মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২ আশ্বিন ১৪২৮

শিরোনাম: বারডেম হাসপাতালের কেবিনে বৃদ্ধার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার    দেশে ৪ কোটি ১৩ লাখের বেশি করোনার টিকা প্রয়োগ    বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে সর্বত্র যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ রাষ্ট্রপতির    করোনা টেস্টের টাকা নিয়ে উধাও মেডিকেল টেকনোলজিস্ট    দেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর ষড়যন্ত্র করছে বিএনপি: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী    মৃত্যু ও শনাক্ত দুটোই বেড়েছে    কমল ডেঙ্গু রোগী, বাড়ল মৃত্যু   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
পানকৌড়ির কোলাহলে মুখরিত শ্রীনগর
শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) প্রতিনিধি:
প্রকাশ: শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৭:৫১ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

এখানকার খাল-বিল, পুকুর ও জলাশয়গুলো এখন বর্ষার পানিতে ভরপুর। জোয়ারের পানি আসার সাথে সাথেই পানকৌড়িদের ব্যাপক আগমন ঘটে এই অঞ্চলে। ঝাঁকে ঝাঁকে পানকৌড়ির দল বিভিন্ন উঁচু গাছ পালায় এসে আবাসন গড়ে তুলে। 

এসব পানকৌড়ির কিচিরমিচির শব্দে পুরো এলাকা কোলাহলে মুখরিত হয়ে উঠে। মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার আড়িয়াল বিল এলাকাসহ লোকালয়ের বিভিন্ন জলাশয়ের কাছাকাছি উঁচু গাছের মগডালে অতিথি পানকৌড়িরা বাসা বেঁধেছে। 

এছাড়া শ্রীনগর সরকারি কলেজ প্রাঙ্গণের বিভিন্ন গাছে হাজারো পানকৌড়ির দল স্থায়ীভাবে আবাসন গড়ে তুলেছে। কলেজ ক্যাম্পাস জুড়ে বিভিন্ন গাছে পানকৌড়ির পাশাপাশি প্রায় গাছেই অসংখ্য বাদুর ঝুলে থাকতে দেখা যায়। কলেজ চত্বরটি পানকৌড়ি ও বাদুরের স্থায়ী আশ্রয়ণ হয়ে উঠেছে। 

শ্রীনগর সরকারি কলেজের প্রভাষক মাজাহারুল ইসলাম সুমন জানান, নিজ উদ্যোগ থেকেই এসব পানকৌড়ির সুরক্ষায় কাজ করছি। এছাড়া এখানে ভবন নির্মাণের জন্য বিভিন্ন গাছপালা কাটা পড়ছে। এসব পানকৌড়ি সুরক্ষায় নিজ নিজ অবস্থান থেকে আমাদেরকে সচেতন হতে হবে। তা’না হলে একদিন এসব পানকৌড়ি বিলুপ্তীর পথে চলে যাবে। 

সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, বছরের এই সময়ে বর্ষার অনেকাংশেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। জলাশয়ে পানকৌড়িরা সাঁতার কেটে ডুবিয়ে ডুবিয়ে ছোট ছোট বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার করছে। সন্ধ্যার সাঁজ পড়তেই শিকারি পানকৌড়ির দল নিজ নিজ নীড়ে ফিরছে। 

লক্ষ্য করা গেছে, আড়িয়াল বিল এলাকার গাদিঘাট, শ্রীনগর সরকারি কলেজ, কুকুটিয়ার এলাকার বিবন্দী বাজারসহ বেশ কয়েকস্থানে উঁচু কড়ই গাছসহ অন্যান্য গাছের মগডালের চূড়ায় পানকৌড়িরা শত শত বাসা বেঁধেছে। এসব বাসায় ছানা পানকৌড়িদের আহারের যোগান দিচ্ছে মা পানকৌড়িরা। পানকৌড়ির ডাক-চিৎকার ও কলরব শব্দ অনেক দূর থেকেই শুনতে পাওয়া যাচ্ছে। 

জানা যায়, স্থানীয়রা পানকৌড়িকে কাউপানি নামেও চিনেন। গাছে এসব পানকৌড়ির হাকডাক ও ডানা মেলে রোদে গা শুকানোর দৃশ্য দেখা যায়। পানকৌড়ির মিলন মেলার এমন অপরুপ নজরকারা দৃশ্য উপভোগ করতে পথচারী খানিকটা দাড়িয়ে পড়ছেন। 

এলাকাবাসী জানায়, এই মৌসুমে পানকৌড়িরা দল বেঁধে এখানে আসে। জলাশয়ের কাছা কাছি গাছের চূড়ায় তারা বাসা বাঁধছে। এসব বাসায় পানকৌড়ি বংশ বিস্তারের মধ্যে দিয়ে তাদের দল ভাড়ি করে। এই অঞ্চলের পানি নামার সাথে সাথে পানকৌড়ির দল আস্তে আস্তে অনত্র কোথাও যেতে শুরু করে। তবে শ্রীনগর সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গাছে হাজার হাজার পানকৌড়ি সারা বছরই এখানেই নিরাপদ স্থায়ী আবাসন গড়ে তুলেছে। 





ভোরের পাতা/কে 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Comp 1_3.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]