জননেত্রী সেই সংগঠনের নামধারী নেতাদেরও ছারেনি। ইচ্ছে করলে তাদের পালানোর সুযোগ করে দিতে পারতো যেহেতু তারা ভিডিও ফুটেজে ছিল সেটা না করে তাদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করেছেন। আমি আগেই বলেছি কোন অস্বাভাবিক মৃত্যুই কাম্য না সে মেধাবী ছাত্র হোক আর মেধাশূন্য গাধাই হোক। 

প্রতিটি মানুষই তার পরিবারের শ্রেষ্ঠ সম্পদ। কিন্তু আবরার মৃত্যুতে সরকার সবাইকে গ্রেপ্তার করেছে একথায় দ্রুত সব ব্যবস্থা করেছে। আবরার আত্নার শান্তির জন্য।। তারপরেও কত মানুষের কত কথা কত মায়া কান্না। এর আগেও এ দেশে অন্য রাজনৈতিক দল সরকার পরিচালনা করেছেন। বাবার কোলে শিশুর মৃত্যু হয়েছে তারপরেও দায়িত্বরত মন্ত্রী বলেছে আল্লাহর মাল আল্লাহই নিয়েগেছে।। ছাত্রদের দুইগ্রুপের মাঝে মেধাবী এই বুয়েটরই ছাত্রী নিহত হয়েছিল।। রাজশাহীতে মেধাবী ছাত্র নেতাকে মেরে ম্যানহলে ফেলে দিয়েছিল। সেদিন সেই সরকারের ভূমিকা কি ছিল।। আমার মনে হয় কারো অজানা নয়!!! আমার প্রশ্ন আজ সরকার এতো দায়িত্বের সাথে সব কাজ করতেছে তাপরেও এতো কিছু ।। যারা আজ আন্দলনের নামে পথে আছে তাদের উদ্দেশ্য আবার অন্য নাতো!!!

আমার সংশ্লিষ্ঠ এলাকার প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন আন্দলনেরর নামে যারা আছে তারা নামধারী কোন দলের লোক না সাধারণ ছাত্র এটা যেনো খতিয়ে দেখেন।। কারণ আবরার বাবা এবং মায়ের যা চাওয়া বা পাওয়া তার ৭০ ভাগ পূরণ হয়েছে আশা করা যায়।। কারণ এজাহারভুক্ত প্রায় সব আসামি গ্রেপ্তার হয়েছে বাকি আছে বিচার কার্যক্রম। আশা রাখি সেটাও পূরণ হবে আশার চাইতেও বেশি।।। জননেত্রী শেখ হাসিনা বুঝেন কষ্টের যন্ত্রনা কি??? তিনি একমাত্র ব্যক্তি না চাইতে অনেক কিছু করেন।। প্রবাদ আছে যমে ধরলে হয়তো ছারে শেখের বেটি ধরলে ছারে না। তাই সবাই একটু শান্ত হই এবং এ সরকার প্রধানকে কাজ করার সুযোগ করে দেই।। মেধাবীরা যে দলেরই হোক তারা এ দেশের জাতীয় সম্পদ তাদের মেধা শক্তি কাজে লাগিয়ে এ দেশটাকে এগিয়ে নিতে হবে।। আবরার মত কোন ঘটনা যেনো পূর্নাবৃত্তি না ঘটে সে জন্যই আবরার হত্যাকারীদের চরম শাস্তির ব্যবস্থা করতে আমার সংশ্লিষ্ঠ বিচারকর্তার প্রতি অনুরোধ রইলো ।। এবং সে শাস্তিতে কোন নির্দোষ ছাত্র আইনের মার প্যাচে না পরে এ কামনাও রইলো।

লেখক: মোহাম্মদ তাসলিম, সাংগঠনিক সম্পাদক, দিনাজপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ

Ads
Ads