বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুন নিয়ন্ত্রণে, নিহত বেড়ে ১৯

  • ২৯-মার্চ-২০১৯ ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

রাজধানীর বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুনের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৯ মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিসের অস্থায়ী তথ্যকেন্দ্র।

বৃহস্পতিবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যার পর ওই ভবন থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা। ক্রেন লেডারের (যন্ত্রচালিত মই) সাহায্যে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে পাঁচজনের মরদেহ নামিয়ে আনা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।

এর আগে বিভিন্ন হাসপাতালে সাতজনের মরদেহ শনাক্ত করার খবর পাওয়া যায়। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয় বলে তথ্যকেন্দ্র থেকে জানানো হয়। আগুনের ঘটনায় হতাহতদের উদ্ধার কার্যক্রমের তথ্য জানানোর জন্য এ কেন্দ্র খোলা হয়েছে।

এদিকে আগুনের ঘটনায় দগ্ধ ও আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬৯ জন। এছাড়া স্বজনদের দাবির ভিত্তিতে নিঁখোজ রয়েছেন ৮ জন। এখন পর্যন্ত পাঁচটি মরদেহ পাওয়া গেছে। আহত ও নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, বিকেল ৫টা ৫০ মিনিট পর্যন্ত কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ৩৯ জনকে। এছাড়া ইউনাইটেড হাসপাতালে ২০ জন, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দুইজন এবং অ্যাপালো হাসপাতালে আটজন ভর্তি রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা পাঁচজনের মৃত‌্যুর তথ্য পেয়েছি। এখন শুনতে পাচ্ছি অ্যাপোলো হাসপাতালে একজন মারা গেছেন। সেটি এখনও নিশ্চিত নয়। আহত এবং নিহতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এদিকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে ২২তলা এফআর টাওয়ারের আট ও নয়তলায় আগুনের সূত্রপাত ঘটে। এতে ওই ভবনে আটকা পড়েন বহু মানুষ।

ভয়াবহ রকমের এ আগুনের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একে একে ২৩টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পৌঁছে। কিন্তু পর্যাপ্ত পানির অভাবে পুরোপুরি কাজ করতে পারছিলো না ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। পরে ঘটনাস্থলে অভিযানে অংশ নেয় সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর সদস্যরা।

এফআর টাওয়ারের ছাদে থেকে আটকে পড়াদের হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্দার করা হয়। এরপর ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা প্রায় ৬ ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

Ads
Ads