বুধবার ১৬ জুন ২০২১ ২ আষাঢ় ১৪২৮

শিরোনাম: বাংলাদেশে হালাল ফুড এক্সপোর্টে গুরুত্ব দিলে নতুন দ্বার উন্মোচন হবে: ড. নূর রহমান    বাংলাদেশে অনলাইন ব্যাংকিং ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে রূপান্তরিত করতে হবে: ইকবাল আহমেদ    আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো দ্রুত কাঠামোগত রূপ দিতে হবে: আব্দুস সালাম মুর্শেদী    করোনা মোকাবিলায় ঘাটতি বাজেট আরও বাড়ানো যেতে পারে: ড. আতিউর রহমান    মহামারিতেও অর্থনীতি সচল রাখার উন্নয়নমুখী বাজেট    এবার শাস্তির মুখে সাব্বির    মোংলায় লকডাউন বাড়লো আরও ৭ দিন   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
প্রায় ২১ লাখ টাকায় বিক্রি হলো এই দুটো তরমুজ!
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২ জুন, ২০২১, ৭:৫৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

জাপানে একটা আঙুরের দাম ২৮ হাজার ৪৫৪ টাকাও হতে পারে কখনো কখনো৷ আর তরমুজের দাম কত বেশি হতে পারে তা তো এ সপ্তাহেই দেখা গেল৷ দুটো তরমুজ বিক্রি হয়ে গেল ২০ লাখ ৯৪ হাজার ৮০২ টাকায়! খবর ডয়চে ভেলের।

জাপানের উত্তরাঞ্চলের ইউবারি শহর উন্নত মানের তরমুজের জন্য প্রসিদ্ধ৷ প্রতি মৌসুমে ইউবারি তরমুজের জন্য মুখিয়ে থাকেন জাপানিরা৷ আর তাই মৌসুমের শুরুতেই সাপ্পোরো পাইকারি বাজারে নিলামে বিক্রি হয় এই ধরনের তরমুজ৷ যত বড়, যত গোল তরমুজ, নিলামে দাম তত বেশি৷

এবার একেবারে গোল এক জোড়া ইউবারি তরমুজ বিক্রি হয়েছে ২৭ লাখ ইয়েন, অর্থাৎ ২৪ হাজার ৭০২ ডলার বা ২০ হাজার ২৬০ ইউরোতে! বাংলাদেশি টাকায় দাম মাত্র ২০ লাখ ৯৪ হাজার ৮০২ টাকা!

এত দাম দিয়ে কে কিনলেন তরমুজ দুটো? সে আরেক গল্প৷ তরমুজগুলো কিনেছে স্থানীয় শিশু খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হোক্কাইডো প্রোডাক্টস লিমিটেড৷ তারা কিন্তু নিজেদের জন্য কেনেনি, কিনেছে ক্রেতাদের জন্যই৷

হোক্কাইডো প্রোডাক্ট লিমিটেড জানে, এমন তরমুজের একটা টুকরো পেলেও ক্রেতারা নিজেকে ধন্য মনে করবেন, তরমুজ খাওয়ার খুশির অভিজ্ঞতার কথা মনে রেখে ভবিষ্যতে বারবার কিনবেন হোক্কাইডোর পণ্য৷

তাই প্রতিষ্ঠানটি ঘোষণা দিয়েছে, মূল্যবান তরমুজ দুটো সমান ১০ ভাগে ভাগ করে লটারির আয়োজন করবে৷ যে ১০ সৌভাগ্যবান বা সৌভাগ্যবতীর নাম উঠবে লটারিতে, তারাই হবেন এক টুকরো অমৃতসম তরমুজের মালিক!

গত মৌসুমেও চড়াদামে দুটি তরমুজ কিনেছিল হোক্কাইডো প্রোডাক্ট লিমিটেড৷ তবে সেবার প্রতিটি তরমুজের দাম পড়েছিল ৯০০ ইউরোর মতো৷

জাপানে উপহার বিনিময়ের রীতি রয়েছে৷ যেনতেন উপহার নয়, দামি উপহার৷ জাপানিদের বিশ্বাস, দামি উপহার দিয়ে সম্পর্কের গভীরতা বা গুরুত্ব বেশি বোঝানো যায়৷ উপহার দিয়ে বিনিময়ে পাওয়ার আশাও করেন উপহারদাতা৷ প্রাপকও প্রতিদান দেয়াকে অবশ্যপালানীয় কর্তব্য হিসেবেই দেখেন৷



টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কেভিন শর্ট জানান, জাপানিদের মধ্যে উপহার আদান-প্রদানের রীতি চলে আসছে ১৬০০ থেকে ১৮৬৮ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত এডো আমল থেকে৷ ধীরে ধীরে এই রীতি সংস্কৃতির অঙ্গ হয়ে ওঠে৷

শুরুতে মৌসুমের নতুন মাছ দেয়া-নেয়ার চল ছিল৷ ধীরে ধীরে উপহারসামগ্রিতে বৈচিত্র্য বাড়তে থাকে৷ এক সময় ফলও উঠে আসে উপহারের তালিকায়৷ যে কোনও ফল মৌসুমে প্রথম বাজারে এলে একরকম হুড়োহুড়োই লেগে যায়৷ তখন ‘তাইয়ো নো তামাগো’ (সূর্যের ডিম) নামের একটা আমের দাম ওঠে ৮০ ইউরো৷ খুব ভালো দুটো আম একবার এক ডিপার্টমেন্ট স্টোরে ২৪০০ ইউরোতেও বিক্রি হয়েছে৷

জাপানের মানুষ ভালো আঙুর খুব দামি হলেই ‘আঙুর ফল টক’ বলে নিজেকে প্রবোধ দিয়ে বসে থাকেন না৷ ২০১৬ সালে তাই ২৬টি আঙুরের একটা থোকা বিক্রি হয়েছিল ৮০০০ ইউরোতে৷ তাহলে একটা আঙুরের দাম কত পড়েছিল? ২৭৫ ইউরো বা ২৮ হাজার ৪৫৪ টাকা!

ভোরের পাতা/এএ 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]