রোববার ৭ মার্চ ২০২১ ২২ ফাল্গুন ১৪২৭

শিরোনাম: লিওনেল মেসি ফেব্রুয়ারির সেরা খেলোয়াড়     বিএনপিকে ৭ মার্চ পালন করায় ধন্যবাদ তথ্যমন্ত্রীর    বিজিবির সঙ্গে সংঘর্ষে সীমান্তে নিহত ১    ১৭ মার্চ দেশে বিদেশিদের টিকা নিবন্ধন শুরু     দেশব্যাপী গণসংযোগ করার ঘোষণা ড. কামালের    সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি মমতাজ আহমেদ বাপী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সুজন    দিল্লির শৃঙ্খলে আবদ্ধ বাংলাদেশ : গয়েশ্বর   
শেখ হাসিনায় আলোকিত পুরো বাংলাদেশ
#বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে কাজ করছে শেখ হাসিনার সরকার: ড. সিদ্দিকুর রহমান। #বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে সকল গৃহহীনদের ঘর প্রদান করবেন শেখ হাসিনা: অধ্যাপিকা অপু উকিল। #বাংলাদেশের সকল মানুষের আশার বাতিঘর শেখ হাসিনা: অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন।
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:০৩ পিএম আপডেট: ২৫.০১.২০২১ ১:৩৯ এএম | অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনায় আলোকিত পুরো বাংলাদেশ

শেখ হাসিনায় আলোকিত পুরো বাংলাদেশ

জননেত্রী শেখ হাসিনার ‘মুজিববর্ষ’র অঙ্গীকার অনুসারে ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে তিনি ২৩ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে দেশের ৬৪ জেলার ৪৯২টি উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ৬৯ হাজার ৯০৪ জন ভূমিহীন ও গৃহহীনকে পাকাঘর প্রদান কার্যক্রমের প্রথম পর্যায়ের শুভ উদ্বোধন করেন। আজকে করোনা মহামারী সময়েও শেখ হাসিনার কল্যাণে বাংলাদেশ করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম এবং বিশ্বে ২০তম দেশ হিসেবে সফল হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই করোনাভাইরাসের মধ্যেও অর্থনীতি চাকা থেমে থাকেনি। বরং এই খাতে বাংলাদেশ সফল হয়েছে।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২২৯তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা। রবিবার (২৪ জানুয়ারি) আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভাপতি ড. সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপিকা অপু উকিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ। দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২২৭তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা।

ড. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, প্রথমেই আমি ভোরের পাতাকে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ ও যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সকল নেতাকর্মীদের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি আজকে এতো সুন্দর একটি আয়োজনে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য। বাংলাদেশে যে উন্নয়ন বাংলাদেশের বর্তমান যে অবস্থা আছে তা সুন্দর করে তুলে ধরা হচ্ছে ভোরের পাতা সংলাপের মাধ্যমে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদেরকে একটি দেশ দিয়ে গিয়েছেন। তিনি সহ তার পুরো পরিবারের সদস্যদেরকে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে হত্যা করার পরে বাংলাদেশ ২৬ বছর পিছিয়ে যায়। আজকে আমরা উপলব্ধি করতে পারছি বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে কিন্তু এই অর্জনটা সেই ২৬ বছরের সময় অর্জন করতে পারতাম। সেই ২৬ বছরে আমরা হাজার হাজার নেতা কর্মী  হারিয়েছি। গত ১২ বছরে দেশের যেমন উন্নয়ন-অগ্রগতি হয়েছে, তেমনি প্রতিটি মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হয়েছে। দারিদ্র্য কমেছে বহুলাংশে, বাংলাদেশে এখন ছেঁড়া কাপড় পরা, খালি পায়ে মানুষ দেখা যায় না। ১২ বছর আগে আমরা বলতাম ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত দেশ বিনির্মাণ করব। জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে ইতোমধ্যে ক্ষুধাকে জয় করে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রায়, স্বল্পোন্নত থেকে উন্নীত মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আমাদের একটি দেশ দিয়েছেন এবং তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে গত ১২ বছরে যে অবস্থানে এনে দিয়েছেন বিশেষ করে এই করোনার মধ্যেও এর গতি থামাতে দেননি। এই অগ্রগতিটাকে চলন্ত রাখতে হলে আমার আপনার সহ সকলের দায়িত্ব যে তার হাতকে আরও শক্তিশালী করা। আমরা যারা আওয়ামী লীগ করি, আমরা যারা ছাত্রলীগ করি, আমরা যারা স্বেচ্ছাসেবক লীগ করি, আমরা যারা কৃষক লীগ করি, আমরা যারা যুবলীগ করি তাদের সবার দায়িত্ব যে ১৯৭৫ সালের পরে বাংলাদেশে যে সময়টা এসেছিল তা যেন কোনভাবেই আবার ফিরে না আসতে পারে তা খেয়াল রাখা। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশের উন্নয়ন সাফল্য প্রমাণ করেছে যে বলিষ্ঠ নেতৃত্ব, সঠিক পরিকল্পনা কৌশল ও নিবেদিত প্রচেষ্টায় দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নেয়া সম্ভব। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অব্যাহত, বলিষ্ঠ ও অবিচল নীতি-নেতৃত্বে রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে পরিকল্পিত উন্নয়নের পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আজকে আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং বাংলাদেশের সরকার প্রধান শেখ হাসিনা গৃহহীনদের ঘর দিয়ে, আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে। তাঁর কারণেই অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফুটেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশের ব্যাপক উন্নয়ন দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রশংসিত হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলেও।

