মঙ্গলবার ২৬ অক্টোবর ২০২১ ৯ কার্তিক ১৪২৮

শিরোনাম: রাজধানীতে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত    দেশে ৬ কোটি ১৪ লাখের বেশি করোনার টিকা প্রয়োগ    স্কটল্যান্ডকে ৬০ রানেই গুঁড়িয়ে দিল আফগানিস্তান    দারিদ্র্য বিমোচনে দক্ষিণ এশীয় দেশগুলোর কাজ করা উচিত: প্রধানমন্ত্রী    ফৌজদারি কার্যবিধি আধুনিকায়নে কমিটি গঠন    আবাসিক এলাকায় নতুন গ্যাস সংযোগ দিতে হাইকোর্টের রুল    টস জিতে ব্যাটিংয়ে আফগানিস্তান   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
করোনা মোকাবিলায় অনন্য আওয়ামী লীগ
#শেখ হাসিনার নির্দেশে আমরা এখনো করোনায় বিপন্ন মানুষদেরকে সেবা দিয়ে যাচ্ছি: ড. শ্রী বীরেন শিকদার। #শেখ হাসিনার কাছ থেকে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অনুপ্রেরণা পাই: নজরুল ইসলাম বাবু। #সরকার করোনা মোকাবিলায় যে সকল সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা প্রশংসনীয়: উইলিয়াম প্রলয় সমদ্দার।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১, ১০:৫৮ পিএম আপডেট: ২৪.০৭.২০২১ ১১:০৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

আসলে মানবিকতার শীর্ষে আমাদের থাকতে হবে, এটাই আমাদের শপথ হওয়া উচিত। সেই ক্ষেত্রে যিনি আমাদের অনুপ্রেরণা জোগান তিনি হচ্ছেন আমাদের জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুরুতেই এই দেশের খেঁটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের প্রতি দরদ দেখিয়ে দেশকে পরিচালনা করে এসেছেন এবং দেশকে ভালো রেখেছেন। সুস্থ রাখার অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় যথেষ্ট মুন্সিয়ানার ছাপ রেখেছেন। দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার প্রয়াসে তিনি সফল হয়েছেন। করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা লড়াইটা ছিল প্রশংসনীয়। জীবন এবং জীবিকাকে পাশাপাশি রেখে মানুষ যেন অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে না পড়ে সেটা দেখাই ছিল তাঁর কৌশলের প্রধান দিক। তবে মহামারির মধ্যে সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগ অতিতের মতো মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে।



দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৪১০তম পর্বে শনিবার (২৪ জুলাই) আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন- সংসদ সদস্য এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের  সাবেক প্রতিমন্ত্রী ড. শ্রী বীরেন শিকদার, সংসদ সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক, খ্রিস্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক উইলিয়াম প্রলয় সমদ্দার। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

