চতুর্থ ধাপে ১০৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ চলছে

  • ৩১-মার্চ-২০১৯ ০৯:২৭ অপরাহ্ন
Ads

 

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপের ১০৭ উপজেলায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। রবিবার (৩১ মার্চ) সকাল আটটায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকাল চারটা পর্যন্ত।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, রবিবার পাঁচ বিভাগের ১৬ জেলার ১০৭টি উপজেলায় চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, এপিবিএন বিজিবির দেড় লাখ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। কড়া নজরদারির জন্য এসব উপজেলায় ১১১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৮ প্লাটুন রিজার্ভ থাকবে। আর র‌্যাবের পাঁচটি অতিরিক্ত টিমও মোতায়েন রয়েছে।

চতুর্থ ধাপে ছয়টি উপজেলায় সম্পূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএমে) ভোটগ্রহণ করা হচ্ছে। যেসব উপজেলায় ইভিএমে ভোটগ্রহণ হবে সেগুলো হলো- কক্সবাজার সদর, পটুয়াখালী সদর, ময়মনসিংহ সদর, বাগেরহাট সদর, মুন্সিগঞ্জ সদর ও ফেনী সদর।

ইসির জনসংযোগ পরিচালক এসএম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, চতুর্থ ধাপে ১২২ উপজেলায় ভোটগ্রহণের তফসিল দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এগুলোর মধ্যে খুলনার ডুমুরিয়া, ফেনীর ছাগলনাইয়া, ময়মনসিংহের ত্রিশাল ও কুমিল্লার বড়ুরার নির্বাচন আদালতের আদেশে স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া এই ধাপে যুক্ত হয়েছে তৃতীয় ধাপের পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া ও নোয়াখালীর কবিরহাটের নির্বাচন। এছাড়া ১৫ উপজেলার সকল পদে প্রার্থীরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তাই চতুর্থ ধাপে ভোটগ্রহণ হচ্ছে ১০৭টি উপজেলায়।

চতুর্থ ধাপের নির্বাচনে ৯০ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৪০ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৩ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ২৭ জন প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়াও ১৫টি উপজেলায় সব প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ৩৫১ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৩৩ জন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৪০৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রয়েছেন। ভোটগ্রহণ হচ্ছে ৯ হাজার ৭৪০টি ভোটকেন্দ্রে। ২২ জেলার মোট ২ কোটি ৫৫ লাখ ৪০ হাজার ৭০৪ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।

দেশে বর্তমানে ৪৯২টি উপজেলা পরিষদ রয়েছে। এর মধ্যে ৪৮০টিতে এবার ভোট হচ্ছে। বিভিন্ন সমস্যার কারণে ১২টি উপজেলায় এবছর ভোট হবে না। সর্বশেষ ২০১৪ সালের মার্চ- থেকে মে মাসে ছয় ধাপে এর অধিকাংশগুলোতে ভোট হয়েছিল। আইনে মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ১৮০ দিনের মধ্যে ভোট করার বাধ্যবাধকতা থাকায় এই নির্বাচন করতে হচ্ছে।

১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ চালু হওয়ার পর ১৯৯০ ও ২০০৯ সালে একদিনেই ভোট হয়েছিল। ২০১৪ সালে ছয় ধাপে ভোট করেছিল তৎকালীন ইসি।

পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন পাঁচ ধাপে সম্পন্ন করছে ইসি। ১৮ জুন পঞ্চম ধাপের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

Ads
Ads