স্ত্রীর কাটা মাথা নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ স্বামীর

:: সীমানা পেরিয়ে ডেস্ক ::

স্ত্রীকে হত্যার পর তার কাটা মাথা নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ করলেন স্বামী। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের কর্নাটক রাজ্যের চিকমাগালুর শহরে।

পুলিশ জানিয়েছে, সতীশের স্ত্রীর নাম রূপা। ৯ বছর আগে তাদের বিয়ে হয়েছিল। তাদের দুটি সন্তানও রয়েছে। সতীশের অভিযোগ, তার গ্রামেরই এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল রূপার। ওই যুবকের সঙ্গে মেলামেশা করতে স্ত্রীকে অনেক বার নিষেধও করেছিল সতীশ। তা সত্ত্বেও ওই যুবকের সঙ্গে মেলামেশা চালিয়ে যান রূপা। এ নিয়ে ওই যুবককেও হুমকি দিয়েছিল সতীশ।

রোববার (০৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় বেঙ্গালুরু থেকে নিজের বাড়িতে ফেরেন সতীশ। এ সময় স্ত্রীর সঙ্গে ওই যুবককে দেখে রাগের মাথায় একটি ধারাল অস্ত্র নিয়ে দুজনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। ওই অস্ত্র দিয়েই দুজনকে বার বার কোপাতে থাকেন। হামলায় গুরুতর জখম হলেও সেখান থেকে কোনো রকমে পালিয়ে যান ওই যুবক।

তবে সতীশের হাত থেকে বাঁচতে পারেননি রূপা। ধারালো অস্ত্র দিয়েই রূপার ধড় থেকে মুণ্ড আলাদা করে দেন তিনি। এরপর একটি ব্যাগে রূপার কাটা মাথা নিয়ে রওনা হন থানায়। মোটরসাইকেল চালিয়ে তিনি প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত থানায় যান। থানায় ঢুকে ব্যাগ থেকে স্ত্রীর কাটা মাথা বের করে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।

চিকমাগালুরের পুলিশ সুপার অন্নামালাই কাপ্পাস্বামী জানান, স্ত্রীকে খুনের অভিযোগে সতীশকে ৩০২ ধারায় আটক করা হয়েছে। সোমবার তাকে আদালতে তোলা হলে বিচারক তার এক দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। সব ধরনের আইনি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করতে তাকে একদিনের জেল হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

/ই

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here