সোমবার ● ২৫ জানুয়ারি ২০২১ ● ১১ মাঘ ১৪২৭ ● ১০ জমাদিউস সানি ১৪৪২
https://www.dailyvorerpata.com/ad/Inner Body.gif
শেখ হাসিনার অদম্য গতি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে
#শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে আমাদের আরও সমৃদ্ধ করতে হবে: ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ। #শেখ হাসিনার স্বর্ণযুগে বাস করছি আমরা: অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন। #শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: নূরে আলম সিদ্দিকী।
সিনিয়র প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২১, ১০:২০ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

শেখ হাসিনার অদম্য গতি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে

শেখ হাসিনার অদম্য গতি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার ধারাবাহিকভাবে গত ১২ বছরে বাংলাদেশকে উন্নয়ন অগ্রগতির সূচকে যুগান্তকারী মাইলফলক স্পর্শ করে বিশ্ব সভায় উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করেছেন। সরকারের এক যুগ পূর্তি, উন্নয়ন বিপ্লবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বড় খাতগুলোকে দেয়া হয়েছিল অগ্রাধিকার। অর্থনীতি ও আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে বেশিরভাগ সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশকে ছাড়িয়ে সারা বিশ্বে অগ্রগতির অভূতপূর্ব স্মারক বহন করছে বাংলাদেশে যা সারা বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে। আজ শেখ হাসিনার অদম্য গতি বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছে।

দৈনিক ভোরের পাতার নিয়মিত আয়োজন ভোরের পাতা সংলাপের ২১৮তম পর্বে এসব কথা বলেন আলোচকরা। বুধবার (১৩ জানুয়ারি) আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর  উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন, জার্মানির বন বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি ফেলো এবং এনআরডব্লিউ স্টেট আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী। দৈনিক ভোরের পাতা সম্পাদক ও প্রকাশক ড. কাজী এরতেজা হাসানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাবেক তথ্য সচিব নাসির উদ্দিন আহমেদ।

অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই করোনাকালীন মুহূর্তে আমরা সকল উন্নয়নের যাত্রা অব্যাহত রেখেছি। এই বিষয়টি রীতিমতো ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বিশ্ব দরবারে আমরা মাথা না নুইয়ে মাথা উঁচু করে দাড়িয়ে থাকতে সক্ষম হয়েছি। এই কৃতিত্ব আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। আমরা যুদ্ধ করেছি দেশ স্বাধীন করেছি, স্বাধীনতার অন্তিম সূর্য ছিনিয়ে এনেছি। এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সোনার বাংলা গড়বার অনুপ্রায় ব্যক্ত করেছিলেন। বরাবর আমরা সংকটের মধ্যে ছিলাম এটা ভুলে গেলে চলবে না। বঙ্গবন্ধুর যে দ্বিতীয় বিপ্লব ছিল সেটি যদি তিনি করে যেতে পারতেন তাহলে বাংলাদেশ আজ হাজার বছর এগিয়ে যাওয়ার অবস্থানে অবস্থিত থাকতে পারতো। যাই হোক, আমাদের ইতিহাস তো আর বদলানো যাবে না, আমরা এখন তারই সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছি এবং এর ধারাবাহিকতা যেকোনো মূল্যে অব্যাহত রাখতে হবে। শেখ হাসিনার সৎ, বলিষ্ঠ এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। তিনি টাইম ম্যাগাজিনের বিবেচনায় বিশ্বের প্রভাবশালী দশ নারী নেত্রীর একজন মনোনীত হয়েছেন। অভ্যন্তরীণ জনপ্রিয়তার দিক থেকেও শেখ হাসিনার সমকক্ষ হিসেবে কাউকে চিন্তা করার কোনো অবকাশ নেই। বঙ্গবন্ধু আজীবন সংগ্রাম করে বাঙালি জাতিকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে অনন্য মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছেন; সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছেন ও বাস্তবায়নে অগ্রসর হয়েছেন; তাঁর সেই আদর্শিক ধারায় স্নাত হয়ে শেখ হাসিনা মেধা ও দূরদর্শিতাসম্পন্ন রাজনীতিক হিসেবে জনগণের ভাগ্য বদলে দিয়েছেন। তাই এই ব্যাপারে আমাদের তার হাতকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষে সবার সামষ্টিক উদ্যোগ থাকা দরকার এবং সবাইকে সতর্ক থাকার দরকার।

