শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ ৩ বৈশাখ ১৪২৮

শিরোনাম: অভিনেত্রী কবরীর মৃত্যুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক    কবরীর মৃত্যু দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি: রাষ্ট্রপতি    দেশের চলচ্চিত্রে কবরী এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: প্রধানমন্ত্রী    ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ    সারাহ বেগম কবরী আর নেই    আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ ঠেকাতেই হবে    স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে মানবতার ভ্যান চালু   
অল্প বয়সে বিয়ে করার উপকারিতা
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২০ মার্চ, ২০২১, ৩:২৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

যে যাই মনে করুক না কেন, দ্রুত বিয়ে করাই বুদ্ধিমানের মতো কাজ। যৌবনে পা রাখার পর বিয়ে করার ফলে জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। এতে করে ছোটখাটো বিভিন্ন সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আগের থেকে দায়িত্বশীল হয়ে উঠা যায়। এবার তাহলে কম বয়সে বিয়ে করার উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক-

অল্প বয়সে বিয়ে করার ফলে দ্রুত সন্তান নেয়ার চাপ আসবে না। সন্তান জন্মের পর তাদের পড়াশোনা নিয়ে প্রথম থেকেই ভাবতে হবে না। স্বামী-স্ত্রী দু’জন প্রেমিক-প্রেমিকা হয়ে ঘুরে বেড়াতে পারবেন।

কথায় আছে ‘একজনের থেকে দু’জন’ ভালো। বিষয়টি সবারই বুঝতে পারার কথা। সব সুখ-দুঃখ একা ভোগ করার থেকে দু’জন একসঙ্গে ভোগ করার ফলে আনন্দ আরও বেড়ে যায়। এছাড়াও মন খারাপের কথাগুলো কাছের মানুষের সঙ্গে আলোচনা করার ফলে মনও হালকা হয় অনেক। ফলে মানসিক চাপটাও অনেক কম থাকে।

বেশি বয়সে বিয়ে করলে বিভিন্ন সমস্যা হয়। কোনও কোনও নারী বা পুরুষ সন্তান জন্মদানে জটিলতায় পড়েন। গর্ভধারণে সমস্যা হয়। আবার সন্তান জন্মদানের পর তাকে লালন-পালনে যথেষ্ট সময়ও পাওয়া যায় না।

আপনি যদি বয়স ৩০ পার করে বিয়ে করেন, তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই আপনার বয়সের কারণে আপনার মধ্যে যে গাম্ভীর্য চলে আসবে তার জন্য সম্পর্ক খুব বেশি ঘনিষ্ঠ ও মধুর হবে না, বরং ব্যাপারটি তখন এমন হবে যে বিয়ে করার কথা ছিল তাই বিয়ে করেছি,, এ কারণেই আবেগ থাকতে আগেতেই বিয়ে করা উত্তম 

বেশি বয়সে বিয়ে করলে স্বামী স্ত্রী নিজেদের জন্য খুব বেশি সময় পান না, বরং বছর ঘুরতেই সন্তান দায়িত্ব এসে কাঁধে এসে পরে, আর একবার সন্তান হয়েগেল দু'জনে একান্তে কাটানোর মতো সময় হয়ে উঠে না, তাই অল্প বয়সে বিয়ে করলে সঙ্গীর সাথে একান্ত কাটানোর মতো অনেকটা সময় পাওয়া যায়, যার ফলে সম্পর্ক ভালো ও মধুর থাকে।

আজকাল হঠাৎ করেই বিয়ের সিদ্ধান্ত নিতে হয় অনেক পরিবারে। ফলে ডিভোর্সের সংখ্যাও প্রতিনিয়ত বাড়ছে। বিপরীতে যদি অল্প সময়ে বিয়ে করা হয় তাহলে ডিভোর্স হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। আবার ডিভোর্স হলেও নতুন করে জীবনকে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট সময় পেয়ে থাকেন তারা।

সন্তান প্রাপ্ত বয়স হওয়ার পরও বিয়ে না করালে সেই সন্তান অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে সামাজিক সম্মানহানিও হয়। বিপরীতে সন্তানকে যদি অল্প বয়সে বিয়ে দেয়া হয় তাহলে কিন্তু এই ভয় থাকবে না। সন্তান শৃঙ্খলার মধ্যে থাকবে এবং সে দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।


ভোরের পাতা/কে 

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]