শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ ৩ বৈশাখ ১৪২৮

শিরোনাম: অভিনেত্রী কবরীর মৃত্যুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক    কবরীর মৃত্যু দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি: রাষ্ট্রপতি    দেশের চলচ্চিত্রে কবরী এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: প্রধানমন্ত্রী    ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ    সারাহ বেগম কবরী আর নেই    আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ ঠেকাতেই হবে    স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে মানবতার ভ্যান চালু   
শেখ হাসিনায় উদ্ভাসিত সুবর্ণ জয়ন্তীর বাংলাদেশ
#উন্নয়নের রোল মডেলে রূপান্তরিত হয়েছে বাংলাদেশ: মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ। #শেখ হাসিনার ভিশনারি নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছেছে: অধ্যাপক ড. ফারুক মির্জা। #মার্চ মাসের প্রতিটা দিনই ইতিহাস সমৃদ্ধ: অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন। #গৌরবের মার্চ মাস নিয়ে আমরা অনেক গর্বিত: বিপ্লব মুস্তাফিজ।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১ মার্চ, ২০২১, ১০:৩৯ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনায় উদ্ভাসিত সুবর্ণ জয়ন্তীর বাংলাদেশ

শেখ হাসিনায় উদ্ভাসিত সুবর্ণ জয়ন্তীর বাংলাদেশ

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমাদের জন্য একটি সুবর্ণ সংবাদ রয়েছে। সেটি আমাদের গর্বিত করেছে। সেটি হচ্ছে দেশরত্ন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ। এটি আমাদের বাঙালিদের জন্য অনেক বড় গৌরবের বিষয়। বাংলাদেশ ৫০ বছরে আর্থ-সামাজিকভাবে ভালো একটি অর্জনের জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছে।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২৬৫তম পর্বে শনিবার (০১ মার্চ) আলোচক হিসাবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও সামরিক গবেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, বেলজিয়াম এর সভাপতি অধ্যাপক ড. ফারুক মির্জা,  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ বলেন, প্রথমেই আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি ভোরের পাতার সম্পাদক ও আজকের সঞ্চালককে আজকে এমন একটি বিষয় নিয়ে সংলাপ আয়োজন করার জন্য এবং আমাকে আমন্ত্রণ করার জন্য। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমাদের জন্য একটি সুবর্ণ সংবাদ রয়েছে। সেটি আমাকে গর্বিত করেছে। সেটি হচ্ছে বাংলাদেশ এই ৫০ বছরে কতটুকু এগিয়েছে এবং কতটুকু সামনের দিকে অগ্রসর করেছে, যেভাবে আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই দেশটাকে স্বাধীন করে দিয়েছেন এবং তারই যোগ্য কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছে গেল বাংলাদেশ। জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিডিপি) চূড়ান্ত সুপারিশে বাংলাদেশ এলডিসি (স্বল্পোন্নত দেশ) থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে এলো। এটি একটি গর্বের বিষয় এটি কিন্তু সুস্পষ্ট। আপনারা যদি লক্ষ্য করেন, এই অর্জনটি পেতে হলে কতগুলো সূচক আছে যেমন, মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং অর্থনীতির ভঙ্গুরতা। এই তিনটি সূচকের মধ্যে অন্তত দুটি সূচকে মানদণ্ড পূরণ করতে পারলে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পাওয়া যায়। স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ একমাত্র দেশ ২০১৮ এবং ২০২১ সালে তিনটি সূচকের সবগুলো পূরণ করেছে, যার কারণে উত্তরণের সুপারিশ প্রাপ্ত হওয়ার গৌরব এসেছে। এটি আমাদের বাঙালিদের জন্য অনেক বড় গৌরবের বিষয়। ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ, ২৫ মার্চ পাকিস্তানি জান্তার সার্চলাইট অপারেশন চালিয়ে নির্বিচারে বাঙালি নিধন, বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিম পাকিস্তানে নিয়ে যাওয়া, গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা—সর্বোপরি মুক্তিকামী জনতা একটি স্বাধীন-সার্বভৌম দেশের জন্য আনুষ্ঠানিক রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রাম শুরু করে এই মার্চ থেকেই। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে যে ম্যান্ডেট তিনি পেয়েছিলেন বস্তুত সেই ম্যান্ডেটই তাঁকে প্রচণ্ডরূপে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল। এর পর থেকেই আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য নানা কূটকৌশল চালাতে থাকে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী। আজকে আমরা যখন এগিয়ে যাচ্ছি সেখানে উন্নয়ন আর স্বাধীনতা এইদুটোকে আমরা যখন একসাথে মিলিয়ে দেখছি তখন বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী, এদিক দিয়ে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং আমাদের যে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছে যাওয়া; সব মিলিয়ে বাংলাদেশ বর্তমানে যে অবস্থানে দাড়িয়ে আছে সেখানে আমাদের ভূ-রাজনীতি ও পররাষ্ট্রনীতি আছে তার মেরুকরণে আমরা যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছি সেখানে আমরা উন্নয়নের রোল মডেলে রূপান্তরিত হচ্ছি। 

