শুক্রবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ১৩ ফাল্গুন ১৪২৭

শিরোনাম: আবার বাড়ছে গ্যাসের দাম!    'খেতাব কেড়ে নিয়ে জিয়াউর রহমানকে কেউ খাটো করতে পারবে না'    জনসনের করোনা ভ্যাকসিন এক ডোজই যথেষ্ট    রোহিঙ্গাদের নিয়ে বিবিসির রিপোর্ট সঠিক নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়    দেশে করোনা টিকা নিয়েছেন সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ    ২৬ মার্চ থেকে ঢাকা-জলপাইগুড়ি ট্রেন চলাচল শুরু    শাহবাগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, আটক ১০   
ধর্ষক দিহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধেও স্ত্রী হত্যার অভিযোগ উঠেছিল!
ভোরের পাতা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৯ জানুয়ারি, ২০২১, ৮:৪৭ পিএম | অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষক দিহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধেও স্ত্রী হত্যার অভিযোগ উঠেছিল!

ধর্ষক দিহানের ভাইয়ের বিরুদ্ধেও স্ত্রী হত্যার অভিযোগ উঠেছিল!

রাজধানীর ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলের 'ও' লেভেলের শিক্ষার্থী আনুশকা নুর আমিনকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার ইফতেখার ফারদিন দিহানের (১৮) বড় ভাই সুপ্ত সরকারের বিরুদ্ধেও উঠেছিল হত্যার অভিযোগ। ওই মামলার সাক্ষীরা বলছেন, টাকার বিনিময়ে মামলাটি আপস করেছেন সুপ্তর বাবা।

দিহানরা তিন ভাই। তাদের বাবার নাম আবদুর রউফ সরকার। তিনি রাজশাহী জেলার অবসরপ্রাপ্ত সাব-রেজিস্ট্রার। রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার রাতুগ্রাম গ্রামে তার বাড়ি। তিনি একজন ধর্নাঢ্য ব্যক্তি। বড় ছেলে সুপ্তকে নিয়ে আবদুর রউফ সরকার গ্রামে থাকেন। আর মা সানজিদা সরকার শিল্পীর সঙ্গে দিহান ও তার মেজো ভাই নিলয় ঢাকায় থাকেন। নিলয় একটি ব্যাংকে চাকরি করেন।

দিহানের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দুর্গাপুরের রাতুগ্রামের বাড়ি ছাড়াও জেলার বাগমারা উপজেলার তাহেরপুরে তাদের আরো একটি বাড়ি আছে। রাজশাহী শহরেও আছে দুটি বাড়ি। এর একটি সাগরপাড়া এলাকায়। আরেকটি বাড়ি নগরীর পদ্মা আবাসিক এলাকায়। ঢাকায় আছে ফ্ল্যাট।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ছোটবেলা থেকেই দিহান ঢাকায় থাকেন। তাই তার সম্পর্কে গ্রামের মানুষের ধারণা কম। তবে তার বড় ভাই সুপ্ত মাদকাসক্ত। ২০০৯ সালেই তার বিরুদ্ধে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছিল। পরে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে সেই মামলার আপস করা হয়। পুলিশ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সুপ্তর স্ত্রীর নাম ছিল রুনা খাতুন। তার বাবার বাড়ি কিশোরগঞ্জ। আর নানির বাড়ি রাজশাহী নগরীর হোসনীগঞ্জ মহল্লায়। রাজশাহীতেই সুপ্তর সঙ্গে তার পরিচয়। এরপর বিয়ে। এর কিছুদিন পরই সুপ্ত ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে রুনাকে বিষ মুখে ঢেলে হত্যার অভিযোগ ওঠে। এনিয়ে রুনার মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছিলেন। আর ওই সময় আসামিদের শাস্তির দাবিতে রুনার লাশ নিয়ে রাজশাহী শহরে মিছিলও হয়েছিল।

রুনার নানির বাড়ির এলাকার এক নারী হত্যা মামলার সাক্ষী। শুক্রবার (০৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিয়ের পর থেকেই রুনাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হতো। শেষে তার মুখে জোর করে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। পরে তাকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুই দিন পর রুনা হাসপাতালে মারা যায়। আমরা তার লাশ নিয়ে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করি। আমরা রুনার স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যদের শাস্তির দাবি জানাই। মামলাটা চলছিলই। পরে তারা টাকা দিয়ে মিমাংসা করে নেয়। এরপর পুলিশ মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দেয়।

« পূর্ববর্তী সংবাদপরবর্তী সংবাদ »







  সর্বশেষ সংবাদ  
  সর্বাধিক পঠিত  

সারাদেশ

এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: ড. কাজী এরতেজা হাসান
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক ভোরেরপাতা
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।
ফোন:৮৮-০২-৮১৮৯১৪১, ৮১৮৯১৪২, বিজ্ঞাপন বিভাগ: ৮১৮৯১৪৪, ফ্যাক্স : ৮৮-০২-৮১৮৯১৪৩, ইমেইল: [email protected] [email protected]