শনিবার ১৭ এপ্রিল ২০২১ ৩ বৈশাখ ১৪২৮

শিরোনাম: অভিনেত্রী কবরীর মৃত্যুতে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর শোক    কবরীর মৃত্যু দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি: রাষ্ট্রপতি    দেশের চলচ্চিত্রে কবরী এক উজ্জ্বল নক্ষত্র: প্রধানমন্ত্রী    ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ    সারাহ বেগম কবরী আর নেই    আওয়ামী লীগে অনুপ্রবেশ ঠেকাতেই হবে    স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে মানবতার ভ্যান চালু   
ভ্যাকসিন কূটনীতিতে শেখ হাসিনার ভূমিকা অনন্য
#করোনা ভ্যাকসিনেশনে শতভাগ সফল বাংলাদেশ: সৈয়দ মোজাম্মেল আলী। #সারা বিশ্বে বাংলাদেশের করোনা ম্যানেজমেন্ট প্রক্রিয়া প্রশংসিত হয়েছে: অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবদুল আজিজ। #বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিনেশনের মিরাকেল হয়েছে: অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান। #করোনা ভ্যাকসিন প্রাপ্তি ও প্রয়োগে সাফল্য বাংলাদেশ: অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া।
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১০:৩৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ভ্যাকসিন কূটনীতিতে শেখ হাসিনার ভূমিকা অনন্য

ভ্যাকসিন কূটনীতিতে শেখ হাসিনার ভূমিকা অনন্য

করোনা মহামারি মোকাবেলায় সরকার শুরু থেকেই সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। জনগণের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল সাপোর্টে শুরু থেকেই আমাদের শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছিলেন যার সুফল এখন আমরা ভোগ করছি। এই সাফল্যের দুটি কারণের জন্য হয়েছে। একটি হচ্ছে করোনা ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। 

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২৬১তম পর্বে বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) আলোচক হিসাবে উপস্থিত হয়ে এসব কথা বলেন যুক্তরাজ্য স্টাডি সার্কেলের চেয়ারপার্সন ও যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি সৈয়দ মোজাম্মেল আলী,  স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) এর মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবদুল আজিজ,  ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান,  জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রগতিশীল শিক্ষক সংগঠন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (নীলদল) এর সভাপতি, লাইফ এন্ড আর্থ সাইন্স অনুষদের প্রাক্তন ডিন অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

