কন্টেইনারবাহী জাহাজ সংকটে সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত মোংলা বন্দরের ব্যবসায়ীরা

  • ২৩-Aug-২০১৯ ১১:০১ অপরাহ্ন
Ads

:: মোংলা প্রতিনিধি ::                                   

প্রতিষ্ঠার পর গেল অর্থ বছরে বেশী রাজস্ব আয় করে মোংলা বন্দর। কিন্তু কন্টেইনারবাহী জাহাজ সংকটের কারনে জেঠিতে হ্যান্ডলিংয়ে সবোর্চ্চ সক্ষমতা রয়েছে অব্যবহারিত। মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়াতে নতুন -নতুন উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন সরঞ্জামাদি সংযুক্ত করা হচ্ছে। কিন্তু বন্দরের পশুর চ্যানেলের নাব্যতা সংকট, সিঙ্গাপুরসহ অন্যন্য বন্দরের সাথে সরাসরি কন্টিারবাহী ফিডার জাহাজ চলাচল না থাকা ও সড়ক পথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না হওয়ায় কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে এখনো কাংখিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি মোংলা। এর ফলে সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান থাকার পরও প্রায় সময় ফাকা পড়ে থাকছে মোংলা বন্দরের কন্টেইনার ইয়ার্ড।  

দেশের অন্য বন্দরগুলোর তুলনায় মোংলা বন্দরে  কনটেইনার প্রতি সর্বনিন্ম ১ হাজার ৪ শত ডলার ভাড়া ধার্য করার পরও বাড়েনি মোংলা বন্দরে কন্টেনারবাহী জাহাজের আগমন।  ২০১৭-১৮ অর্থবছরে  ১৭ হাজার মেট্রিক টন কন্টেইনারবাহী পন্য আমদানী বেড়ে ২০১৮-১৯ দাড়িয়েছে ৬০ হাজার মেট্রিক টনে। তবে আমদানী বাড়লেও কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সবোর্চ্চ সক্ষমতা অর্ধেকেও বেশী কাজে লাগানো যাচ্ছেনা। 

চট্রগ্রাম বন্দরে কন্টেনার ইয়ার্ডে কন্টেইনার রাখার যায়গা না থাকা ও ঢাকার কমলাপুর আইসিডি কন্টেইনার ইয়ার্ডে কন্টেইনার প্রতি  ভাড়া বাড়িয়ে ২ হাজার ৯ শত ডলার করা হয়েছে। অন্যদিকে মোংলায় কন্টেইনার প্রতি ভাড়া কম থাকলেও কন্টেইনারবাহী জাহাজ না সুযোগ কাজে লাগাতে পারছেনা ব্যবসায়ীরা।  খুলনা চেম্বার আব কর্মাস এর পরিচালক মোস্তফা জেসান ভুট্র বলেন, দ্রত সিঙ্গাপুর থেকে চট্রগ্রাম বন্দর হয়ে মোংলা বন্দর পর্যন্ত কন্টেইনারবাহী ফিডার জাহাজ চলাচল চালু করা গেলে মোংলা কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সক্ষমতা কাজে লাগানো যাবে। 

মোংলা বন্দর কতৃপক্ষের চেয়ারম্যান কমোডর একেএম ফারুক হাসান বলেন, রাজধানী ঢাকার সাথে মোংলা বন্দরের দূরত্ব কম হলেও পদ্মা নদীর কারনে কন্টিনারবাহী লড়ি সরসরি সড়ক পথে মোংলা বন্দরে আসতে পারেনা। এ কারনে মোংলা বন্দর ব্যাহারে ব্যাসায়ীদের আগ্রহ কম। সিঙ্গাপুর থেকে চট্রগ্রাম বন্দর হয়ে মোংলা বন্দর পর্যন্ত কন্টেইনারবাহী ফিডার জাহাজ চলাচল চালু করার জন্য   ক্যাপিটাল ড্রেজিংয়ের কাজ  দ্রুত শুর“ করা হবে।  পাশাপাশি আগামী বছরের মধ্যে পদ্মাসেতু চালু হলে  তবেই মোংলা কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ে সর্বোচ্চ সক্ষমতা কাজে লাগানো যাবে। 

Ads
Ads