যে কারণে কাঁদলেন নায়করাজ পত্নী

বিনোদন ডেস্ক 

কিংবদন্তি চলচ্চিত্র অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাককে নিয়ে নির্মিত প্রথম জীবনী নির্ভর প্রামাণ্যচিত্র ‘রাজাধিরাজ রাজ্জাক’। ৯০ মিনিট ব্যাপ্তির এই প্রামাণ্যচিত্রটি নির্মাণ করেছেন শাইখ সিরাজ। এ উপলক্ষ্যে আয়োজন করা হয় সংবাদ সমাবেশ। যেখানে উপস্থিত ছিলেন নায়করাজ রাজ্জাকের পুরো পরিবার।

‘রাজাধিরাজ রাজ্জাক’- এর ব্যাপ্তি নব্বই মিনিট হলেও অতিথিদের জন্য দেখানো হয় ২৭ মিনিট(সংক্ষিপ্ত ভার্সন)। প্রামাণ্যচিত্রটি পর্দায় শুরু হওয়ার আগেই স্টুডিও জুড়ে নামে নিরবতা। নায়করাজের স্ত্রী চুপ করে তাকিয়ে ছিল স্কিনের দিকে। 

টানা ২৭ মিনিটে উঠে আসে নায়করাজ সম্পর্কে অনেক অজানা কথা। প্রামাণ্যচিত্রে তার সম্পর্কে কথা বলেছেন সমকালীন সময়ের চিত্রনির্মাতা, অভিনেতা, সংগীত পরিচালক থেকে শুরু করে চলচ্চিত্রের অনেকেই। প্রামান্যচিত্রটিতে তুলে ধরা হয় নায়ক রাজের কলকাতার স্মৃতিবিজড়িত বাড়িটির কথাও। উঠে আসে রাজ্জাককে নিয়ে সেখানকার মানুষের বয়ান। তার পরিচিত মানুষের স্মৃতি।

সমস্তকিছু নীরবে দেখছিলেন রাজ্জাক পত্নী খায়রুন্নেসা লক্ষ্মী। প্রামাণ্যচিত্রে স্বামীর অকপট বয়ানে কখনো তার ঠোঁটে এক চিলতে হাসির আভা, আবার কখনো স্বামীর স্ট্রাগল আর জীবনযুদ্ধের গল্প দেখে চোখ ছলছল করে উঠে। নায়ক রাজ হয়ে উঠাতে দুজন মানুষের নাম সবার প্রথমে নেন রাজ্জাক। একজন চিত্র পরিচালক জহির রায়হান ও অন্যজন স্ত্রী লক্ষ্মী! কেঁদে ফেলেন লক্ষী। 

একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here