সৈয়দ মোজাম্মেল আলী বলেন, যুক্তরাজ্যে আজ পর্যন্ত ৯০ মিলিয়ন মানুষকে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে। বয়স ক্রমানুযায়ী আমাদেরকে এখানে ভ্যাকসিন দেওয়া হচ্ছে। এখানে আজ পর্যন্ত ৪ মিলিয়নের অধিক মানুষ করোনা আক্রান্ত হয়েছে, এবং মারা গিয়েছে ১ লক্ষ ২২ হাজারের মতো। বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিন কার্যক্রম সম্বন্ধে আমি যতটুকু জানি, এখানে বর্তমানে সরকার ৪০ উর্ধ্বে সবাইকে করোনার ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য প্রেরণা দিচ্ছে। এবং বাংলাদেশে বর্তমানে এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ও মৃত্যুর সংখ্যা অনেক কম অন্যান্য দেশের তুলনায়। বাংলাদেশে সামাজিক দূরত্ব এতো বজায় রাখা হচ্ছে না যতটুকু আমরা অন্যান্য দেশে দেখছি। কিন্তু বাংলাদেশে সামাজিক দূরত্ব না মানা সত্ত্বেও এখানে মানুষের মধ্যে করোনা সংক্রমণ অনেক কম। আমরা যদি অন্য দেশের সাথে বাংলাদেশের তুলনা করি, একটি বিষয় দিবালোকের মতো স্পষ্ট হবে যে বাংলাদেশের সরকার এই মরণঘাতি ভাইরাস নিয়ন্ত্রণে সফলতার সাথে কাজ করেছে। সরকারের এই সফলতার কারণে ব্লুমবার্গ এর কোভিড-১৯ রেসিলিয়েন্স র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশ প্রশংসিত হয়েছে। মারাত্মক ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সরকারের সাফল্যের স্বীকৃতি হিসাবে জার্মানি, যুক্তরাজ্য, নরওয়ে এবং ভারতসহ অনেক উন্নত ও প্রতিবেশী দেশকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ কোভিড-১৯ রেসিলিয়েন্স র‌্যাংকিং এ বিশ্বের ২০টি সফল দেশের তালিকায় স্থান পেয়েছে। এমনকি কোভিড-১৯ এর মৃত্যুর হারও বিশ্বের অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বেশ কম। আর ভ্যাকসিনের কথা বলতে গেলে বলা যায়, পৃথিবীর ১৯৩টি দেশের মধ্যে এখন পর্যন্ত ১৩০টি দেশে ভ্যাকসিন কার্যক্রম শুরু হয়নি সেখানে বাংলাদেশে শুধু করোনা ভ্যাকসিন শুরুই হয়নি এখন পর্যন্ত ৩ মিলিয়নের অধিক লোককে ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবদুল আজিজ বলেন,  করোনা মহামারি মোকাবেলায় সরকার শুরু থেকেই সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। জনগণের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত সকল সাপোর্টে শুরু থেকেই আমাদের জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী উদ্যোগ নিয়েছিলেন যার সুফল এখন আমরা ভোগ করছি। মহামারির প্রাথমিক পর্যায়ে কোভিড-১৯ মহামারির অর্থনৈতিক এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কিত সকল কার্যক্রমে শেখ হাসিনার বিশ্বাসযোগ্য ও যোগ্য নেতৃত্বের কারণে দেশে প্রাণঘাতী ভাইরাসের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার সফল হয়েছে। করোনা মহামারির শুরুতেই জননেত্রী শেখ হাসিনা সিটিজেন গ্লোবাল ফান্ডে অর্থ জমা দিয়েছিলেন এই করোনা ভ্যাকসিন দেশে আনার জন্য। এমনকি যে সকল জায়গায় করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে গবেষণা হচ্ছিল সেখানে কিন্তু আমাদের সরকার যোগাযোগ রেখেছিল এবং সেসব জায়গায়ও কিন্তু টাকা জমা দেওয়া হয়েছিল। করোনা মোকাবেলার ক্ষেত্রে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করেননি তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথম দিক থেকেই আমাদের দেশে কিছু কুচক্রীরা দেশের এই করোনা পরিস্থিতি নিয়ে নানা রকম সমালোচনা করেছিল কিন্তু ব্লুমবার্গ বলেন, ফোর্বস বলেন আর অন্যান্য সংস্থার জরিপ যাদের কথায় বলেন না কেন, তারা সবাই কিন্তু আমাদের করোনা ম্যানেজমেন্টসহ এখন করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশ প্রশংসা পাচ্ছে। পরবর্তী সময়ে আমাদের দেশে করোনা ভ্যাকসিনেশন নিয়ে নানমুখী চ্যালেঞ্জ ছিল যে, কখন ভ্যাকসিন আসবে, আদৌ আসবে কিনা। ভ্যাকসিন যখন দেশে চলে আসলো তখন তারা বলা শুরু করল, এই ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা আছে কিনা, এই ভ্যাকসিন গিনিপিগের মতো ব্যবহার করবে, এই ভ্যাকসিনে পানি আছে নাকি শুকুরের চর্বি আছে কিনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তকারীরা একটা অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। সব জল্পনা কল্পনার পরে কিন্তু আমাদের দেশে ভ্যাকসিন আসলো এবং ২৭ তারিখ সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভ্যাকসিন প্রদান কর্মসূচী উদ্বোধন করলেন। এসব গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে আমাদের দেশে যে “সুরক্ষা অ্যাপ” তৈরি হয়েছে সেখানে নিবন্ধন করুন। নিজে সুরক্ষিত থাকুন এবং অন্যকেও সুরক্ষিত রাখুন।

