ইউএস-বাংলার পাইলট আবিদ সম্পর্কে কাঠমান্ডুর প্রতিবেদন ভিত্তিহীন

  • ২৮-Aug-২০১৮ ১২:০০ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা অনলাইন ::

চলতি বছর নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইউএস বাংলার বিমান বিধ্বস্তে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিমানটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও দায়িত্বরতদের ডেডিকেশন নিয়ে প্রশ্ন উঠে। তবে বিমানটি কেন বিধ্বস্ত হয়েছিল সেই কারণ জানানোর সময় এখনও আসেনি বলে মনে করছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

এদিকে বিমান দুর্ঘটনা তদন্তের একটি খসড়া রিপোর্ট প্রকাশ হয়েছে বলে নেপালের কাঠমান্ডু পোস্ট পত্রিকা এবং আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি দাবি করেছে। দুটি সংবাদমাধ্যমেই লিখা হয়েছে- তদন্ত রিপোর্টে বিমান দুর্ঘটনার জন্য পাইলট আবিদ সুলতানের আচরণকে দায়ী করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতান সম্পর্কে কিছু মনগড়া তথ্য দেওয়া হয়েছে, যা ভিত্তিহীন বলে মত প্রকাশ করছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তপক্ষ।

একইসঙ্গে তিনি বলেন, ইউএস বাংলা বিমান দুর্ঘটনার তদন্ত ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সম্পন্ন হয়েছে। কমিশন এখনও পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি।

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী (আইকাও কর্তৃক প্রণোদিত) যেকোনো দুর্ঘটনা পরবর্তী পূর্ণাঙ্গ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ হওয়ার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত এই ধরনের অসমর্থিত মতামত প্রকাশ কোনো গণমাধ্যমের কাছেই কাম্য নয়। আইকাও এর এনেক্স ১৩ এর নিয়মানুসারে নেপালের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং বিমান চলাচল বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এই দুর্ঘটনা বর্তমানে তদন্তাধীন আছে। একটি দুর্ঘটনা তদন্তাধীন অবস্থায় এই ধরনের একটি প্রতিবেদন দুটি অভিপ্রায় ব্যক্ত করে। ১, অযাচিতভাবে এয়ারলাইন্স এবং ক্রুদের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা ২, দুর্ঘটনা ঘটে থাকার প্রকৃত কারণকে আড়াল করার চেষ্টা করা।

এই প্রতিবেদনে প্রকাশিত কোনো তথ্যের ভিত্তি নেই কারণ এই দুর্ঘটনা সম্পর্কে গঠিত তদন্ত কমিটি এখন পর্যন্ত অফিসিয়ালি কোনো তদন্ত প্রতিবেদন বা কোনো বক্তব্য প্রদান করে নাই।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স কর্তৃপক্ষ 'দি কাঠমান্ডু পোস্ট' এর প্রতিবেদনকে দূরভিসন্ধিমূলক বলে মনে করে বাংলাদেশের গণমাধ্যম, সম্মানিত যাত্রীবৃন্দ ও শুভাকাঙ্খীদের এ ধরনের মনগড়া ও ভিত্তিহীন রিপোর্টে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ ইউএস বাংলার ফ্লাইটটি বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় ২৬ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি এবং একজন চীনা যাত্রী নিহত হন। ওই ঘটনায় আহত হন ১০ জন বাংলাদেশি, নয় জন নেপালি এবং মালদ্বীপের একজন নাগরিক। বিমানটিতে মোট ৭১ জন যাত্রী ছিলেন।

 

অনলাইন/কে 

Ads
Ads