ড. শ্রী বীরেন শিকদার বলেন, আজকে ভোরের পাতা লাইভ সংলাপে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য ভোরের পাতা কর্তৃপক্ষসহ সঞ্চালক নাসির উদ্দিন আহমেদকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজকের এই দিনে আমি আমার বক্তব্যের শুরুতে গভীর শ্রদ্ধা জানাই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যে মহামানবের অবদানে আজ আমরা লাল সবুজের পতাকা নিয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছি। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৫ আগস্টের সেই কালো রাতে তাঁর পরিবারের যেসব সদস্যরা শাহাদাতবরণ করেছিলেন। গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি ৩০ লাখ শহীদ ও ২ লাখ ইজ্জত হারা মা বোনদের। গভীরভাবে স্মরণ করি জাতীয় ৪ নেতাকে। আজকে আলোচ্য বিষয় ‘করোনায় মানবিকতা’। বাংলাদেশে করোনার যে আগ্রাসন গত বছরের ৮ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে ইতোমধ্যে আমরা কিন্তু করোনাকে সফলভাবে মোকাবিলা করে চলে এসেছি। বাংলাদেশে করোনার আগ্রাসনের শুরু থেকেই জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এটাকে প্রতিরোধ করার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রথম পর্যায়ে যে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন, সেই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে পড়েছিল। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিকলীগ সহ সব নেতাকর্মীরা প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে করোনা মোকাবিলার জন্য আমাদের সীমিত সামর্থ্য ও স্বাস্থ্য সুবিধা ছিল সেটাকে মাথায় নিয়েই আমরা করোনা মোকাবিলা করে আসছি এখন পর্যন্ত। করোনাকালীন সময়ে আমাদের যে নেতাকর্মীরা আছেন তারা সবাই একেবারেই ইউনিয়ন পর্যায়ে থেকে শুরু করে সকল স্থানে যারা এই কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে তাদের সেবায় রত আছে। সারাদেশে তারা করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে। খাদ্য বিতরণ, সবজি বিতরণ, অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করে রাখা, মৃত্যু ব্যক্তির দাফন কাফন করেছে। করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শুরু থেকেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লড়াইটা ছিল প্রশংসনীয়। জীবন এবং জীবিকাকে পাশাপাশি রেখে মানুষ যেন অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে না পড়ে সেটা দেখাই ছিল তাঁর কৌশলের প্রধান দিক। তবে মহামারির মধ্যে সংগঠন হিসেবে আওয়ামী লীগ সংকটের মধ্যে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বরাবরের মতই। তাইতো আওয়ামী লীগের অনেক নেতা এই করোনাকালে আক্রান্ত হয়েছেন, মারাও গেছেন অনেকে। সহযোগী সংগঠনগুলো পৃথক পৃথকভাবে টেলি হেল্থ, ফ্রি অক্সিজেন সিলিন্ডার, লাশবাহী ও অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস এবং বিভিন্ন সুরক্ষাসামগ্রী (মাস্ক, হ্যান্ড গ্লাভস, হ্যান্ড স্যানিটাইজার) বিতরণের কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। যারা সত্যিকারের অর্থেই এই সাহায্যের যোগ্য তাদেরকেই এই সেবাগুলো দেওয়ার জন্য আমাদের মাঠ পর্যায়ে কমিটি গঠন করা হয়েছে। যারা দৈনন্দিন কাজে নিয়োজিত তাদের কাছে যাতে সত্যিকার অর্থে এই সাহায্য সহযোগিতা পৌঁছায় সেজন্য সব প্রকার প্রচেষ্টা সরকারের পক্ষ থেকে এবং দলের পক্ষ থেকে নেত্রীর নির্দেশে অত্যন্ত সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে।

নজরুল ইসলাম বাবু বলেন, আজকে ভোরের পাতা সংলাপের আলোচ্য বিষয় ‘করোনায় মানবিকতা’। আসলে মানবিকতার শীর্ষে আমাদের থাকতে হবে, এটাই আমাদের শপথ হওয়া উচিত। সেই ক্ষেত্রে আমাদের যে অনুপ্রেরণা জোগান তিনি হচ্ছেন আমাদের জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যিনি শুরুতেই এইদেশের খেঁটে খাওয়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের প্রতি দরদ দেখিয়ে দেশকে পরিচালনা করে এসেছেন এবং দেশকে ভালো রেখেছেন। সুস্থ রাখার অভিপ্রায়ের লক্ষে তিনি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনায় যথেষ্ট কাজ করেছেন এবং দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করার প্রয়াসে তিনি সফল হয়েছেন। আজ বাংলাদেশে খাদ্যের অভাব অনটন থেকে আমাদের মানুষদের মুক্তি দিয়ে তিনি আমাদের কাছে অনন্য ব্যক্তিতে পরিণত হয়েছেন। একইভাবে এই করোনায় যখন বাংলাদেশ আক্রান্ত যেভাবে পুরো বিশ্বও আক্রান্ত, সেখানে বিশ্বের অন্যান্য দেশ যেভাবে ভেঙে পড়েছে সেখানে আমাদের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থান আগের তুলনায় আরও শক্তিশালী হয়েছে। করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা কর্মহীন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। এবারের লকডাউনেও এর ব্যতিক্রম হয়নি। লকডাউনের মধ্যেই আওয়ামী লীগের রাজনীতিবিদরা স্ব-উদ্যোগেই এলাকায় গেছেন, জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন। যে যেভাবে পেরেছেন ত্রাণ সহায়তা করেছেন, অন্যান্য সাহায্য-সহযোগিতা নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন। এর ফলে আওয়ামী লীগে আক্রান্তের সংখ্যা অন্যান্য রাজনৈতিক দলের থেকে অনেক বেশি। এই আক্রান্ত সংখ্যা দ্বারা একটি বিষয় প্রমাণিত হয় যে, করোনা সংকটের সময় আওয়ামী লীগই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা জনগণের পাশে আছে এবং জনগণের জন্য কাজ করছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে আর্তমানবতার সেবায় আওয়ামী লীগ সব সময় মাঠে আছে। পূর্বের ন্যায় এবারের লকডাউনেও আমাদের নেতাকর্মীরা কর্মহীন অসহায় মানুষের পাশে সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। শুধু খাদ্য সামগ্রী বিতরণ নয়, কৃষকের ধান কেটে দিচ্ছে ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নেতারা যে কোন দুর্যোগে মানুষের পাশে ছিল। জনগণকে করোনার এই সংকটকালে নানাভাবে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা হয়েছে। কারণ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এই দেশের মানুষের পাশে থেকে এ দেশের মানুষকে সাথে নিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে এগিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর। তাই, আওয়ামী লীগ এখনো এই করোনা দুর্যোগে ঝুঁকি নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। করোনার শুরু থেকেই মাঠে আছে। যতদিন করোনা থাকবে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মাঠে থাকবে।  

