বুধবার ১৬ জুন ২০২১ ২ আষাঢ় ১৪২৮

শিরোনাম: বাংলাদেশে হালাল ফুড এক্সপোর্টে গুরুত্ব দিলে নতুন দ্বার উন্মোচন হবে: ড. নূর রহমান    বাংলাদেশে অনলাইন ব্যাংকিং ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে রূপান্তরিত করতে হবে: ইকবাল আহমেদ    আমাদের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো দ্রুত কাঠামোগত রূপ দিতে হবে: আব্দুস সালাম মুর্শেদী    করোনা মোকাবিলায় ঘাটতি বাজেট আরও বাড়ানো যেতে পারে: ড. আতিউর রহমান    মহামারিতেও অর্থনীতি সচল রাখার উন্নয়নমুখী বাজেট    এবার শাস্তির মুখে সাব্বির    মোংলায় লকডাউন বাড়লো আরও ৭ দিন   
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
অপ্রতিরোধ্য করোনায়ও প্রতিরোধ গড়েছেন শেখ হাসিনা
#শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা করোনা মোকাবিলায় সফল হবো: ডা. হাবিবে মিল্লাত। #শেখ হাসিনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো দেশের মানুষ: অ্যারোমা দত্ত। #সরকারকে দায়ী না করে নিজের রক্ষা নিজেকেই করতে হবে: অধ্যাপক ড. ফারুক মির্জা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ মে, ২০২১, ১১:৩৩ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

আমরা আসলে অত্যন্ত ভাগ্যবান কারণ বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত ও করোনায় মৃত্যুরসংখ্যা এখন পর্যন্ত অনেক কম। আমরা প্রত্যেকটি মৃত্যুর আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। তারপরেও এতো সফলতার একটিই কারণ সেটি হচ্ছে আল্লাহর অশেষ রহমত ও শেখ হাসিনার নেতৃত্ব। সঠিক নেতৃত্ব থাকলে দেশে যতো বড়াই বিপর্যয় আসুক না কেন সেটা মোকাবিলা করা সম্ভব। শেখ হাসিনার মতো সুযোগ্য নেতৃত্ব না থাকলে হয়তো আমরা এতো সুন্দর করে বাংলাদেশে করোনা মোকাবিলা করতে পারতাম না। আসলে অনেক কঠিন একটা সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি, আমরা তারপরেও এই সময়ের মধ্যে একটা মানুষ আছে যার উপর আমরা সম্পূর্ণ আস্থা রাখতে পারি। তিনি হচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।



দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ৩৩৬তম পর্বে মঙ্গলবার (১১ মে) আলোচক হিসেবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন-  স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত, সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, বেলজিয়াম বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ফারুক মির্জা। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

অধ্যাপক ডা. হাবিবে মিল্লাত বলেন,  করোনা কিন্তু দেখতে দেখতে প্রায় ১৪ মাসে পদার্পণ করেছে আমাদের দেশে। এখন কথা হলো এই ১৪ মাসে আমরা করোনার কাছ থেকে কতটুকু শিখলাম। আমরা আসলে অত্যন্ত ভাগ্যবান কারণ বাংলাদেশে করোনা আক্রান্ত ও করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা এখন পর্যন্ত অনেক কম। যদিও আমরা প্রত্যেকটি মৃত্যুর প্রতি মাগফিরাত কামনা করছি। তারপরেও এতো সফলতার একটিই কারণ সেটি হচ্ছে আল্লাহর অশেষ রহমত ও শেখ হাসিনার নেতৃত্ব। সঠিক নেতৃত্ব থাকলে দেশে যতো বড়ই বিপর্যয় আসুক না কেন সেটা মোকাবিলা করা সম্ভব। আমাদের দেশে করোনার যখন প্রথম ঢেউটি আসে তখন আমরা অপরিপক্ক ছিলাম আমাদের কোন অভিজ্ঞতা ছিল না, আমাদের প্রস্তুতি তেমন ছিল না, কিছুটা অনিয়ম হয়েছিল যেগুলোর তিক্ত অভিজ্ঞতার আমরা সম্মুখীন হয়েছি। কিন্তু এই করোনার বিস্তার রোধে আমাদের সাধারণ জনগণের ভূমিকা, আমাদের সরকারের ভূমিকা ও আমাদের চিকিৎসকের ভূমিকা ছিল তা জাতি স্মরণে রাখা উচিৎ। দেখুন বছর শেষে এসে সারা বিশ্বের যতগুলো দেশ আছে সবগুলোর মধ্যে করোনা সফল মোকাবিলায় ২০টি দেশের মধ্যে আমরা ছিলাম অন্যতম। আর সারা পৃথিবীতে যে গণটিকা শুরু হয়েছে তার মধ্যে বাংলাদেশ ছয়টি দেশের মধ্যে একটি। আমরা আসলেই ভাগ্যবান যে, কোন কোন ছোট জনসংখ্যার দেশ হয়তো ভালো করেছে কিন্তু এতো জনসংখ্যার দেশ নিয়ে কোন দেশ আমাদের দেশের থেকে ভালো করেছে এটি কিন্তু আজকে পর্যন্ত আমি শুনিনি। এই করোনার মধ্যেও আমাদের উন্নতি কিন্তু থেমে নেই বরং আরও বেড়েছে। বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ ঘটেছে। এ উত্তরণ সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণে। তার সাহসী এবং অগ্রগতিশীল উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কাঠামোগত রূপান্তর এবং উল্লেখযোগ্য সামাজিক অগ্রগতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়নের পথে নিয়ে এসেছে। শেখ হাসিনা যেহেতু আমাদের দেশের হাল ধরে আছেন তাহলে কোন সমস্যায় আর সমস্যা থাকবে না। 

