দেশি এয়ারলাইন্স বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ব্যবহার করতে পারবে না

  • ১৪-মার্চ-২০১৯ ০২:০৫ পূর্বাহ্ণ
Ads

:: ভোরের পাতা ডেস্ক ::

বিশ্বব্যাপী বোয়িংয়ের ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ উড়োজাহাজের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই ব্যবহার না করে মাটিতে নামিয়ে রাখা হয়েছে। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে এ ধরনের নতুন দুটি উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত হয়ে ৩৪৬ জন আরোহী নিহত হওয়ার পর বিশ্বের অধিকাংশ এয়ারলাইন্স ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এ উড়োজাহাজটি ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

বাংলাদেশেও ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস ও লায়ন এয়ারের ম্যাক্স উড়োজাহাজের দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ না হওয়া পর্যন্ত দেশের কোনো এয়ারলাইন্সকে বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স-৮ মডেলের উড়োজাহাজ কেনা বা লিজের অনুমতি দেবে না বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)। এ সময় পর্যন্ত দেশের কোনো বিমানবন্দরে দেশি কোনো এয়ারলাইন্স বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজ অবতরণ ও উড্ডয়ন করতে পারবে না। অবশ্য বাংলাদেশের কোনো এয়ারলাইন্সের বহরেই এই মডেলের উড়োজাহাজ নেই।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেবিচক পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন) উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবির।

খুব অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই দুর্ঘটনার পর ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ উড়োজাহাজের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। ক’দিন ধরে একের পর এক বিভিন্ন এয়ারলাইনস বহরে থাকা ৭৩৭ ম্যাক্স ৮ সিরিজের উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড করেছে। এর মধ্যে সিঙ্গাপুর, চীন, ইন্দোনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও অস্ট্রেলিয়া রয়েছে। এ ছাড়া ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনস, ব্রিটিশ কেইম্যান এয়ারওয়েজ, সাউথ আফ্রিকার কোমএয়ার, ব্রাজিলের গোল এয়ারলাইনস, মেক্সিকোর অ্যারোমেক্সিকো ও আর্জেন্টিনার অ্যারোলিনেয়াস আর্জেন্টিনাস, নরওয়েজিয়ান এয়ার, টুই এয়ারওয়েজ, শেনজেন এয়ারলাইনস, এয়ার চায়না, চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইনস, চায়না সাউদার্ন, হাইনান এয়ারলাইনস, সাংহাই এয়ারলাইনস, জিংমেন এয়ারলাইনস, শ্যানডং এয়ারলাইনস, ওকে এয়ারওয়েজ, কুনমিং এয়ারলাইনস, গরুড় ইন্দোনেশিয়া, লায়ন এয়ার ও সিল্ক এয়ার তাদের বহরের বোয়িং-৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজের সব ফ্লাইট স্থগিত করেছে। অসংখ্য এয়ারলাইনস বোয়িং-৭৩৭ ম্যাক্স সিরিজের দেয়া অর্ডার বাতিল করতে শুরু করেছে।

বেশ কয়েকটি দেশ তাদের আকাশ সীমায় এই বিমানের উড়াল বা তাদের বিমান বন্দরে ওঠা-নামা সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করেছে।

সিঙ্গাপুর, চীন, মালয়েশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার পর সর্বশেষ এই সিদ্ধান্ত এসেছে ব্রিটেন, ফ্রান্স ও জার্মানির কাছ থেকে।

 

/কে 

Ads
Ads