অধ্যাপক ড. শাহিনুর রহমান বলেন, বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিনেশন নিয়ে যে মিরাকেল হচ্ছে তা একমাত্র সম্ভব হয়েছে আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য তনয়া জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে। করোনাভাইরাস মহামারি থেকে মানুষের জীবন বাঁচাতে, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে শুরু থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন পদক্ষেপ নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে দরিদ্র মানুষকে ত্রাণ সহযোগিতার পাশাপাশি জীবিকা ও অর্থনীতি বাঁচাতে নিয়েছেন নানান পদক্ষেপ। করোনা সংকট মোকাবিলায় দ্রুত বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়ায় দেশের বাইরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হচ্ছেন শেখ হাসিনা। যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ফোর্বস ম্যাগাজিনসহ আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রশংসা করা হয়েছে। গত ২৭ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালের সেবিকা রুনু ভেরোনিকা কস্তাকে কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন প্রদানের মাধ্যমে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের করোনাভাইরাস টিকাদান কর্মসূচি। এরপর থেকেই সারা বিশ্বে বাংলাদেশকে নিয়ে জয়জয়কার ধ্বনি চলছে। গত কয়েক মাসে কোভিড-১৯ মহামারি ছাড়াও সরকারকে কিছু প্রাকৃতিক বিপর্যয়েরও মুখোমুখি হতে হয়েছে। সরকার সময়মতো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ায় এ সকল চ্যালেঞ্জ সফলভাবে মোকাবিলা করাও সম্ভব হয়েছে। দেশে বন্যা এবং নদীভাঙন খুব খারাপের দিকে মোড় নিয়েছিল। কিন্তু সরকারের সময়োচিত কিছু পদক্ষেপের কারণে এ সঙ্কট দক্ষতার সাথে মোকাবেলা করা হয়েছে। গণটিকা কার্যক্রমকে আরও সহজ করতে সরকার চালু করেছে 'সুরক্ষা অ্যাপ'। টিকা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনার অভয়বাণী, বলিষ্ঠ বক্তব্য এবং কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন সবচেয়ে নিরাপদ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়হীন হওয়ায় জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকাগ্রহণ করে টিকাদান কর্মসূচি সাফল্য অর্জন করছে।

অধ্যাপক ড. জাকারিয়া মিয়া বলেন, আজকের ভোরের পাতা সংলাপের বিষয় ভ্যাকসিন সাফল্যে বাংলাদেশ সম্বন্ধে আমি আমার মতো বলতে চাই যে, ভ্যাকসিন প্রাপ্তি ও প্রয়োগে সাফল্য বাংলাদেশ। এই সাফল্যের দুটি কারণের জন্য হয়েছে। একটি হচ্ছে করোনা ম্যানেজমেন্টের ব্যবস্থাপনা ও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা। আর একটা প্রাকৃতিক বিষয় যোগ করতে চাচ্ছি, যেটা হলও আল্লাহ‌র রহমত। সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে দীর্ঘ এক বছর ধরে লড়াই করছে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ। বিশ্বের উন্নত কিছু দেশে ডিসেম্বরে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও অনেক দেশ এখনো টিকার সরবরাহ পায়নি। বিশ্বের বড় বড় দেশ যখন এখনো করোনার টিকা প্রদান কার্যক্রম শুরু করতে ব্যর্থ। সারা বিশ্ব যখন টিকার সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য হিমশিম খাচ্ছে, তখন করোনা প্রতিরোধের লড়াইয়ে সফলতার দিক থেকে প্রথম থেকেই সম্মুখ সারিতে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১-এ দেশব্যাপী আনুষ্ঠানিকভাবে করোনাভাইরাসের গণটিকা কার্যক্রম শুরুর মধ্য দিয়ে করোনাভাইরাস মোকাবেলায় বাংলাদেশের ইতিহাসে রচিত হলো নতুন মাইলফলক। আমাদের দেশের গণ টিকা প্রদানের ক্ষেত্রে অসাধারণ সাফল্য অর্জনের পূর্ব অভিজ্ঞতা রয়েছে। সুতরাং, স্থানীয় পর্যায়ে এবং শহরগুলোতে রাস্তায় এবং বস্তিতে বসবাসকারী মানুষদের ঘরে ঘরে গিয়ে নিবন্ধন এবং টিকা দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রশিক্ষিত মানবসম্পদ রয়েছে। সরকারের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে বাংলাদেশে অনেক নেতিবাচক অপপ্রচার করা হয়েছিল। এমনটিও বলা হয়েছিল যে ভিভিআইপিরা এই টিকা গ্রহণ না করে সাধারণের ওপর পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অনুসন্ধান চালাবে। কিন্তু সেই অপপ্রচারকে ভুল প্রমাণিত করে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ অসংখ্য বিশিষ্ট নাগরিক স্বেচ্ছায় এই টিকা গ্রহণ করছেন। সকল দ্বিধাদ্বন্দ্ব পার করে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে টিকা গ্রহণ করছেন।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »


আরও সংবাদ   বিষয়:  ভোরের পাতা সংলাপ   ভ্যাকসিন   শেখ হাসিনা  







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]