বুধবার ১২ মে ২০২১ ২৯ বৈশাখ ১৪২৮

শিরোনাম: অপ্রতিরোধ্য করোনায়ও প্রতিরোধ গড়েছেন শেখ হাসিনা    চাঁদ দেখা যায়নি সৌদিতে, ঈদ বৃহস্পতিবার    মিতু হত্যা মামলায় স্বামী বাবুল আক্তার গ্রেপ্তার    মালয়েশিয়ায় ঈদ বৃহস্পতিবার    মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত চেয়ে আইনি নোটিশ    ৪৩তম বিসিএসের প্রিলি পরীক্ষার তারিখ পেছাল    মন্ত্রীদের বক্তব্য শুধু অশালীন নয়, অমার্জিত ও অগ্রহণযোগ্য: ফখরুল   
লকডাউনে অসহায় দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দারা!
আবুল হোসেন, গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২১, ৮:৫৫ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

করোনার সংক্রমণ রোধে দ্বিতীয় দফায় ১৪ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। করোনার সংক্রমণ রোধে বার বার সবাইকে ঘরে থাকার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান, ফার্মেসী, কাঁচাবাজার ছাড়া সবরকম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় দেশের সর্ববৃহৎ যৌনপল্লিতেও পড়েছে লকডাউনের প্রভাব। করোনার সংক্রমণ বৃদ্ধির কারনে সারা দেশে লকডাউন চলছে। এরই ধরাবাহিকতায় বন্ধ রয়েছে যৌনপল্লীতে খদ্দের আসা-যাওয়া। তার প্রভাবের  মধ্যে আর্থিক সমস্যায় পড়েছেন যৌনকর্মীরা। জরুরী প্রয়োজন ছাড়া কেউ এখান থেকে বাহিরে যেতে পারবেনা, বাহির থেকে কোন লোক পল্লীতে প্রবেশ করবেনা এনটাই নির্দেশনা রয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। যেখানে প্রতিদিন হাজার লোকের আসা-যাওয়া ছিল সেখানে লকডাউনের জেরে খদ্দেরদের দেখা নেই। পুরুষশূণ্য এই পল্লী আজ অসহায়। ফলে আর্থিক অনাটনের মুখে দৌলতদিয়ার যৌনকর্মীরা। এই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধার পেতে তাঁদের ত্রাণ ও আর্থিক সাহায্য প্রয়োজন বলে জানান যৌনপল্লীর বাসিন্দারা। এ পল্লিতে সরকারি হিসেবে েেষাল শত ও বেসরকারি হিসেবে পাঁচ হাজার যৌনকর্মী রয়েছেন।
 
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল তায়াবীর  জানান, সরকার থেকে আমাদের যেসব নির্দেশনা দিয়েছে আমরা তা বাস্তবায়ন করব এবং পল্লির ভেতরে এর ব্যতিক্রম হবে না। যৌনপল্লির বাসিন্দারা জরুরি প্রয়োজনে প্রধান ফটক দিয়ে বাইরে যেতে পারবে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজন মিটিয়ে তাকে ফিরতে হবে।
 
সরেজমিনে শুক্রবার বেলা ১১টার দিকে পল্লীর ভেতরে দেখা যায় , সেখানে কোনো ভিড় নেই, স্বাভাবিক সময়ে যেখানে যৌনকর্মীরা গলির ভেতরে দাঁড়িয়ে থাকেন খদ্দেরদের জন্য, লকডাউনের কারণে তেমন চিত্র দেখা যায়নি। গলির ভেতরে ফাকা , খাবার হোটেল ও  দোকান বন্ধ। যেখানে রাত দিন চলতো গান বাজনা , আজ সেখানে নেই জমজমাট গানের সুর , যৌনপল্লীর গলির ভিতরে লোকশুন্য  হাহাকার করছে। 
 
 যৌনকর্মীদের সংগঠন মুক্তি মহিলা সমিতির সভানেত্রী মোছা. মর্জিনা বেগম বলেন, গত বছর লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে অনেক ত্রাণ ও আর্থিক সহযোগিতা পেয়েছি।  কিন্তু এবার তেমন কোন  সহযোগিতা পাচ্ছিনা। স য় যা ছিল তা অনেক যৌন কর্মী ইতিমধ্যে খরচ করে ফেলেছে। সামনের দিনগুলো কিভাবে কাটবে বুঝতে পারছিনা।
 
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, যৌনপল্লীতে যৌন কর্মীদের জন্য সরকারী ভাবে এখনও ত্রান সামগ্রী বরাদ্দ আসে নাই , বরাদ্দ আসলে অসহায়দের তালিকা করে ত্রান সামগ্রী দেওয়া হবে। 

ভোরের পাতা/এএম 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  দৌলতদিয়া যৌনপল্লী   দৌলতদিয়া যৌনপল্লীর বাসিন্দারা  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]