অধ্যাপক ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া কাঞ্চন বলেন, মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে আমি প্রথমেই শ্রদ্ধা জানাচ্ছি স্বাধীনতার স্থপতি, আমাদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি। আজকের সংলাপের বিষয়টি অত্যন্ত সময়োপযোগী বিষয়। পথ হারাবে না বাংলাদেশ। গত এক যুগ ধরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বর্ণযুগ পালন করে আসছে যা ইতি মধ্যে সারা বিশ্বের কাছে প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। আজকে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে অবস্থানে আছে, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সূচকগুলো যেভাবে ঊর্ধ্বগতিতে আছে তার আলোচনা করে সহজে শেষ করা যাবেনা। সরকারের এক যুগ পূর্তি, উন্নয়ন বিপ্লবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামো উন্নয়নের মতো বড় খাতগুলোকে দেয়া হয়েছিল অগ্রাধিকার। একটা বহুমাত্রিক উন্নয়নের দেশ হিসেবে বাংলাদেশ এখন আত্মপ্রকাশ করেছে যেখানে কয়েক বছর আগে মাথা পিছু আয় ছিল ৩০০-৩৫০ ডলার সেখানে আজকে মাথা পিছু আয় দাঁড়িয়েছে ২০৬৪ ডলার। এবং আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকে তাহলে এই মাথা পিছু আয় ১০০০০ ডলার অতিক্রম করবে এবং ২০৪১ সালে এটা ১৪০০০ ডলারে উন্নীত করতে পারবো। আমাদের যে চলমান অর্থনীতি জননেত্রী শেখ হাসিনার আস্থা ও নির্দেশে এই করোনা মুহূর্তে আজকে আমাদের জিডিপি গ্রোথ ৫.২৪% এবং ক্যাপিটাল জিডিপি ১৯৭০ ডলারে উন্নীত হয়েছে। বর্তমানে এই সময়ে মুদ্রাস্ফীতি ৫.৬৫%। রেমিটেন্স প্রাপ্তিতে বাংলাদেশের অবস্থান এই মুহূর্তে অষ্টম। দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৪৩ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং আমি অত্যন্ত আশাবাদী এই মুজিব শতবর্ষে আমাদের রিজার্ভের পরিমাণ ৫০ বিলিয়ন অতিক্রম করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ। আমরা যুক্তরাষ্ট্রে যে পণ্য রপ্তানি করি তা এই করোনকালীন সময়ে অনেক কমে গিয়েছে, একটু ধাক্কা খেয়েছি এই খাতে আমরা। আমরা সবচে বেশি রেমিটেন্স পাচ্ছি সৌদি আরব থেকে। গত তিন মাসে আমরা সৌদি আরব থেকে ৫১ হাজার কোটি টাকার রেমিটেন্স পেয়েছি। আজকে আমাদের দেশে কৃষির এক অভাবনীয় সাফল্য পেয়েছি। আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে ৪০.৬% অবদান রাখে এই কৃষি খাত। আমাদের দেশে এখন শিশু শিক্ষার হার শতভাগে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। ২০২০ সাল জুড়েই সারা পৃথিবীতে মহামারি করোনাভাইরাস তাণ্ডব চালিয়েছে। এর ছোবল থেকে বাদ যায়নি প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ। তবে চীনে করোনাভাইরাস আবির্ভাবের পর থেকেই প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা করোনা মোকাবিলায় কাজ শুরু করেন। যার কল্যাণে বাংলাদেশ করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে প্রথম এবং বিশ্বে ২০তম দেশ হিসেবে সফল হয়েছে। শুধু তাই নয়, এই করোনাভাইরাসের মধ্যেও অর্থনীতি চাকা থেমে থাকেনি। বরং এই খাতে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। প্রবৃদ্ধি অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন উদাহরণ দেওয়ার মতো একটি দেশে রূপান্তরিত হয়েছ। মানবউন্নয়ন সূচকে গত বছরের তুলনায় দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। সূচকে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান ১৩৩। জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) ২০২০ সালের দ্য হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ পঞ্চম অবস্থানে আছে।

নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, আসলে আমি আমার সাবজেক্ট নিয়ে একটু কথা বলতে চাচ্ছি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ কৃষিখাতে যে বিপ্লব ঘটিয়েছে তা নিয়ে কিছু বিশ্লেষণ আলোকপাত করতে চাচ্ছি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেভাবে এই কৃষিখাতে ভূমিকা রেখেছেন তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা আজকে বাংলাদেশের কৃষিখাতে যেসব উন্নয়ন করে যাচ্ছে তাতে করে সারা বিশ্বের কাছে আমরা একটি গতিশীল উন্নয়নের উদাহরণ রাখতে পেরেছি। কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। এখনো বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৭৫ ভাগ গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবিকানির্বাহের প্রধান উৎস হচ্ছে কৃষি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষির উৎপাদন, উন্নয়ন ও সফল বিপণনের এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চেয়েছিলেন। দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার মূল ভিত্তি হিসেবে কৃষিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কৃষিতে সবুজ বিপ্লব ঘটানোর মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিলেন। ২০১৫ সালের দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যান এবং উনি উনার বক্তব্যে কৃষি গবেষকদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান করেছিলেন যে, আমরা এখন খাদ্যে অনেকটা নিরাপত্তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছি। কিন্তু এখন আপনাদেরকে এখন যে কাজটা করতে হবে, খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি কিভাবে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবার উৎপাদন করতে পারি সেদিকে তিনি বেশি গুরুত্ব দিতে বলেছিলেন। উনি ঐ সময়ে যে কথাটি বলেছিলেন যে, পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবারের উৎপাদন নিয়ে সেটাকে আজকে আমি এই করোনাকালীন সময়ের মধ্যে একটা রিলেশন পাচ্ছি। এই করোনা মুহূর্তে আমাদের ইমিউনিটির সাথে পুষ্টি সমৃদ্ধ খাবারের একটা বিষয় আছে। তো এইজন্য আমি মনে করি, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আল্লাহ অনেক অলৌকিক ক্ষমতা দিয়েছেন। এই করোনা মুহূর্তেও কিন্তু আমাদের কৃষি খাতের সাফল্য ও অগ্রগতি থেমে নেই। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় কিন্তু আমরা ব্রিটেনের আর্মিদের গৌরবগাথার যে সাফল্য সেটা মনে করতে পারি। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী একটি কথা বলেছিলেন যে, আমাদের এই দুর্ভিক্ষ ও মহামারি ঠেকাতে হলে আমাদেরকে কৃষিতে আগাতে হবে। এবং তার এই কথাটির উপর গুরুত্ব দিয়ে সেসময় ইংল্যান্ডের ৮০০০০ ল্যান্ড গার্ডস কাস্তে কোদাল নিয়ে সেসময় পথে-মাঠে-প্রান্তরে ঘুরে ঘুরে কাজ করেছে। ঐ সময়ে এই ৮০০০০ ল্যান্ড গার্ডসদের কারণে ব্রিটেনের ৩ কোটি নাগরিক সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছিল। ঠিক একই ভাবে এই করোনা কালীন সময়ে আমরা দেখতে পেয়েছি, বাংলাদেশে প্রথম যখন করোনা আঘাত হানলো তিনি কিন্তু এই কৃষিখাতকে অনেক গুরুত্ব সহ দেখেছিলেন। উনি কিন্তু একটি কথা বার বার বলেছিলেন আমাদের এক ইঞ্চি জমি যেন আমরা অনাবাদে না রাখি। এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ সহ আরও অন্যান্য অঙ্গ সংঘটনের নেতারা থেকে শুরু করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা মাঠে নেমে যায় কৃষকের ধান তাদের ঘোলায় ভরে দিতে। বাংলাদেশ আজ কৃষি খাতে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এশিয়ার গণ্ডি পার করে বিশ্বে সবজি উৎপাদনে জনবহুল বাংলাদেশ এখন ভালো অবস্থানে অবস্থানে। করোনা, আম্ফান ও দীর্ঘমেয়াদি বন্যা মোকাবিলা করে বাংলাদেশ খাদ্য উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রেখেছে। দুর্যোগের মাঝেও এ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের (চাল, গম ও ভুট্টা) উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে প্রায় ৪ কোটি ৫৩ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে। এ সময়ে কৃষিকাজে কৃষকের মনোবল সুদৃঢ় রাখার লক্ষ্যে মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তাসহ কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কৃষিবিদদের সার্বক্ষণিক মনিটরিংসহ সার্বিক সহায়তা প্রদান করা খুবই জরুরি। যেভাবেই হোক করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করেই আমাদের ফসল উৎপাদনের স্বাভাবিক ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।








আরও সংবাদ
https://www.dailyvorerpata.com/ad/BHousing_Investment_Press_6colX6in20200324140555 (1).jpg
https://www.dailyvorerpata.com/ad/last (2).gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/431205536-ezgif.com-optimize.gif
https://www.dailyvorerpata.com/ad/agrani.gif
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]