প্রকাশ: শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২, ৭:৩৭ পিএম (ভিজিট : ৫৭৩)

যশোরের ঝিকরগাছা রেল স্টেশনে ২য় প্লাটফর্ম না থাকায় যাত্রীরা ঝুঁকিপূর্ণ পারাপারে বাধ্য হচ্ছেন। ফলে, যেকোন মূহুর্তে ঘটে যেতে পারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা। যাত্রীবাহী ও মালবাহী ট্রেনের ক্রসিং করতে গিয়ে ঝিকরগাছা রেলওয়ে স্টেশনে এধরণের ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার করতে দেখা গেছে যাত্রী সাধারণের। বিশেষ করে নারী ও শিশু যাত্রীদের শঙ্কার মধ্যে ফেলে দিচ্ছে ২য় প্লাটফর্মটি না থাকায়।
এরুটে নিয়মিত খুলনা-বেনাপোল ও বেনাপোল-খুলনা বেতনা এক্সপ্রেস, খুলনা-কলকাতা ও কলকাতা-খুলনা বন্ধন এক্সপ্রেস এবং ঢাকা-বেনাপোল ও বেনাপোল-ঢাকা বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়াও মালবাহী ট্রেন যাতাযাত করে। অথচ, ঝিকরগাছা রেল স্টেশনে একটি মাত্র প্লাটফর্ম রয়েছে। কর্তৃপক্ষ বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রেনের ক্রসিং দিতে অপেক্ষমান যাত্রী সাধারণকে ২য় প্লাটফর্মে অবস্থান নিতে মাইকে মনযোগ আকর্ষণ করলেও বাস্তবে ঝিকরগাছায় ২য় কোন প্লাটফর্ম নাই!
ফলে, অবিলম্বে ট্রেনযাত্রীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ২য় প্লাটফর্ম নির্মাণ জরুরী হয়ে পড়েছে। এদিকে, রেলভ্রমণ অপেক্ষাকৃত নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য হওয়ায় দিনকে দিন ট্রেন যাত্রীদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও যাত্রীদের সেবারমান বাড়ছে না। এম অভিযোগ নিত্যদিনের। গুজব রয়েছে ঝিকরগাছা রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের ব্যাপক চাপ থাকা স্বত্ত্বেও কোন ‘গণশৌচাগার’ নেই। ফলে, যাত্রীদের চরমভোগান্তি ও বিড়ম্বনার শিকার হতে হয়। শোভন শ্রেণির কক্ষটি প্রায় সার্বক্ষণিক তালাবদ্ধ থাকে। মাঝে মধ্যে রেলওয়ের কতিপয় কর্মচারীদের ওই কক্ষে খোসগল্প ও আড্ডায় মেতে থাকতে দেখা যায়।
স্টেশনে শিমলা রাণী নামের একজন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কর্মী বা সুইপার থাকার কথা থাকলেও মাসে একবারও তার দেখা মেলে না। সে নাকি থাকে যশোর শহরে। মাস গেলে বেতন উত্তোলন করেন কিন্তু ঝিকরগাছা স্টেশনে আসার প্রয়োজন মনে করে না। জানাগেছে, তার পরিবর্তে স্থানীয় পরিচ্ছন্নতা কর্মী শিব শংকরকে সামান্য কিছু পারিশ্রমিক ধরিয়ে দিয়ে পরিচ্ছন্নতার দায়িত্ব শেষ করা হয়।
এব্যাপারে ঝিকরগাছা রেল স্টেশনের কর্তব্যরত স্টেশন মাস্টার নাইমুর রহমানের সাথে মুঠো ফোন (০১৭৪৭-৪২৯৮৩৪) নাম্বারে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সংযোগ না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।