যে ভাবে হামলাকারী পেল একাধিক অস্ত্রের লাইসেন্স!

  • ১৬-মার্চ-২০১৯ ১১:৪০ পূর্বাহ্ণ
Ads

 

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের মসজিদে হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক ব্রেন্টন ট্যারেন্টকের নামে ৬টি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল বলে নিশ্চিত করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী জ্যাসিন্ডা আরডার্ন।

ভয়াবহ এই হামলার পর দেশটির আগ্নেয়াস্ত্র আইনে পরিবর্তন আনারও ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় সময় শনিবার বিকেলে (বাংলাদেশ সময় শনিবার সকাল) ওয়েলিংটনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী জানান, ট্যারান্টের নামে ৫টি ছোট বন্দুক ও একটি বড় আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে। ‘লাইসেন্সটি ২০১৭ সালের নভেম্বরে নেয়া হয়েছিল বলে আমাকে জানানো হয়েছে।’

‘প্রধান হামলাকারী ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছিল। এর মধ্যে ছিল দু’টি সেমি-অটোম্যাটিক অস্ত্র, দু’টি শটগান এবং একটি লিভার-অ্যাকশন বন্দুক,’ বলেন আরডার্ন।

তিনি জানান, দুই মসজিদের হামলায় মোট ৫টি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ৫টিই লাইসেন্সের হিসেবে আইনত বৈধ। ২০১৭ সালে লাইসেন্স নেয়ার পর থেকেই প্রধান সন্দেহভাজন ব্রেনটন ট্যারান্ট অস্ত্র কিনতে শুরু করেন।

নিউজিল্যান্ডে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৬ বছর। আর হামলাকারী যে ধরনের স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে তার লাইসেন্স পেতে বয়স হতে হয় কমপক্ষে ১৮ বছর।

তবে বন্দুক রাখার জন্যে লাইসেন্সের প্রয়োজন পড়লেও, প্রতিটি অস্ত্রের পৃথক রেজিস্ট্রেশনের বাধ্য-বাধকতা নেই। আর সে কারণে নিউজিল্যান্ডে ঠিক কতটি আগ্নেয়াস্ত্র আছে তার সঠিক হিসাব নেই পুলিশের কাছে।

‘লাইসেন্স পাওয়া থেকে শুরু করে এতগুলো অস্ত্র রাখা, এসব ঘটনা ও তার ধারাবাহিকতা নিয়ে কাজ চলছে। তবে এই মুহূর্তে আমি আপনাদের একটি কথা বলতে পারি, আমাদের অস্ত্র আইন পরিবর্তন করা হবে।’

সংবাদ সম্মেলন শেষে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী আরডার্ন।

 

/কে 

Ads
Ads