শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ ৩ বৈশাখ ১৪২৮

শিরোনাম: অভিনেত্রী কবরীর মৃত্যুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক    কবরীর মৃত্যু দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি: রাষ্ট্রপতি    দেশের চলচ্চিত্রে কবরী এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: প্রধানমন্ত্রী    ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ    সারাহ বেগম কবরী আর নেই    আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ ঠেকাতেই হবে    স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে মানবতার ভ্যান চালু   
সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ৩:৪২ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় কারাবন্দি অবস্থায় লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড আখ্যা দিয়ে তার হত্যার বিচারের দাবিতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে শাহবাগ অবরোধ প্রত্যাহার করেছে গতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। দাবি আদায়ে তারা শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টায় মশাল মিছিল এবং লেখক মুশতাকের মৃত্যুর বিষয়টি আগামী সোমবারের মধ্যে পরিষ্কার না করলে আগামী সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ঘেরাও করবেন বলে তারা জানিয়েছেন। 

বাম সংগঠনগুলোর মোর্চা প্রগতিশীল ছাত্রজোটের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (বাসদ) কেন্দ্রীয় সভাপতি আল কাদেরী জয় এ প্রতিবাদী কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্বদ্যিালয় থেকে মুশতাক হত্যার বিচারের দাবিতে মিছিল নিয়ে রাজধানীর শাহবাগে যান প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা হত্যার প্রতিবাধে শাহবাগ অবরোধ করলে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। 

তাদের বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয়, ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন প্রিন্স, পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক অমল ত্রিপুরা প্রমুখ, ছাত্র ইউনিয়নের রাগীব নাইম প্রমুখ।

এ সময় লেখক মুশতাক আহমেদকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি আল কাদেরী জয় বলেন, লেখক মুশতাক আহমেদ সাধারণভাবে মৃত্যুবরণ করেননি। এই সরকারের কারণে তিনি তিলে তিলে মারা গেছেন। আমরা অবিলম্বে মুশতাক আহমেদের খুনের বিচার চাই। 

আল কাদেরী জয় আরো বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের নামে বাংলাদেশের মানুষের কণ্ঠরোধ করা হয়েছে। প্রতিবাদের ভাষাকে পঙ্গু করে দেয়া হয়েছে ৷ এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বন্ধ করতে হবে। 

তিনি বলেন, পুরো দেশটাকে পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করা হয়েছে। এ পুলিশি রাষ্ট্রের বলি লেখক মুশতাক আহমেদ। আমরা প্রতিবাদ না করলে এই ঘটনা বন্ধ হবে না। আরো ঘটতে থাকবে। এ সময় তিনি সবাইকে এ ঘটনায় বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান। 

নাসির উদ্দীন প্রিন্স বলেন, ছাত্ররা যখন পরীক্ষার জন্য রাস্তায় দাঁড়াচ্ছে তখন তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। আমরা সরকারি এই নিপীড়নের প্রতিবাদ জানাই। 
ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাহির শাহরিয়ার রেজা বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর থেকে ক্রসফায়ার, গুম, খুনের সংখ্যা বেড়েছে বহুগুণ। বেড়েছে বিচারবহির্ভূত হত্যা। মানুষের কথা বলার অধিকার নেই, জীবনের নিরাপত্তা নেই। আওয়ামী লীগ তাদের রাজত্ব কায়েম করে রাখার জন্য ভিন্নমতের দমনের জন্য যা যা করার দরকার সব করছে।

ছাত্র ইউনিয়নের রাগীব নাইম বলেন, যে রাষ্ট্র কাঠামো আমাকে কথা বলতে দেয় না, নিরাপদে থাকতে দেয় না; সে রাষ্ট্র আমি চাই না। আপনারা সমাবেশ এসে আওয়াজ তুলেন- এই রাষ্ট্র কাঠামো ভেঙে দিতে হবে। 

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে খক মুশতাক আহমেদ কাশিমপুর কারাগারে মারা যান। তিনি র‍্যাবের করা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় আটক ছিলেন। গত বছরের মে মাস থেকে গুরুতর অসুস্থ মুশতাক আহমেদ কারাবন্দি ছিলেন। তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  সোমবার    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়    ঘেরাও  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]