অধ্যাপিকা অপু উকিল বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এই দেশটি স্বাধীন করে তিনি যে স্বপ্নটি দেখেছিলেন যে, দেশটিকে একটি সোনার বাংলায় রুপান্তর করবেন। অর্থাৎ প্রতিটি মানুষ যেন তার যে মৌলিক চাহিদা আছে তা যেন পায়। অর্থাৎ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান, অন্ন তারা পান এবং গৌরবের সঙ্গে মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে যেন দাড়াতে পারে। কিন্তু জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে সেটা বাস্তবায়ন করা একটু দেরি হয়ে যায়। যদিও ৭২'র সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে যে তিন বছর দেশ পরিচালনা করেছিলেন তার মাধ্যমে প্রতিটি সেক্টরে কিভাবে উন্নয়ন করবেন তার রুপ রেখা তিনি করে দিয়ে গিয়েছিলেন। এবং সে ধারাবাহিকতা ৭৫'র এর পরে বিচ্যুতি হয়েছিল যদিও তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়ে সে ধারাবাহিকতা বজায় রাখেন। সে সময় মেজরিটি পারসন পার্লামেন্টে না থাকায় অনেক কিছু নিয়ে সমস্যা হচ্ছিলো। ২০০৯ সালে তিনি আবার দ্বিতীয় বারের মত প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পরে যে বাংলাদেশকে তিনি মাথা তুলে দাঁর করানোর প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন তা আবার অব্যাহত করেন। বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় থাকলে দেশের সম্পদ লুটেপুটে খায়, দুর্নীতি ও সন্ত্রাস করে, বিদেশে অর্থ পাচার করে। আর ক্ষমতায় না থাকলে দেশ অস্থিতিশীল করতে আগুন সন্ত্রাস চালিয়ে মানুষ হত্যা করে। ২০২০ সালে তিনি এই বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশে পরিণীত করেছেন এবং অচিরেই মধ্যম আয়ের বাংলাদেশে উন্নত করবেন এবং ইতিমধ্যে উন্নত বাংলাদেশের রুপ রেখা বাস্তবায়ন হয়ে গিয়েছে। আজ জননেত্রী শেখ হাসিনার ‘মুজিববর্ষ’র অঙ্গীকার অনুসারে ও বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নপূরণে তিনি ২৩ জানুয়ারি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে দেশের ৬৪ জেলার ৪৯২টি উপজেলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে ৬৯ হাজার ৯০৪ জন ভূমিহীন ও গৃহহীনকে পাকাঘর প্রদান কার্যক্রমের প্রথম পর্যায়ের শুভ উদ্বোধন করেন। আগামী মাসে আরও এক লাখ পরিবার বাড়ি পাবে। হস্তান্তরকৃত প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ ও সুপেয়পানি সরবরাহের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। প্রতিটি জমি ও বাড়ির মালিকানা স্বামী-স্ত্রীর যৌথ নামে দেয়া হচ্ছে। দেশের গৃহহীন প্রতিটি মানুষ ঘর না পাওয়া পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। এই মুজিব বর্ষের মধ্যেই সকল গৃহহীনদের মাঝে এই ঘর প্রদান করবেন। এর মধ্য দিয়ে জাতির জনকের যে স্বপ্ন, প্রত্যেকটি মানুষ বাসস্থান পাবে; সেটি শেখ হাসিনা ইতিমধ্যে পূরণ করে যাচ্ছেন। 
অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন বলেন, মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমি প্রথমেই শ্রদ্ধা জানাচ্ছি স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি। আজকের সংলাপের বিষয়টি অত্যন্ত সময়োপযোগী বিষয়। আজকে বাংলাদেশের যে অভূতপূর্ণ উন্নয়ন তার পিছনে প্রেরণা হিসেবে কাজ করছেন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার জীবন-যৌবন সব কিছু উৎসর্গ করে এই বাঙলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য কাজ করে গিয়েছেন। আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনা, তার এই ৭৪ বছর বয়সেও প্রতিদিন ১৮ ঘণ্টা পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৮১ সালে দেশে ফিরে এসে আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে দলীয় প্রধানের দায়িত্ব নেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। এরপর ৩৮ বছর ধরে নিজ রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও আপোষহীন নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশের রাজনীতির মূল স্রোতধারার প্রধান নেতা হিসেবে তিনি নিজেকে শুধু উপমহাদেশেই নয়, বিশ্ব নেতৃবৃন্দের নজর কাড়েন। তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য রাজনৈতিক জোট-দলগুলো ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে চূড়ান্ত বিজয়ী হয়। ১৯৯৬ সালের ১২ জুন আন্দোলন-সংগ্রাম করে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেই বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেন। গণতন্ত্র ও দেশের মানুষের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন-সংগ্রামে অসামান্য অবদান রাখার পাশাপাশি রাষ্ট্র পরিচালনায়ও ব্যাপক সাফল্যের পরিচয় দিতে সক্ষম হয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। ২০২০ সাল জুড়েই সারা পৃথিবীতে মহামারি করোনাভাইরাস তাণ্ডব চালিয়েছে। এর ছোবল থেকে বাদ যায়নি বাংলাদেশও। তবে চীনে করোনাভাইরাস আবির্ভাবের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা করোনা মোকাবিলায় কাজ শুরু করেন। যার কল্যাণে বাংলাদেশ করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম এবং বিশ্বে ২০তম দেশ হিসেবে সফল হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই করোনাভাইরাসের মধ্যেও অর্থনীতি চাকা থেমে থাকেনি। বরং এই খাতে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন উদাহরণ দেওয়ার মতো একটি দেশে রূপান্তরিত হয়েছ। বর্তমানে এই সময়ে মুদ্রাস্ফীতি ৫.৬৫%। রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান এই মুহূর্তে অষ্টম। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং আমি অত্যন্ত আশাবাদী এই মুজিব শতবর্ষে আমাদের রিজার্ভের পরিমাণ ৫০ বিলিয়ন অতিক্রম করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। গত তিন মাসে আমরা সৌদি আরব থেকে ৫১ হাজার কোটি টাকার রেমিটেন্স পেয়েছি। আজকে আমাদের দেশে কৃষির এক অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছি। আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে ৪০.৬% অবদান রাখে এই কৃষি খাত। আমাদের দেশে এখন শিশু শিক্ষার হার শতভাগে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। গণতন্ত্র, শান্তি ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং নারী শিক্ষার বিস্তার, শিশুমৃত্যুর হার হ্রাস ও দারিদ্র্য বিমোচনের সংগ্রামে অসামান্য ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে দেশি-বিদেশি বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আমি বিশ্বাস করি আমাদের মমতাময়ী মা শেখ হাসিনার জন্যই দেশের সকল উন্নয়ন আজ বাস্তবায়ন হচ্ছে যার প্রতিটি স্বপ্ন বাঙালি জাতিকে দেখিয়ে গিয়েছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]