মোংলায় স্বামী ও মেয়েকে বাচাতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় আহত ৩

  • ১৫-Sep-২০১৯ ০৭:১৭ অপরাহ্ন
Ads

:: মোংলা প্রতিনিধি ::

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গৃহবধুসহ তিন জনকে মেরে রক্তাক্ত জখম করেছে এলাকার সন্ত্রাসীরা। মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গা ইউনিয়নের কামারডাঙ্গা গ্রামে আঃ মজিদ সরদারের বসত ঘরে ঢুকে মা মেয়ে ও বৃদ্ধ বাবাকে লোহার রড ও ইট দিয়ে পিটিয়ে আহত করে তারা। মা লায়লা বেগমকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নেয়া হলে অবস্থা অবনতী দেখে মুমুর্ষ অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ভর্তি করা হয়। এব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। মাথায় মারাত্মক জখম থাকায় লায়লা বেগমরে অবস্থা আশংঙ্কা জনক। 

থানার অভিযোগ সুত্রে, প্রত্যাক্ষদশর্ীরা ও আহত লায়লা বেগম জানায়, কামারডাঙ্গা এলাকায় দুই পরিবারের শিশুদের সাথে খেলাধুলাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে হাতাহাতি ও মারামারী হয়। বিষয়টি নিয়ে এক পর্যায় দু’পরিবারের বড়দের মধ্যে বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পরে। শিশুদের মারামারী ঘটনাটি মিটে গেলেও স্থানীয় চিহিৃত সন্ত্রাসী মোঃ জসিম (২৫) ও মোঃ জাহিদ (৩৫), মজিদ সরদারের বসত ঘরে ঢুকে লাঠী সোটা নিয়ে হামলা করে আমার কন্যা রুনা বেগম এবং স্বামী আঃ মজিদ সরদারকে বেধরকভাবে এলোপাতারী পিটাতে থাকে। তখন কন্যা ও স্বামীকে বাচাতে গেলে সালমা বেগম ও রাশিয়া বেগম তাদের ধরে রাখায় এ দুই সন্ত্রাসী তাদের রড এবং ইট দিয়ে পিটিয়ে জখম করেছে।

এসময় সন্ত্রাসীরা গৃহবধু লায়লা বেগমের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এলাকাবাসী রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে লায়লার অবস্থা অবনতী হলে পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে ভর্তি করা হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্রে’র পরিচালক ডাঃ জিবিতোষ বিশ্বাস জানায়, লায়লা বেগমের মাথায় আঘাতে প্রচন্ড রক্তক্ষরন হয়েছে এবং কাটাস্থানে বেশ কয়েকটি সেলাই দেয়া হয়েছে। চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে তবে শংঙ্কা মুক্ত রয়েছে, কিছু দিন বিশ্রামে থাকলে দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবে।

এঘটনায় কামারডাঙ্গা এলাকার ৪জনকে অভিযুক্ত করে থানায় এজাহার দাখিল করা হয়েছে। মোংলা থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম জানান, কামারডাঙ্গা এলাকা থেকে লায়লা বেগম বাদী হয়ে একটি মারামারী ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এব্যাপারে আহত লায়লাকে দেখতে হাসপাতালে যাওয়া হয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Ads
Ads