শরীয়তপুরে ৮৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ, চলছে পাঠদান

  • ৮-মে-২০১৯ ০৭:৪২ অপরাহ্ন
Ads

:: মোঃ জামাল মল্লিক,শরীয়তপুর ব্যুরো ::

শরীয়তপুর জেলার ৬ উপজেলার ৮৭টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ আর এসব বিদ্যালয়ে চলছে শিশুদের পাঠদান। ঝুঁকিপূর্ণ এসব বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে আশঙ্কাজনকভাবে। তারপরও এসব বিদ্যালয়গুলো সংস্কারে বা পুনঃনির্মাণে কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শরীয়তপুরে এসব বিদ্যালয়ের সংখ্যা একটি বা দুইটি নয়, ৮৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ই এমন ঝুঁকিপূর্ণ। এদের মধ্যে শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ১০টি, ডামুড্যা উপজেলায় ১৫টি,গোসাইরহাট উপজেলায় ৯টি, জাজিরা উপজেলায় ১০টি, ভেদরগঞ্জ উপজেলায় ২৩টি ও নড়িয়া উপজেলায় ১৯টি, বিদ্যালয় রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ের ভবনের বিভিন্ন স্থান থেকে সুড়কি খসে পড়ছে, বারান্দার গ্রিল বেঁকে গেছে, ছাদ থেকে বের হয়ে গেছে রড, কোনটিতে আবার দেখা দিয়েছে ফাটল। যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে বিদ্যালয় ভবন। ব্যবহারের অনুপযোগী এসব ভবনের কক্ষেই ঝুকিনিয়ে পাঠদান চলে আসছে দীর্ঘদিন ধরে। কিছুু বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আবার অন্যত্র সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এছাড়া কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয় টিন শেডের হলেও মেয়াদ পার হয়েছে অনেক আগে। সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের অভাবে টিনশেডের কক্ষগুলো জরাজীর্ণ হয়ে এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে রয়েছে। একটু ঝড়-বৃষ্টিতে হলেই ভিজে যায় শিক্ষার্থীসহ তাদের বই-পুস্তক, উড়ে যেতে পারে স্কুল ঘরগুলো।

১নং কাগদী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মোঃ জালাল মল্লিক বলেন, বিদ্যালয়টি ১৯৪০ সালে স্থাপিত হয়, দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যালয়টি জরাজীর্ণ হয়ে এখন ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে রয়েছে। এর মধ্যেয়  ঝুকিনিয়ে চলছে পাঠদান। 

ঝুকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, জেলার ৬টি উপজেলার ৮৭টি বিদ্যালয় ঝুঁকিপূর্ণ বলে তালিকাভুক্ত হয়েছে। এসব জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যালয়ের তালিকা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর বরাবর পাঠিয়েছি। বিদ্যালয়ের ভবনগুলো পুনঃনির্মাণ হলে লেখাপড়ার পরিবেশ ফিরে আসার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত হবে।

Ads
Ads