অধ্যাপক ড. ফারুক মির্জা বলেন, আজকে অগ্নিঝরা মার্চ মাসের প্রথম দিন। বাঙালির জাতীয় জীবনে দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম, শোষণ-বঞ্চনা আর ত্যাগ-তিতিক্ষার সুদীর্ঘ পথ ধরেই শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ। দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও লাখ লাখ সাধারণ মানুষ ভারতে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় অংশ গ্রহণ করে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা থেকে শুরু করে তার স্বাধীনতার সংগ্রাম পর্যন্ত আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে ভূমিকা ছিল তাতে আমাদের আজ এই বর্তমান বাংলাদেশের সৃষ্টির বাহন। আজ জাতিসংঘ বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা দিয়েছে। তবে যেটি দেখা ও বোঝার বিষয়, তা হচ্ছে ভিশনারি-মিশনারি রাজনৈতিক নেতৃত্ব যখন দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছে, উন্নয়ন ও মানবকল্যাণের ধারণা বাস্তবায়নে কাজ করেছে, তখনই বাংলাদেশ অগ্রগতির চাকা দ্রুত ঘোরাতে পেরেছে। ১৯৭১ থেকে ২০২১। বাংলাদেশের এ ৫০ বছরকে নানা সূচকে অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিবাচক দিক খুঁজে পাওয়া যায়। ১৯৭০ সালে স্বাধীনতা-পূর্ব সময়ে বাংলাদেশের জিডিপি ছিল শুধু ৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২১ সালে এসে তা বহুগুণে বেড়েছে। ইতিমধ্যেই স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েছে বাংলাদেশ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির ৫ দিনব্যাপী বৈঠকের সমাপনী দিনে এলডিসি থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে পদার্পণের সুপারিশ করা হয়। ফলে জাতিসংঘের বিচারে চূড়ান্তভাবে স্বল্পোন্নত দেশ বা এলডিসি থেকে বের হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ।

অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন বলেন, মার্চ মাস আসলেই আমার মনে ভেসে উঠে একটি নাম একটি চেহারা সেটি হলো আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৫০ বছর আগে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে পাকিস্তানের ২৩ বছরের জেল, জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন, শোষণ ও নির্যাতনের ইতিহাস বর্ণনা করে বাংলাদেশের স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণে দৃঢ় প্রত্যয় নিয়ে ঘোষণা করেছিলেন: ‘এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ তিনি দেশবাসীকে আহ্বান জানিয়ে বলেছিলেন, যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য। তিনি বলেছিলেন: ‘ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোল।’ এই মার্চ মাসের শুরুতেই যেভাবে সব বাঙ্গালিরা বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণের পর সাড়া বাংলার মানুষ যেভাবে একত্রিত হয়েছিল তার জন্য আমার কাছে মনে হয় এই মার্চ মাসের শুরু থেকেই এই আন্দোলন সংগ্রামের বীজ বপন হয়েছিল। একাত্তরের মার্চ ছিল মুক্তিকামী কোটি জনতার আন্দোলনে উত্তাল। সেদিন ঢাকা ছিল স্লোগানের। ‘জাগো জাগো, বাঙালী জাগো’,স্বাধীনতার মাস মার্চ এবার এসেছে ভিন্ন বার্তা নিয়ে।  স্বাধীনতার ৫০ বছর এ মাসেই পূর্ণ হচ্ছে। ২৬ মার্চ স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। বাংলাদেশ ৫০ বছরে আর্থ-সামাজিকভাবে ভালো একটি অর্জনের জায়গায় পৌঁছাতে পেরেছে। একসময় পৃথিবীর অনেক দেশ বাংলাদেশকে হতদরিদ্র বলে আখ্যায়িত করত। এখন এই দেশটিই মধ্যম আয়ের দেশে পদার্পণ করার কৃতিত্ব অর্জন করেছে। আজকে শিক্ষা বলেন, চিকিৎসা বলেন, রাজনীতি বলেন সমস্ত জায়গায় মেধার সাক্ষরতা রাখছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই বাংলা জাতির মানুষেরা।

বিপ্লব মুস্তাফিজ বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাংলাদেশে বড় ডিক্লারেশন হলো রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ ৫০ বছর সাড়া পৃথিবীতে তার শক্তিমত্তা ও একটি রাষ্ট্রের জনগোষ্ঠীর যে লড়ে আসার ইতিহাস সেটি প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে এবার মাসটি পালিত হবে ভিন্ন আঙ্গিকে। দীর্ঘ ৯ মাস একটানা মুক্তি সংগ্রামের পর বাংলাদেশ তার স্বাধীনতার সূর্যের আলোয় উদ্ভাসিত হয় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ। ১৯৭১ সালের এ মার্চেই ডাক এসেছিল বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের। বাংলার অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীন জাতি হিসেবে বিশ্বের মানচিত্রে স্থান করে নেওয়ার চূড়ান্ত সংগ্রামে। এই মাসের ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধু তাঁর বজ্রনিনাদ কণ্ঠে ঘোষণা করেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ এই ঘোষণার পর বাঙালির মধ্যে দেখা গেল এক নতুন উজ্জীবন। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণেই বঙ্গবন্ধু ‘যার যা আছে’ তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বললেন। ‘আমি যদি হুকুম দেবার নাও পারি’ বলে তিনি আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলার আহ্বান জানালেন। এই দুর্গ গড়ে তোলার অর্থ যে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশনা তা বুঝতে কারো বাকি রইল না। শত্রুর মোকাবিলা করার দৃপ্ত আহ্বানও ভেসে উঠল তাঁর বজ্রকণ্ঠে। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা ছিল বাঙালির মহত্তম অর্জন। এবারের মার্চ এসেছে এমন একসময়, যখন নানা ক্ষেত্রেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্য জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। এ উপলক্ষে গত শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে এ সুসংবাদ দেন। এ সময় তিনি যেসব কথা বলেন তাও প্রণিধানযোগ্য। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পূর্ণ যোগ্যতা অর্জন করেছি। সমগ্র জাতির জন্য এটা অত্যন্ত আনন্দের এবং গর্বের। আমাদের এই উত্তরণ এমন এক সময়ে ঘটলো, যখন আমরা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি; আমরা মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপনের দ্বারপ্রান্তে।"  স্বাধীনতার ৫০ বছরে এ প্রাপ্তি বিরাট অর্জন।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভোরের পাতা সংলাপ     







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]