জাতিসংঘ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী ড. কাজী এরতেজা হাসান 

  • ১৮-Sep-২০১৯ ০৫:২১ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: সিনিয়র প্রতিবেদক ::

বর্তমান বিশ্বে বাংলাদেশ মানেই শেখ হাসিনা। গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকা আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানেই উন্নয়নের মডেল। শেখ হাসিনার উন্নয়নের মডেল অনুসরণ করেই ভারতে বিজেপির নরেন্দ্র মোদির বিজয় মনে করিয়ে দিয়েছে, জনগণের জন্য ভালো কাজ করলে জনগণ তার প্রতিদান ভোটের মাধ্যমেই দিবে। সারা পৃথিবীতেই শেখ হাসিনা একজন রোল মডেল হিসাবে নিজেকে আপন মহিমায় প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আন্তজার্তিক সম্প্রদায়ের কাছে তিনি মাদার অব হিউম্যানিটি থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত ৪২ টি পুরষ্কার বা সম্মানায় ভূষিত হয়েছেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা হিসাবে তিনি যখনই রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিলেন বর্হিবিশ্বের সকল দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়; নীতিতে বিশ্বাসী হয়ে বাংলাদেশকে পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের কাছেই বন্ধু রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছেন।  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এটি এক বিশাল অর্জন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শিক সন্তান হিসাবে আবারো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফরসঙ্গী হয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য জাতিসংঘের ৭৪ তম অধিবেশনে যোগ দিচ্ছেন ভোরের পাতা এবং দ্যা পিপলস টাইমসের সম্পাদক ও প্রকাশক , এফবিসিসিআই পরিচালক, ইরান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্সের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, রাশিয়া ভিত্তিক ইউনাইটেড মুসলিম উম্মাহ ফাউন্ডেশন'র সেক্রেটারি জেনারেল, বাংলাদেশ ল্যান্ড ডেভেলপার এসোশিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ কমিটির ধর্ম এবং শিল্প-বাণিজ্য উপ কমিটির সদস্য, ইরান- বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি; বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ ও সিঙ্গাপুর অ্যান্ড বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, ভোরের পাতা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ এবং কাজী গ্রুপের চেয়ারপার্সন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. কাজী এরতেজা হাসান। 

মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় অনন্য সাধারণ ভূমিকা পালনের জন্য জাতিসংঘ থেকে ডক্টর অব হিউম্যানিটি উপাধিতে ভূষিত ড. কাজী এরতেজা হাসান প্রধানমন্ত্রীর বিভিন্ন সফরে সফরসঙ্গী হওয়া প্রসঙ্গে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হতে পারা পরম সৌভাগ্যের বিষয়। আমি নিজেকে ধন্য মনে করি, বারবার তিনি আমাকে এই সুযোগটি দিচ্ছেন। বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি তার প্রতি। ভূপৃষ্ঠ হাজার হাজার ফুট উচ্চতায় উড়ন্ত বিমানে যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেখেছি, নামাজের সময় কিবলা, কম্পাস দিয়ে পশ্চিম দিক নির্ধারণ করে নামাজ আদায় করেন; তখন সত্যিই হৃদয়ের গহীনে আত্নিক একটা শান্তি খুঁজে পাই। কারণ ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা নেত্রীকে দেখেছি খুব কাছ থেকে। 

ড. কাজী এরতেজা হাসান আরো বলেন, ২০১৭ সালের রমজানের সময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হয়ে সুইডেনে যাচ্ছিলাম। দীর্ঘ ২১ ঘন্টার রোজা রেখেছিলেন তিনি। 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এত কাছ থেকে তার ইসলামের প্রতি অনুরাগ দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তাকে নিয়ে ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার ধর্মচিন্তা’ বইটি ২০১৯ সালে এসে লিখেছি। শুধুমাত্র জনগণের কাছে প্রধানমন্ত্রীর ধর্ম নিয়ে ভাবনাগুলো জানানোর তাগিদ থেকেই এটা করেছি। কোনো কিছু পাওয়ার আশায় নয়। কারণ মন থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিশ্বাস করি বলেই সেই শক্তিশালী আত্নিক বিশ্বাসের জায়গা থেকেই লিখেছি। 

ড. কাজী এরতেজা হাসান আরো বলেন, যতবারই প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসাবে রাষ্ট্রীয় সফরে গিয়েছি ততবারই মুগ্ধ হয়ে খুব কাছ থেকে দেখতে পেয়েছি, একজন প্রধানমন্ত্রী কতটা সাধারণে অসাধারণ হতে পারেন। তার মেধা, প্রজ্ঞা, দুরদর্শিতা, সততা, সাহসিতকতা এবং নেতৃত্বগুণ দেখে আমি একজন আত্নিক শিষ্য হিসাবে শিখছি।  

এর আগেও তিনবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে জাতিসংঘের অধিবেশনে সফরসঙ্গী হয়েছেন ড. কাজী এরতেজা হাসান। এছাড়া ড. কাজী এরতেজা হাসান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত, জাপান, সৌদি আরব, সুইডেন, সিঙ্গাপুরে রাষ্ট্রীয় সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফর সঙ্গী ছিলেন। 

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের চলতি ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২২ সেপ্টেম্বর রোববার নিউইয়র্ক যাবেন। একই দিন সন্ধ্যায় হিলটন বলরুমে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ আয়োজিত নাগরিক সংবর্ধনায় যোগ দেবেন তিনি।

Ads
Ads