ভারতীয় যে ৭ প্রতিষ্ঠান আইএসকে বিস্ফোরক সরবরাহ করে!

  • ২৫-Apr-২০১৯ ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
Ads

:: সীমানা পেরিয়ে ডেস্ক ::

ভারতের সাতটি প্রতিষ্ঠান মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক ইসলামিক স্টেটকে (আইএস) বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহ করে। আইএস এর কাছে মোট ২০টি দেশ থেকে অস্ত্র বিস্ফোরক এবং বিভিন্ন সামরিক রসদ যায়। তুরস্ক বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সংগঠনটিকে অস্ত্র সরবরাহ করে। এরপরই ভারতের অবস্থান।

সম্প্রতি শ্রীলঙ্কায় ভয়াবহ হামলার ঘটনার দায় স্বীকার করেছে সংগঠনটি।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ভিত্তিক একটি স্টাডি গ্রুপের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এমন সংবাদ প্রকাশ করেছে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। এই সংবাদ প্রকাশের পর দেশটিতে হইচই পড়ে গেছে। তবে ভারতের প্রতিষ্ঠানগুলো এমন তথ্য অস্বীকার করেছে।

‘কনফ্লিক্ট আর্মামেন্ট রিসার্চ’ (সিএআর) নামের স্টাডি গ্রুপ এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সিএআর প্রায় ২০ মাসের চেষ্টায় প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে জানিয়েছে, সিরিয়া এবং ইরাকে আইএস যেসব অস্ত্র গোলাবারুদ নিয়ে যুদ্ধ করছে তার মধ্যে বিশ্বের ২০টি দেশের ৫১টি প্রতিষ্ঠানের সরবরাহ করা অন্তত ৭০০ এমন ধরনের উপাদান রয়েছে। যেসব উপাদান ‘ইমপ্রোভাইজড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস’ বা আইইডি তৈরিতে ব্যবহৃত হয়৷

২০টি দেশের তালিকায় তুরস্ক, ভারত ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল, রোমানিয়া, রাশিয়া, নেদারল্যান্ডস, চীন, সুইজারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া আর চেক প্রজাতন্ত্রের মতো দেশের নামও রয়েছে। সিএআর জানিয়েছে, ২০টি দেশের ৫১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তুরস্কেরই ১৩টি। আর আইএসকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে রসদ সরবরাহ করার সঙ্গে জড়িত ভারতীয় প্রতিষ্ঠান রয়েছে ৭টি। সরবরাহ করা রসদগুলো লেবানন বা তুরস্ক হয়ে আইএস-এর কাছে পৌঁছায়।

বেআইনিভাবে পেট্রোলিয়াম বিক্রি আইএস-এর আয়ের প্রধান উৎস। সিরিয়া ও ইরাকে বেশ কিছু বড় তৈলকূপ আপাতত তাদের দখলে। মূলত তুরস্কের মধ্য দিয়েই তারা চোরাচালানের কাজ চালিয়ে থাকে। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মতে, কালোবাজারে তেল বিক্রি করে আইএস-এর মাসে প্রায় ৪ কোটি ডলার আয় হয়।

ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলার চেষ্টা করেছেন ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদক। চারটি প্রতিষ্ঠান এমন কাজের সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করেছে।

দুটি প্রতিষ্ঠান অবশ্য স্বীকার করেছে, তারা কিছু বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানকে ‘ফিউজ’ বা ডেটোনেটিং কর্ড-এর মতো কিছু জিনিস সরবরাহ করে থাকে। তবে প্রতিষ্ঠান দুটির দাবি, সরবরাহকৃত রসদ শেষ পর্যন্ত কোথায় যায়, কে বা কারা সেগুলো ব্যবহার করে তা তাদের জানা নেই।

Ads
Ads