শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭

শিরোনাম: আবার বাড়ছে গ্যাসের দাম!    'খেতাব কেড়ে নিয়ে জিয়াউর রহমানকে কেউ খাটো করতে পারবে না'    জনসনের করোনা ভ্যাকসিন এক ডোজই যথেষ্ট    রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিবিসির রিপোর্ট সঠিক নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়    দেশে করোনা টিকা নিয়েছেন সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ    ২৬ মার্চ থেকে ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন চলাচল শুরু    শাহবাগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আটক ১০   
মানবিক শেখ হাসিনায় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ
#করোনা মোকাবেলায় শেখ হাসিনাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিৎ: অ্যারোমা দত্ত। #শেখ হাসিনা আছে বলেই প্রতি রাতে স্বস্তিতে ঘুমাতে পারি: গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার। #শেখ হাসিনার নেতৃত্বের প্রতি আমাদের পূর্ণ আস্থা রাখতে হবে: মনিরুজ্জামান মনির। #বাংলাদেশ শেখ হাসিনার সঠিক নেতৃত্বে পরিচালিত হচ্ছে: বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জাব্বার খান।
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: সোমবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:১৬ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

মানবিক শেখ হাসিনায় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ

মানবিক শেখ হাসিনায় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ

শত বাধা-বিপত্তি এবং হত্যার হুমকিসহ নানা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে জনগণের ভাত-ভোট এবং সাধারণ মানুষের মৌলিক অধিকার আদায়ের জন্য অবিচল থেকে সংগ্রাম-লড়াই করছেন একজন শেখ হাসিনা। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ অর্জন করেছে গণতন্ত্র ও বাক-স্বাধীনতা। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ধারাবাহিকভাবে গত ১২ বছরে বাংলাদেশকে উন্নয়ন অগ্রগতির সূচকে যুগান্তকারী মাইলফলক স্পর্শ করে বিশ্ব সভায় উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে বাংলাদেশ পেয়েছে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা। শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্ব এবং প্রজ্ঞার ফলেই বাংলাদেশ আজ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম হয়েছে। আজ মানবিক শেখ হাসিনায় উদ্ভাসিত বাংলাদেশ।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২২৩তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা। সোমবার (১৮ জানুয়ারি) আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য অ্যারোমা দত্ত, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী সদস্য এবং সংসদ সদস্য গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার, আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনির, রূপগঞ্জ থানা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এবং যুক্তরাজ্য প্রবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জাব্বার খান (পিনু)। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

অ্যারোমা দত্ত বলেন, আমি একটু আগে জাতীয় সংসদের শীতকালীন অধিবেশন থেকে এসে সরাসরি এখানে সংযুক্ত হলাম। সেখান থেকে আমি কয়েকটি উক্তি বলতে চাচ্ছি যা আমাদের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অধিবেশনে দেয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, "আজ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দ্বারপ্রান্তে। শান্তি, গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির যে পথে আমরা হাঁটছি, সে পথেই আমাদেরকে আরও এগিয়ে যেতে হবে। এ বছর মধ্য-আয়ের দেশ হিসেবে আমরা স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী পালন করব। তবে আমাদের লক্ষ্য ২০৪১ সালে বিশ্বসভায় একটি উন্নত-সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদায় অভিষিক্ত হওয়া। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জনগণের সর্বাত্মক অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা একটি কল্যাণমূলক, উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে সক্ষম হব।" এই যে অঙ্গিকার এটাকে আমি মনে করি আমাদের হাজার বছরের আগানোর প্রতিপাদ্য বিষয়। বঙ্গবন্ধুকে আমি মনে করি পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম দেশপ্রেমিক ও শ্রেষ্ঠ যোদ্ধা। পৃথিবীতে ৪ জন শ্রেষ্ঠ নেতা আছে তার মধ্যে আমি মনে করি আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবচে শ্রেষ্ঠ। কারণ তিনি একেবারেই মাটির মানুষ। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের শেখ হাসিনা ফিনিক্স পাখি কারণ তিনি অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। ১৯৭৫ পরবর্তীতে আমরা কখনোই ভাবতে পারিনি যে, এই স্বপ্নের বাংলাদেশকে আমরা আর দেখতে পাবো। বঙ্গবন্ধুকে ও তার পুরো পরিবারকে হত্যা করার পরে যখন দেশটা আবার পাকিস্তান পন্থায় ফিরে গেল তখন আমদের সকল আশায় অঙ্কুরে বিনষ্ট হওয়ার পথে ছিল। আজকে বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বহু সাফল্যের মুকুটে আরো একটি উজ্জ্বল পালক যুক্ত হলো করোনা মহামারিকালেও দেশের অর্থনীতি মোটামুটি অবস্থায় রাখা। মহামারি করোনা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার অন্যান্য যে কোন দেশের তুলনায় অনেক দ্রুত ঘটছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেভাবে করোনা ধ্বংসলীলা চালিয়ে যাচ্ছে তার মধ্যে আমাদের বাংলাদেশের অবস্থা যে ভালো জায়গায় আছে তার একমাত্র কারণ হচ্ছে আমাদের শেখ হাসিনা। এই জন্যই আমি মনে করি তাকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া উচিৎ। একজন দক্ষ নেতার মতো দেশ ও দেশের মানুষকে আশার আলো দেখিয়ে যাচ্ছেন দেশরত্ন শেখ হাসিনা; আবির্ভূত হয়েছেন বাঙালির ‘বাতিঘর’ হিসেবে। এই গভীর সংকটের সময় শেখ হাসিনার মতো একজন সাহসী, বিচক্ষণ ও দূরদর্শী নেতাকে আমরা দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে পেয়েছি—এ জন্য সৃষ্টিকর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