অ্যারোমা দত্ত বলেন, শেখ হাসিনার মতো সুযোগ্য নেতৃত্ব না থাকলে হয়তো আমরা এতো সুন্দর করে বাংলাদেশে করোনা মোকাবিলা করতে পারতাম না। আসলে অনেক কঠিন একটা সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি আমরা তারপরেও এই সময়ের মধ্যে একটা মানুষ আছে যার উপর আমরা সম্পূর্ণ আস্থা রাখতা পারি, ভরসা রাখতে পারি। কার উপর ভরসা রাখতে পারি, তিনি হচ্ছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। উনি পৃথিবীবাসীকে দেখিয়ে দিয়েছেন যে কতোটা মানবিক তিনি। আমার মনে হয় এইরকম দৃষ্টান্ত আরও কেউ করে দেখিয়েছেন কিনা তা আমার জানা নেই। উনার কাছে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলও তার দেশের মানুষ। মানুষ মানুষের জন্য এটার বড় উদাহরণ হচ্ছে তিনি নিজেই। এই রাষ্ট্রের প্রতিটি মানুষ তার কাছে সমান। এবং প্রত্যেকটি মানুষের দায় দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন। এটিই বড় দেশ প্রেম। বাংলাদেশে মহামারি করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা নিয়ে বহির্বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক-নিদের্শনায় বাংলাদেশ বেশ ভালোভাবেই করোনাকে সামাল দিতে সক্ষম হয়েছে। লকডাউনের সময় লাখ লাখ পরিবারের প্রত্যেককে ২৫০০ টাকা করে নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিপুলসংখ্যক জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া সহজ কাজ ছিল না। কিন্তু তিনি সেটা বাস্তবায়ন করে দেখিয়েছেন। বাংলাদেশকে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন মানবতার জননী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুদ্ধবিধ্বস্ত একটি দেশ থেকে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে; যা মোটেও সোজা কাজ না। এসব একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে সম্ভব হচ্ছে। সাড়া বিশ্ব যখন করোনা মহামারিতে বিপর্যস্ত হয়ে আছে সেখানে আসেহ পাশে কি এমন কোন দৃষ্টান্ত আছে যে, সে দেশের হতো দরিদ্র মানুষের জন্য কোন ভাবনা কি আছে? না ভাবতে পারিনি তারা। কারণ সে জায়গাটার প্রতি দায় দায়িত্ব, সে মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সেই মানুষ গুলোকে সব কিছুর উরদ্ধে গিয়ে তাদের জন্য কিছু করা, এবং সে জায়গাটায় আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একেবারে পরিষ্কার করে এটা বাস্তবায়ন করে জাচ্ছেন। 

অধ্যাপক ড. ফারুক মির্জা বলেন, করোনা আসলে একটা বৈশ্বিক সমস্যা।  এই বৈশ্বিক সমস্যা মোকাবিলায় শক্তিধর দেশগুলো যখন হিমশিম খাচ্ছে, তখন শক্ত হাতে শেখ হাসিনা এই অদৃশ্য ভাইরাস সামাল দিচ্ছেন। এখন খারাপ অবস্থা চলছে আমাদের নিকট প্রতিবেশি দেশ ভারতে। ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। করোনাভাইরাসের ভারতীয় ধরন অত্যন্ত শক্তিশালী এবং ক্ষতিকর বলে বিশেষজ্ঞরা বলছেন। রাজ্যে রাজ্যে চলছে মৃত্যুর মিছিল। কিন্তু বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার গৃহীত পদক্ষেপ জাতিসংঘ, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সাময়িকী ফোর্বসসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে তিনি নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন এবং করোনা মহামারির বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছে। একই সাথে দরিদ্র মানুষকে ত্রাণ সহযোগিতার পাশাপাশি জীবিকা ও অর্থনীতি বাঁচাতে নিয়েছেন কার্যকরী পদক্ষেপ। দেশের অর্থনৈতিক গতিশীলতা ধরে রাখতে কৃষি ও শিল্পসহ অর্থনৈতিক খাতগুলোতে সময়োপযোগী প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন। যা বিশ্ব অর্থনীতিতে একটি রোল মডেল হিসেবে পরিগণিত হয়। যার কারণে অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। করোনায় বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যেই রেমিট্যান্স ও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। করোনা দুর্যোগে সবকিছু বন্ধের মধ্যেই প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। এসব কিছুই সম্ভব হয়েছে আমাদের জননেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুযোগ্য নেতৃত্বের কারণে।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভোরের পাতা সংলাপ  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]