কৃষিমন্ত্রী বলেন, দ্রুত জনসংখ্যা বাড়ছে এ দেশে। প্রতি বছর দেশে ২৪ লাখ মানুষ বাড়ছে। বিশ্বের বহু দেশে এ পরিমাণ মানুষেই বসবাস করেন না। তার মধ্যে আবার আমাদের কৃষি জমি কমছে। তারপরও আমরা উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছি।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের উৎপাদিত চাল বহুক্ষেত্রে ব্যবহার হচ্ছে। মানুষ চাল গরু ও ছাগলকে খাওয়াচ্ছে। মৎস্য, পোল্ট্রি, হাঁসের খামারে ধান-চাল ও বাই প্রোডাক্ট ব্যবহার হচ্ছে। সেক্ষেত্রে কতো চাল নন-হিউম্যান কনজাম্পশনে যাচ্ছে তার হিসাব নেই।
তিনি আরও বলেন, এ সময় আমি দেখেছি, যেখানে ফুলকপি হচ্ছে সেখানে বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকা। সেটা ঢাকায় এসে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা।
রাস্তায় চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। বাজারে সিন্ডিকেট। হাত ঘুরে ঘুরে দাম বাড়ছে। কারণ দুর্বল বাজার ব্যবস্থাপনা। এ নিয়ে কাজ করতে হবে সংশ্লিষ্টদের।
এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম এবং এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন।
ভোরের পাতা/অ