গ্লোরিয়া ঝর্ণা সরকার বলেন, আজকের আলোচনার শুরুতে আমি স্মরণ করতে চাচ্ছি, বাংলাদেশকে যিনি সৃষ্টি করেছেন, বাংলাদেশের জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যিনি আমাদের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, যিনি নিজের জন্য স্বপ্ন দেখেননি, স্বপ্ন কিভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে তা দেখিয়েছেন। সারা বাংলাদেশের মানুষ আজ মহান একাত্তরের চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী ও মহান স্বাধীনতা অর্জনের সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করছে। বাংলাদেশের ক্ষমতা শেখ হাসিনার হাতে থাকলে পথ হারাবে না বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মানুষ ভালো থাকবে, ভালো থাকবে দেশ। শেখ হাসিনা আজ কেবলমাত্র দেশের প্রধানমন্ত্রীই নন তিনি এখন বিশ্বের রাজনীতিতে এক মাইলফলক। সারা বিশ্বের চারজন পরিশ্রমী রাষ্ট্রনায়কের একজন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে গত ৪৪ বছরে সবচেয়ে সাহসী, সৎ, দক্ষ, কূটনৈতিক, জনপ্রিয় রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা। আজ করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশের লড়াইটা অন্য দেশগুলোর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এখানে বিশাল জনগোষ্ঠীকে সীমিত সম্পদ নিয়ে লড়তে হচ্ছে। বাংলাদেশের বিশাল জনগোষ্ঠী শ্রমজীবী। আমাদের দেশে অনির্দিষ্টকালের জন্য লকডাউন হলে লক্ষ লক্ষ লোক কর্মহীন হয়ে পড়বে, না খেয়ে মারা যাবে। অসহায় মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল জননেত্রী শেখ হাসিনার লড়াইটা সে জন্যই অন্য রাষ্ট্রপ্রধানদের তুলনায় অনেক বেশি। মানবতার জননী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু থেকেই জীবন ও জীবিকা দুটোর ওপরই গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি একদিকে যেমন করোনা আক্রান্ত মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, অন্যদিকে আবার বিশাল জনগোষ্ঠী, যারা দিন আনে দিন খায় তাদের খাদ্যের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছেন। অর্থনীতির চাকাকেও গতিশীল রেখেছেন। জাতির জনকের সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মানুষের ভরসাস্থল। প্রধানমন্ত্রীর হাতে দেশ আছে বলেই বাংলাদেশ এখনও নিরাপদ। বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনার হাতে যতদিন আছে দেশ, পথ হারাবে না বাংলাদেশ। আজ শেখ হাসিনা আছে বলেই আমরা মোটা কাপড় নয়, ফেন্সি কাপড় পড়তে পারি, শেখ হাসিনা আছে বলেই মোটা চাল নয়, চিকন চাল খেতে পারি, শেখ হাসিনা আছে বলেই আমরা রাতে স্বস্তিতে ঘুমাতে পারি।

মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আজকের এই দিনে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে, যে মহামানবের অবদানে আজ আমারা লাল সবুজের পতাকা নিয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করা দাড়িয়ে আছি, স্মরণ করছি তার সাথে ১৫ই আগস্টের সেই কালো রাতে তার পরিবারের যেসব সদস্যরা শাহাদাৎ বরণ করেছিলেন। আজকের এই বাংলাদেশ যে দীর্ঘ যুদ্ধের পরে যে কাঙ্ক্ষিত জয় লাভ করেছে তার পিছনে দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এর কারণেই আমি কাঙ্ক্ষিত দেশ পেয়েছি ও স্বাধীনতা লাভ করেছি। কিন্তু আমাদের যে আদর্শের যে রাজনীতি বিচ্যুতি ঘটেছে তা হয়েছে সেই ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে এই বাংলাদেশের মূল কাঠামো কি হবে, আমার বাংলাদেশের মূলনীতি কি হবে তা কিন্তু তিনি করে দিয়ে গিয়েছিলেন। সমাজ তন্ত্র, গণতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তাবাদ এবং ধর্ম নিরপেক্ষতা। এই চারটা মূল নীতিকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কি হবে, বাংলাদেশের মানুষের জীবন ব্যবস্থা কি হবে, এর চিন্তা করেই তিনি ১৯৭২ সালে একটি আধুনিক সংবিধান তৈরি করেছিলেন। কিন্তু এই সংবিধানকে ভূলুণ্ঠিত করে আমাদেরকে স্বাধীনতার মূল চেতনা থেকে দূরে ফেলে দিয়েছিল সামরিক জান্তারা। ৬ দফা প্রণয়নকারী সেই মহামানবকে হত্যার পর ২১ বছর দেশ শাসন করেছে পাকিস্তানপন্থীরা।পাকিস্তান প্রেমীদের দেশ শাসনের ২১ বছর বাংলাদেশের অন্ধকার যুগ। শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসে আওয়ামী লীগের রাজনীতির নেতৃত্ব গ্রহণ করার পর থেকে রাজনৈতিক মানুষের আকার বদলাতে শুরু করে। শেখ হাসিনা রাজনীতিতে আসার পরই রাজনীতি আবার সাধারণ মানুষের কাছে ফিরে আসতে শুরু করে। এর পরে যখন ১৯৯৬ সালের ভোটের লড়াইয়ের মাধ্যমে আমাদের জননেত্রী প্রথম ক্ষমতায় আসলেন তখন থেকেই বাংলাদেশ আবার গণতান্ত্রিক ও উন্নয়নের পথে ফিরে আসে। করোনার কারণে সারা বিশ্বের অর্থনীতি বিপর্যস্ত, সেই ঢেউ বাংলাদেশেও লেগেছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা করোনা মোকাবেলায় এ পর্যন্ত অনেক গুলো নির্দেশনা দিয়েছেন যার ফলে আজ আমরা অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থানে আছি। করোনাভাইরাস মহামারী পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষের জীবন এবং অর্থনীতিকে বাঁচাতে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি সার্বক্ষণিক সবকিছুর খোঁজ-খবর রাখছেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল জাব্বার খান (পিনু) বলেন,  ১৯৭১ সালে আমরা যেমন আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে বিশ্বাস করেছিলাম তিনি এই দেশের জন্য সর্বোচ্চটা করতে রাজি আছেন, ঠিক তেমনি আজ আমরা বিশ্বাস করি তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার প্রতি আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস যে তিনি তার বাবার পথ ধরেই এই দেশের পথ ঠিক রেখেছেন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণের ভেতর দিয়েই জাতি পেয়ে যায় দিকনির্দেশনা। ঠিক আমরা এখন দিকনির্দেশনা পাচ্ছি তার অনুপস্থিতিতে আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে। জাতির পিতার জন্মশতবর্ষ ‘মুজিববর্ষ’ দেশে এবং বিশ্বজুড়ে সগৌরবে পালিত হচ্ছে। এর মধ্যে করোনা মহামারির থাবায় বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যস্ত। এ বিপর্যয়ের মধ্যেও দেশ এগিয়ে চলেছে। আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের যে অনন্য-সাধারণ সাহসী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তা সারা বিশ্বে প্রশংসিত হয়েছে এবং পদ্মাবক্ষে সেই সেতুর অবয়ব এখন দৃশ্যমান। যে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে জাতির পিতা ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন; দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় তারই সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে আজ তা অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক ও শোষণ মুক্ত সোনার বাংলায় রূপান্তরিত হতে চলেছে। এসবই সম্ভবপর হয়েছে চতুর্থবারের মতো রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য। তার গতিশীল নেতৃত্বে ইতোমধ্যে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্রমুক্ত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে। বর্তমান যে উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ চলছে দেশে তার উপর ভিত্তি করে বলা যায়, আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের বাইরে আর কাউকে কাজ করতে যেতে হবে না।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]