‘এই ষড়যন্ত্র ম্যানা লিমু না’

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে মডেল আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম বলেন, ‘হামার ক্ষমতা নাই। তাই হামারডা বাতিল করা হচে। এতে হামার প্রতি অবিচার করা হচে। তবে হামিও হেরে যাবার পাত্র লয়। হামি আপিল করমু। এই ষড়যন্ত্র ম্যানা লিমু না।’ তিনি দুঃখ প্রকাশ করে আরো বলেন, ‘হামার নির্বাচনী এলাকাত মোট ভোটার হচ্চে তিন লাখ ১২ হাজার ৮৬ জন। হামি তিন হাজার ৫০০ জনের স্বাক্ষর লিছি। একুন দেকিচ্চি তাও ক্যামা বাতিল করল।’

নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, কেউ স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়ন নিলে তাঁর পক্ষে নির্বাচনী এলাকার মোট ভোটারের এক শতাংশের স্বাক্ষর লাগবে। হিরো আলম তিন হাজার ৫০০ ভোটারের স্বাক্ষরসহ তালিকা জমা দিয়েছিলেন। কিন্তু তদন্ত করে দেখা গেছে, তাঁর জমা দেওয়া কিছু স্বাক্ষর জাল। এ কারণে তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। রবিবার বগুড়া জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাইকালে এ সিদ্ধান্ত নেন রিটার্নিং অফিসার ফয়েজ আহাম্মদ।

স্বাক্ষর জালয়াতির বিষয়ে হিরো আলম বলেন, ‘হামি জালিয়াতি করিনি। মানুষ হামাক ভালব্যাসা সই দিচে। একুন ঘটনা কি বুঝবার পারিচ্চি না।’ জাতীয় পার্টির দলীয় মনোনয়ন বিষয়ে হিরো আলম বলেন, ‘হামাক মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে দলের চিয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ও মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার প্রতিশ্রুতি দিছল। কিন্তু পরে দলের সিদ্ধান্তে হামাক দেওয়া হয়নি। তার পরেও হামি হাল ছাড়িনি।’
 
বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে হিরো আলম ছাড়াও কাহালু উপজেলা চেয়ারম্যান ও জামায়াত নেতা তায়েব আলী, জাহিদুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা কামাল উদ্দিন কবিরাজ, অধ্যাপক আহছানুল হক ও ইউনুছ আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here