শনিবার ১ অক্টোবর ২০২২ ১৬ আশ্বিন ১৪২৯

শিরোনাম: রেকর্ড ৬৩৫ ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি    বঙ্গবন্ধুর খুনি রাশেদ চৌধুরীকে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী    র‍্যাব সংস্কারের কোনো প্রশ্নই ওঠে না: নতুন ডিজি    বর্ষীয়ান সাংবাদিক তোয়াব খান আর নেই    রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার ৬৫    থাইল্যান্ডকে উড়িয়ে এশিয়া কাপ শুরু বাংলাদেশের    দৈনিক মৃত্যুতে শীর্ষে যুক্তরাষ্ট্র, সংক্রমণে জার্মানি   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
শালিখায় কালের সাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ
মাসুম বিল্লাহ, শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৯:৩৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

মাগুরার শালিখা উপজেলার সীমাখালী বাজার  থেকে তিন কিলোমিটার এগিয়ে গেলেই দেখা মিলবে ছান্দড়া গ্রামের জমিদার বাড়িটির। বাড়িটির ধ্বংসাবশেষ এখনো টিকে আছে কালের সাক্ষী হয়ে। মুঘল আমলের প্রথমার্ধে বাড়িটি নির্মাণ করেন জমিদার অলঙ্গন মোহন দেব রায়। 

এই অঞ্চলের মধ্যে ছান্দড়ার জমিদার অত্যান্ত প্রতাপশালী ছিলেন। এ বাড়ি থেকে এলাকার কর খাজনা আদায় ও শাসনকাজ পরিচালনা করতেন বলে জানা গেছে। এ সবই আজ ইতিহাস। কালের পরিক্রমায় সবকিছু হয়ে গেছে অতীত। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, ভেঙ্গে পড়ছে জমিদার বাড়িটি, ইটে ধরেছে নোনা। জানালা দরজা হয়ে গেছে উধাও। কিন্তু জমিদারের জমিদারী না থাকলেও টিকে আছে ধ্বংসাবশেষ বাড়িটি। 



এ ছাড়াও টিকে আছে জমিদারের নির্মিত শান বাঁধানো পুকুর ঘাট, কালি মন্দির ও শতবর্ষী আম গাছ। জমিদারের ব্যাবহৃত হাতিশালা ও পুকুর ভরা ঘ্যঙ্গর ব্যাঙ কোনো কিছুই নেই। 

এছাড়াও এই জমিদারের বাড়ির পাশে ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ও জি বাংলা টেলিভিশনের দাদাগিরি অনুষ্ঠানের উপস্থাপক যাকে কলকাতার রাজপুত্র বলা হয় সেই সৌরভ গাঙ্গুলির পুর্বপুরুষের বাড়ি ছিল বলে জানা গেছে। জমিদার বাড়ির পাশে ছিল গাঙ্গুলিদের বাড়ি। তবে এ নিয়ে রয়েছে অনেক বিতর্ক  কিন্তু তাদের  অস্তিত্বের কিছু না থাকলেও কালের সাক্ষী হয়ে আছে এই জমিদার বাড়ি ও পাশের সেই বেগবতী নদী। 

ছান্দড়া গ্রামের প্রবীণ ব্যাক্তি স্বপন মুখার্জির সাথে কথা বললে তিনি জানান, অলঙ্গন মোহন দেব রায় এই এলাকার প্রভাবশালী জমিদার ছিল। এই বাড়ি থেকে এলাকার কর খাজনা আদায় ও শাসনকার্য পরিচালনা করা হতো।কালের সাক্ষী হয়ে  এখন শুধু টিকে আছে এই ধ্বংসাবশেষ বাড়িটি। এই জমিদার বাড়ির পাশে গাঙ্গুলিয়াদের বাড়ি ছিল। পরবর্তীতে তারা কলকাতায় চলে যায়। 

তবুও প্রতিদিন ভ্রমণ-পিপাসুরা জমিদার বাড়িটি দেখতে আসেন। বাড়িটির অস্তিত্ব রক্ষা করতে পারলে এটি এলাকার পর্যটন কেন্দ্র হতে পারে বলে দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। উপযুক্ত সংরক্ষণের উদ্যোগ না নেয়া হলে, অচিরেই ঐতিহাসিক নিদর্শনটি বিলুপ্ত হয়ে যাবে বলেও জানিয়েছেন তারা। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টিগোচর হলে সিমাখালি বাজারে একটি দিকনির্দেশক পিলার বসানো হয়েছে তবে স্মৃতি সংরক্ষণের জন্য এখানে ভৌতিক অবকাঠামোগত কোন কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়নি।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://dailyvorerpata.com/ad/apon.jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ


সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
সাউথ ওয়েস্টার্ন মিডিয়া গ্রুপ


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম


©ডেইলি ভোরের পাতা ডটকম

বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৪১০১০০৮৭, ৪১০১০০৮৬, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৪১০১০০৮৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৪১০১০০৮৫
অনলাইন ইমেইল: [email protected] বার্তা ইমেইল:[email protected] বিজ্ঞাপন ইমেইল:[email protected]