রাঙ্গাবালীতে গৃবধূর লাশ উদ্ধার

  • ১৫-মে-২০১৯ ০২:৫৩ অপরাহ্ন
Ads

:: রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ::

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের চতলাখালী গ্রাম থেকে আসমা বেগম (২৭) নামের এক গৃহবধূর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাতে রাঙ্গাবালী থানায় ওই গৃহবধূর ভাই আইয়ুব দেওয়ান বাদী হয়ে পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। রাতেই মামলার প্রধান আসামি নিহত গৃহবধূর স্বামী ইকবাল হালাদারকে (৩০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- শ্বশুর আফজাল হোসেন (৬০), ননদ সানিয়া (৩২), দেবর বশার (২৫) ও স্থানীয় রাজু হাওলাদার (২৬)। মামলার এজাহারে বাদীর অভিযোগ, আসামিরা আসমাকে শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে আত্মহত্যার প্ররোচণা দিয়েছে। এদিকে আসমার শ্বশুর বাড়ির লোকজনের দাবি, পরকীয়ায় বাঁধা দেওয়ায় আসমা গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।    

জানা গেছে, প্রায় ১০ বছর আগে চতলাখালী গ্রামের আফজাল হাওলাদারের ছেলে ইকবাল হাওলাদারের সঙ্গে চালিতাবুনিয়া গ্রামের ফারুক দেওয়ানের মেয়ে আসমা বেগমের বিয়ে হয়। তাদের মুছা নামের সাড়ে ৭ বছরের ছেলে সন্তান রয়েছে। পেশার তাগিদে ইকবাল ঢাকায় বসবাস করতো। কিন্তু হঠাৎ তিনি সোমবার বাড়ি আসার পর থেকে আসমার সঙ্গে ঝগড়াঝাটি শুরু হয়।   

প্রতিবেশীরা জানান, মঙ্গলবার বিকেল ৩ টায় নিজ বসত ঘরে আসমা বেগমকে গলায় ফাঁস দেওয়া (ঝুলন্ত) অবস্থায় দেখতে পান তার স্বামী ইকবাল। পরে তিনি ডাক-চিৎকার দিলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ছুঁটে এসে আসমাকে উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নিলে তাকে মৃত ঘোষণা করে।  খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে লাশটি উদ্ধার করে বুধবার সকালে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। 

এ ব্যাপারে রাঙ্গাবালী থানার ওসি আলী আহম্মেদ বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচণার অভিযোগে আসমার ভাই একটি মামলা করেছে। যার প্রেক্ষিতে আসমার স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। এ সম্পর্কে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।   

 

/কে 
  

Ads
Ads