সাতক্ষীরা ৪ আসনে নৌকার মাঝি হিসাবে অপ্রতিদ্বন্দ্বী জগলুল হায়দার

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসাবেই নৌকার মাঝি হচ্ছে বর্তমান সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হায়দার। বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলার কারণে নির্বাচনী এলাকায় তার জনপ্রিয়তা তুলনাহীন। শ্যামনগর উপজেলা ও কালীগঞ্জের একাংশের আওয়ামী ও এর বিভিন্ন অংঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী থেকে শুরু করে, দলীয় সকল স্তরে তার জনপ্রিয়তা নজির গড়ার মতো।

গরীব দুঃখী, মেহনতী, ঘরহীন, আলোহীন, মানুষ থেকে শুরু করে, কৃষক, শ্রমিক, সর্বস্তরের মানুষের সাথে তিনি মিশেছেন একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে, এমপি হিসাবে নয়। গরীবের ঘরে আলোর ব্যবস্থা করেছেন একজন এমপি হিসেবে নয়, সাধারণ মানুষ হিসেবে। লুঙ্গি গামছা পরে শ্রমিকের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করা থেকে শুরু করে ভ্যান চালানো, মাঝি হয়ে নৌকা চালানো, ট্রাক্টর চালিয়ে ধান রোপন থেকে কাটা, এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে নিজেই ড্রেন পরিস্কার করা থেকে শুরু করে , ঘরহীনের চালে টিন ও সোলার আলোর ব্যবস্থা ইত্যাদি বিভিন্ন কারনে এলাকায় সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা।

নির্বাচনী এলাকার সর্বশেষ দ্বীপ ইউনিয়ন আইলা বিধ্বস্ত গাবুরা থেকে শুরু দুর্যোগকালীন সময়ে কালিগঞ্জ শ্যামনগরের সকল ইউনিয়নে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জনগণের সুরক্ষা ও খোঁজ খবর নিতে বেরিয়ে পড়েন এই সাংসদ। গভীর রাতে বিভিন্ন ছাত্রাবাসের ছাত্রদের পড়াশোনা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার খোঁজ খবর নিতে ও বিভিন্ন বাজার ঘাটে নিরাপত্তায় পর্যবেক্ষণে ছুটে যান তিনি। বিভিন্ন কারণে বিভিন্ন মিডিয়া জরিপে উঠে এসেছে নির্বাচনী এলাকায় তার জনপ্রিয়তা বিষয়ক তথ্য। সে সকল তথ্য থেকে পরিষ্কার হওয়া যায় তার জনপ্রিয়তা কতোটা এগিয়ে।

সাংসদ জগলুল হায়দার তার নির্বাচনী এলাকায় যে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন তা শুধু তার জনপ্রিয়তা থেকে নয় এলাকায় গেলেই বোঝা যায়। রাস্তাঘাটের ব্যাপক উন্নয়ন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারী করন ও নতুন ভবন নির্মাণ, সাইক্লোন নির্মাণ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ, চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রে তার যে কর্মযজ্ঞ । সেরকমটা আদিতে কখনও দেখতে পারিনি শ্যামনগর কালিগঞ্জ বাসি। নির্বাচনী এলাকায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ও সফলতা কামনায় করেছেন শতশত উঠান বৈঠক, সেসকল উঠান বৈঠকে মানুষের উপস্থিতি দৃষ্টি কাড়ার মতো। দিন কে দিন তা বেড়েই চলেছে। এক কথায় তার অনুষ্ঠিত যেকোন জনসভা, উঠান বৈঠক, বা অন্যান্য সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয় মুহূর্তেই।

২০১০ সালে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার শ্যামনগরে আগমন উপলক্ষে শ্যামনগর উপজেলা জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছিল। এরপরে আর এমন কোন সমাবেশ দেখা যায়নি শ্যামনগরে। কিন্তু গত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ও সফলতা প্রচারে এমপি জগলুল হায়দার আয়োজিত মহাসমাবেশ শ্যামনগর কালিগঞ্জের মানুষকে সেদিনের কথা মনে করিয়ে দেয়। মূহুর্তের মধ্যে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতিতে শ্যামনগরের অনুষ্ঠান স্থল থেকে শুরু করে প্রায় ১ কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকা পর্যন্ত মানুষের তিল ধারনের ঠাঁই ছিলো না।

এছাড়া কিছুদিন আগে দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় তার একটি অনুষ্ঠানে হাজার হাজার মানুষের উপস্থিতি ঘটে। মানুষ যে যেভাবে পেরেছে তার অনুষ্ঠান দেখতে ও তার কথা শুনতে ছুটে গিয়েছিল। এ সবি প্রমান করে বর্তমানে শ্যামনগর ও কালিগঞ্জ আংশিক নির্বাচনী এলাকায় জনপ্রিয়তায় ব্যাপক উচ্চতায় এমপি জগলুল হায়দার।

ফলে আগামী নির্বাচনে সাতক্ষীরা ৪ আসনের নৌকার মাঝি হিসাবে জগলুল হায়দারকেই বেছে নেয়া হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড নিশ্চিত করেছে। তৃণমূলের সঙ্গে নিবিড়ভাবে মিশে থাকার কারণে তিনিই শেখ হাসিনার পছন্দের তালিকায় শীর্ষ পর্যায়েও রয়েছেন বলে একাধিক সূত্র জানিয়েছে।

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here