উইলিয়াম প্রলয় সমদ্দার বলেন, আমি আমার বক্তব্য শুরু করতে চাই আমার অনুপ্রেরণার জায়গা থেকে যিনি হচ্ছেন আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি খুব পরিষ্কারভাবে কয়েকদিন আগে একটি কথা বলেছেন যে, ‘আমার একটি মানুষও না খেয়ে মারা যাবে না’। এটিই হচ্ছে আমার মতো একজন ছোট্ট কর্মীর অনুপ্রেরণার জায়গা। আমাদের মতো দেশ যেখানে ঘনবসতি অনেক সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাটা অনেক কঠিন কাজ। আর ঘনবসতি এই করোনার সংক্রামণ ছড়ানোর জন্য একটি সহজ প্রক্রিয়া। সেখানে মানবিক জায়গায় আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যেভাবে সেখানকার জনগণকে শারীরিক দূরত্ব বা মাস্ক পরিধানের জন্য যেভাবে এগ্রেসিভ হয়েছে ততটা কিন্তু আমাদের দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোকেরা  হয়নি। পাশাপাশি করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাসের চলমান লকডাউনে কষ্টে থাকা অসহায়, দরিদ্র ও অসচ্ছল মানুষকে সহায়তার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকদের মাধ্যমে নগদ অর্থ বরাদ্দ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পাশাপাশি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত লাখ লাখ পরিবারকে ঈদের আগেই আর্থিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি এবং করেছেনও। একই সঙ্গে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সকল পর্যায়ের অসহায়, দুস্থ ও  ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সহযোগিতায় দলীয়ভাবে ত্রাণ সহায়তা জোরদার করতে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেছেন- ‘সমগ্র জাতি আজ ঐক্যবদ্ধ হয়ে যার যতটুকু সামর্থ্য আছে তা নিয়ে বিপন্ন মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এখনকার মতো সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করেই আমরা যেকোন আপৎকালীন অবস্থা থেকে নিজেদের উত্তরণ ঘটাব এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলব।’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথায় দলের নেতাকর্মীরা জীবন দিতে প্রস্তুত। সারাদেশে তারা করোনায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, কৃষক লীগ কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে। খাদ্য বিতরণ, সবজি বিতরণ, অ্যাম্বুলেন্স তৈরি করে রাখা, মৃত ব্যক্তির দাফন কাফন করেছে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভোরের পাতা সংলাপ   করোনা   আওয়ামী লীগ  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
http://www.dailyvorerpata.com/ad/Comp 1_3.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]